বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
দাদু আমাকে ডেকেছে একটা দরকারে। তাই গেলাম ওনার সাথে দেখা করতে। গিয়ে তো আমার চক্ষু চড়কগাছ°°°
সামনে সকালের মেয়েটা। হাতে একটা বই নিয়ে পড়ছে নাকি এমনি বসে আছে না কি কে জানে । আমি ডেকে বললাম, এই যে,সকালে প্রিয়ন্তীর সাথে তুমি ছিলে?
সে বিড়বিড় করে বলে, অপরিচিত জনকে আপনি বলুন।
আমি : তোমাকে আপনি বলবো?
সে: আপনি আমাকে কিছু বলছেন?
আমি : ক ই, নাতো।
তখন দাদু এলো।বলল, কিরে কখন এলি?
আমি : এইতো এখুনি।তা একে তো ঠিক চিনলাম না দাদু
দাদু: আরে, এতো নিলীমা।
আমি : ও।তা এতোদিন পর এলো।
দাদু : হুমম।
নিলীমা: এ কে দাদু?
দাদু: এ হলো পুব পাড়ার বকুল।
নিলীমা: ও।
দাদু বলল,নিলীমা তোর মাকে দুটো চা আনতে বল। ও চলে গেল। দাদুর সাথে আলাপ করছি,তখন ও চা নিয়ে এলো।চায়ের কাপ ও এগিয়ে দিলো।হাত বাড়িয়ে একটা কাপ ধরতেই বলে যে এটা দাদুর জন্য। তোমার জন্য এটা।বুঝলাম একটু গন্ডোগোল নিশ্চিতই আছে।তবু বিশেষ একটা মনে না করে অন্য কাপটা তুলে নিলাম ।চায়ের কাপে চুমুক দিতেই বুঝলাম চায়ে চিনি দেয় নি।বরং কি যেন দিয়েছে যে তেতো লাগছে। সে জন্য আমাকে এই কাপটি দিলো।বললাম, চা কে বানালো?
নিলীমা বললো,মা বানিয়েছেন।
দাদু: সেই হয়েছে চাটা।
আমি : ঠিকই বলেছেন দাদু।
এটা শুনে নিলীমা আড়ালে গিয়ে হাসছে।মনে হচ্ছে যেন কত আনন্দ পেয়েছে। মুখে দুষ্টুমির হাসি। তারপর চলে আসি।সেই কবে দেখেছিলাম। আট বছর আগে। ক্লাস ফোরে থাকতে। তখন ও থ্রিতে পড়তো। রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছিলাম। ও ওর তিন বান্ধবীর সাথে এসেছিল আমার দিদির কাছে প্রাইভেট পড়তে।চুলগুলো ছোট ছোট ছিল। মায়াবী চোখ, ঠোঁটে গোলাপী লিপস্টিক।যা দেখে কেমন যেন একটা অনুভূতি হয়েছিল। তাছাড়াও ও পায়ে নূপুর পরে ছিল। হাটার তালে তালে নূপুরের ধ্বনি ছন্দে ছন্দে তাল মিলাচ্ছিল। তারপর চলে গেল। আমিও পিছনে চুপি চুপি গেলাম। দিদির সাথে কথাবার্তায় বুঝলাম যে ও পশ্চিম পাড়ায় থাকে। কমাবাড়ী প্রাইমারি স্কুলে থ্রিতে পড়ে। তারপর থেকে ওকে দেখার জন্য প্রতিদিন বিকেলে রাস্তায় দাড়িয়ে থাকতাম। একদিন দুষ্টুমি করার জন্য গেটের সামনে দাড়িয়ে ছিলাম। ওরা আসার শব্দ পেয়ে আমি বাইরে আসি। সামনে ওর বান্ধবী পলি আসছিল। ফলে ধাক্কাটা লেগেই যায়। ভাগ্যিস কেউ পরিনি
কিন্তু ওর কপাল লেগে আমার ঠোঁট গেল ফেটে। আমি ভেউ ভেউ করে কেদেঁ ফেলি। আর তা দেখে নিলীমা জোরে জোরে হাসছিল। তা দেখে আমার রাগ হয়। আমি দিদির কাছে বিচার দিতে যাই।
আমি : দিদি, দেখ তোর ছাত্রী আমার অবস্থা দেখে হাসছে।
তখন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now