বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

#তোমার শহর

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Sumaiya Akter (০ পয়েন্ট)

X .লেখা:ফাহমিদা . .তোমার পিচঢালা রাস্তায় আমি বড্ড বেমানান। তোমার ইটের দেয়ালগুলোয় রোবো মানুষের ছাপ। সেখানে আমার মত আবেগী মানুষের কোন জায়গা নেই। তোমার কৃষ্ণচূড়া ডালে আজ কোন ফুল ফোটেনা। পরিত্যক্ত পাতাহীন নির্জীব তার আবেশ। তোমার শহরটা আমি হতে অনেকদূর। যতটা দূরে হলে চাইলেও ছোঁয়া যায়না। সেই শহরের অলি গলি কিংবা ফুটপাতের মাঝেও আমার দেখা মিলেনা। মিলবে কি করে !আমিতো সেথায় বহিস্কৃত। কি নির্বাক ছিলে সেদিন তুমি। বাস্তবতার দোহায় যখন আমায় তোমার থেকে একটু একটু করে বিলীন করে দিচ্ছিল। আসলেই কি কষ্ট পেয়েছিলে? নাকি খানিক হাফছাড়া নিশ্বাস তোমায় ঘিরে রেখেছিল? তোমার দুটি চোখের দিকে যখন সত্যিটা খোঁজায় ব্যস্ত আমি,তখন তুমি নতুন নীরের বাসিন্দা। আমার ঠিকানার প্রতিবেশীর পদটা কি নির্মমভাবে বদলে নিলে। সূচনাটা কি মিথ্যে ছিল? নাকি সমাপ্তির প্রত্যাশা? আমি বহুবার তোমার শহরের সীমানা ঘেঁষে দাঁড়িয়েছি শুধু তোমায় একটুখানি ছোঁবো বলে। কিন্তু রক্ষীরা কি নিষ্ঠুর দেখ, ছুঁড়ে ফেলে দিল আমায় প্রবেশাধিকার নেই বলে। আমি খানিক আহত হলাম। ভাঙা হৃদয়ের টুকরোগুলো যখন পুণরায় জোড়ালাগাতে তৎপর হলাম তখন মনে পড়ল আঠা ছাড়া এগুলো জোড়া লাগানো আমার কম্য নয়। কিন্তু সেই আঠাতো তোমার কাছে। কত চাইলাম..... অনুরোধে ঢেকি গেলা সারা হলে তুমি হাসতে হাসতে বললে আঠার ক্রেতা এখন বদলে গেছে। মূল্যহীন এই আমিকে বিনামূল্যের নিম্নস্তরে স্থানদিতে দুবার ভাবলে না। বিশ্বাস কর এবার আমি নিহত হলাম। হেসো না গো জীবিত থাকাকেই কি শুধু বেঁচে থাকা বলে বলো? আত্মার মৃত্যু হওয়া সত্বেও বেঁচে থাকা যায়। খুব ভালোভাব বেঁচে থাকা যায়। আর সেই বেঁচে থাকার ব্যর্থতাগুলো তোমার কাচের প্রাচীরঘেরা শহরকে ডিঙিয়ে মন অবধি পৌঁছাতে পারেনা। আপসোস যদি একদিনের জন্যও আমার এই খড়খুটোর নড়বড়ে ছোট্ট কুঠিতে যদি তোমায় আনতে পারতাম! হয়তো বুঝতে প্রতিনিয়ত সেই ঘরের চালাটা আগুনে পোড়ে। কি উত্তাপে দগ্ধ হয়ে একমুঠো শিশির চেয়ে বসি। একটুকরো প্রতারক গল্পকে কল্পনা থেকে মুছে ফেলার প্রচেষ্টায় আজ শ্রমিকের বেশ আমার। পারলামনা জানো তোমার ৩৬৫ দিনের মাঝে ২৪ ঘন্টা শুধুই আমার করতে। সেখানের প্রতিটা সেকেন্ড যে এখন অন্য ক্রেতার মালিকানায়। তবু ভালো থেকো। স্নিগ্ধতায় জমা বৃষ্টি তোমার অধর ছুঁক। রোজকার মুগ্ধতা তোমার সঙ্গী হোক। আমার কুঠির কষ্টগুলো না হয় তোমার শহরের উচ্ছিষ্টরূপে পড়ে থাকুক ডাস্টবিনের এক কোণে। আমি না হয় কল্পনায় তোমায় নিয়ে ঘর বাধব আর বেশ ভালো থাকব,খারাপ থাকার চেয়ে কিছুটা বেশি।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৭৪ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now