বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
" আর তার নির্দশনাবলীর মধ্যে আর একটি নিদর্শন এই যে ,তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের মধ্যে হতেই জীবনসঙ্গীনী সৃষ্টি করেছেন,যাতে তোমরা ওদের নিকট শান্তি পাও এবং তোমাদের মধ্যে পারস্পরিক ভালোবাসা ও মায়া মমতা সৃষ্টি করেছেন। চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্য এতে অবশ্যই বহু নিদর্শন রয়েছে। (সূরা রুম ,আয়াতঃ21 )
স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক আল্লাহর পক্ষ থেকে এক টুকরো নেয়ামত। নবীদের সুন্নাত ও পৃথিবীতে জান্নাতের আবেশ। কিন্তু মাঝে মাঝে কিছু দমকা হাওয়া এলোমেলো করে দিতে পারে এই সুন্দর নেয়ামত অথবা কোনো ঠুনকো মান অভিমানের পাল্লা ভারী হতে হতে একসময় ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়ে পারে বৈবাহিক সম্পর্ক।তাই দাম্পত্য জীবনের শুরু থেকেই মেনে চলুন পাঁচটি বিষয়।
১। শ্রদ্ধার সম্পর্ক গড়ে তুলুন
দুটো প্রাণ একসাথে পথ চলায় জীবনের আঁকাবাঁকা পথে কিছু কাটার আচঁড় রক্তাক্ত করে দেয় মাঝে মাঝে।রাগ ক্ষোভ জমতে জমতে একসময় একে অপরের প্রতি খানিক বীতশ্রদ্ধ হয়ে পড়ে। ঠিক এ মুহূর্তে সঙ্গীর ভালো গুণ গুলো মনে করুন। ভাবুন তার অকৃত্রিম গুণগুলোর কথা ।রাগ ক্ষোভ ঝেরে ফেলে শ্রদ্ধা করুন একে অপরকে। স্বামী হলে স্ত্রীকে শুধু নারী না ভেবে মানুষ ভাবুন।তার যথাযথ মর্যাদা দিন।তার ব্যক্তিত্বে আঘাত লাগে এরকম কথা কখনোই বলবেন না।আর স্ত্রী হলে স্বামীর প্রতি কখনোই বিষাক্ত বাণ ছুরবেন না।কথার আঘাত তীরের চেয়েও ধারালো।
২।প্রত্যাশা ছাড়াই ভালোবাসুক
কোনো রকম প্রত্যাশা ছাড়াই একে অপরকে ভালোবাসুন।পরস্পরকে ছাড় দেওয়ার মানসিকতা নিয়ে দাম্পত্য জীবন শুরু করতে হবে।যে কোনো সিদ্ধান্তে পরস্পরের পছন্দ অপছন্দের বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে।আপনি হয়তো তাকে বেশি ভালোবাসেন ।তাই বলে নিজের মতো ভালোবাসা প্রত্যাশা করবেন না। মনে রাখুন প্রত্যেকের ভালোবাসা প্রকাশের ধরন ভিন্ন।
৩।বিবাহ পূর্ব জীবন সম্পর্কে অকারণ গোয়েন্দাগিরি বন্ধ করুন
আজকাল কিছু অতি উৎসাহী দম্পতিকে দেখা যায়,সঙ্গীর বিবাহ পূর্ববর্তী জীবন নিয়ে অতি সজাগ থাকে।এমন ও হতে পারে আপনার স্বামী বা স্ত্রী বিবাহ পূর্ব কোনো সম্পর্ক বা ভালো লাগায় জরিত ছিলেন। এক্ষেত্রে সম্ভব হলে বিবাহের পূর্বে খোঁজ খবর নিন, কিন্তু বিয়ের পরে নয়। স্বামী বা স্ত্রীকে মাফ করে দিন।মন থেকে ভালোবাসুন।
মির্জা ইয়াওয়ার বেইগ বলেন, আপনার সঙ্গীর বিবাহ পূর্ববর্তী জীবন সম্পর্কে ঘাঁটাঘাঁটি না করাই বুদ্ধিমানের কাজ। অহেতুক পুরোনো নথিপত্র ঘেঁটে এখন নিজেদের মধ্যে কলহ বন্ধ করুন। এখন সে আপনার স্বামী বা স্ত্রী তাই প্রত্যাশাহীন ভাবে ভালোবাসুন।
৪। সহযোগী হন প্রতিযোগী নয়
স্বামী স্ত্রী পরস্পরের প্রতি সহযোগিতার মধ্যদিয়েই দাম্পত্য জীবনে সুখী হয়।একে অপরের সাহায্য নিজের মতোই খুশি হন। পরস্পরের দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যাণের জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করুন।ইসলাম একে অপরের প্রতি দায়িত্বশীল হতে বলেছে। ইসলাম নিছক ব্যাক্তি স্বার্থে পরিবারের বৃহত্তম সার্থকে ক্ষুন্ন করার অধিকার কাউকে দেয়নি।
৫। আজীবন একে অপরকে আবিষ্কার করুন
স্বামী স্ত্রী একে অপরকে আবিষ্কার করুন। প্রতিটি মানুষের ব্যক্তিগত ভালো মন্দের বিষয় আছে। পরস্পরের প্রিয় বিষয়গুলো মনোযোগের সাথে লক্ষ্য করতে হবে।তার চাওয়া পাওয়ার ব্যাপার গুলোর প্রতিও একই সাথে লক্ষ্য রাখতে হবে। এগুলো আবিষ্কার করলেই হবে না। বরং ন্যায় সঙ্গত চাওয়া পাওয়ার ব্যাপারে আন্তরিক হতে হবে।এছাড়া ভালোবাসার কথা জানান নিয়ম করেই। নবীজী সাঃ এতে উৎসাহিত করেছেন।
এছাড়া স্ত্রীর কাছ থেকে দূরে অবস্থান করলে নিয়মিত খোঁজ খবর নেওয়া উচিত। অফিস বা কর্মস্থলে কাজের ফাঁকে ফোন করে কথা বললে স্ত্রীর একাকিত্ব বা মন খারাপের মতো আয়োজন দূর হয়।এছাড়া কোথাও বেড়াতে গেলে একে অপরকে ছোটখাটো গিফট দেওয়া যেতে পারে।এতে হৃদ্যতা ও ভালোবাসা প্রকাশ পায়।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now