বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

মা-বাবার ভালোবাসা

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান PS Sumon (০ পয়েন্ট)

X -এক গ্রামে এক কুপ ছিল। --গ্রামের লোকজন যখনই জল তোলার জন্য তাতে বালতি ফেলতো প্রতিবারই বালতিশূন্য দড়ি উঠে আসত। --এমন অদ্ভুতকাণ্ড বারবার ঘটায় গ্রামে ছড়িয়ে পড়ল যে, কুপে ভয়ংকর একটা ভুত বাস করে। কিন্তু এভাবে আর কদিন চলে? তাদের জল সংগ্রহ করতে হবে। এর একটা বিহিত করা দরকার। --কিন্তু কুপে নামবে কে? কেউ সহজে রাজি হচ্ছে না।এমন সময় এক যুবক নামতে রাজি হলো।সে বলল, আমি কুপে নামব।আমার কোমরে দড়ি বেঁধে নামিয়ে দেবেন। তবে শর্ত হল দড়ির অপর প্রান্তে অবশ্যই আপনাদের সাথে আমার মা বাবাকে থাকতে হবে। --গ্রামের লোকজন তার শর্ত শুনে বেশ আশ্চর্য হলো। গ্রামের শক্তিশালী এতগুলো মানুষ থাকতে তার বাবা মাকে লাগবে কেন? প্রথমে তারা যুবককে বিষয়টা বোঝাতে চেষ্টা করল।মা বাবা বলল নামিস না খোকা ভুত প্রেত থাকতেও পারে। কিন্তু যুবকের এক কথা সে নামবে এবং অবশ্যই গ্রামের লোকজনের সাথে মা বাবাকে ও উপরে রাখতে হবে।অবশেষে এই শর্তে সবাই রাজি হলো। সবাই মিলে যুবককে কুয়াতে নামিয়ে দিল।ভেতরে গিয়ে সে দেখল, কুয়ার মধ্যে একটি বানর পাশে গজিয়ে ওঠা গাছপালাতে ঝুলে আছে। মূলতঃ বানরটিই দড়ি খুলে বালতি রেখে দিত। যুবক বানরটিকে ধরে কাঁধে বসিয়ে দড়ি টানার নির্দেশ দিল।বানরটি ছিল যুবকের কাঁধে। এজন্য স্বাভাবিকভাবেই সর্বপ্রথম কুয়োর মধ্যে আবছা আলোয় ভুতের মতো মনে হলো তার চেহারা। হঠাৎ করে ভূতদর্শন চেহারা দেখে সবাই মনে করল, ভুত টা উঠে আসছে। তাই দড়ি ফেলে সবাই পালালো ।কিন্তু দুজন দড়ি ছাড়ল না। তার মা ও বাবা । বহুকষ্টে ছেলেকে টেনে তুলল উপরে। ফলে তার ছেলে নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচে গেল। তখন সবাই বুঝতে পারল কেন সে মা বাবাকে দড়ি ধরার শর্ত দিয়েছিল। কারণ, পৃথিবীতে সবাই বিপদের সময় দূরে সরে গেলেও মা বাবা সরবে না!


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৮ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now