বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
তখনো সূর্য্যোদয় হয় নাই, পূর্ব্বদিক্
রঞ্জিত হইয়াছে মাত্র! প্রমীলা আসিয়া নিদ্রিত
সুরেন্দ্রনাথের গলা জড়াইয়া ধরিল,— “মাষ্টার-
মশায়।” সুরেন্দ্রনাথের অলস চক্ষু দুটী ঈষৎ
উন্মুক্ত হইল,—“কি প্রমীলা?”
“বড়দিদি এসেছেন।“ সুরেন্দ্রনাথ উঠিয়া
বসিল। প্রমীলার হাত ধরিয়া বলিল, “চল, দেখে
আসি।”
এই দেখিবার বাসনাটি, তাহার মনে কেমন
করিয়া উদয় হইল, বলা যায় না, এবং এতদিন পরে
কেন যে সে প্রমীলার হাত ধরিয়া চক্ষু
মুছিতে মুছিতে ভিতরে চলিল, তাহাও বুঝিতে পারা
গেল না; কিন্তু সে ভিতরে আসিয়া উপস্থিত
হইল। তাহার পর সিঁড়ি বাহিয়া উপরে উঠিল। মাধবীর
কক্ষের সম্মুখে দাঁড়াইয়া প্রমীলা ডাকিল,
“বড়দিদি!”
বড়দিদি অন্যমনস্ক হইয়া কি একটা কাজ
করিতেছিল, কহিল, “কি দিদি?”
“মাষ্টার-মশাই—”
দুইজনে ততক্ষণে ভিতরে প্রবেশ
করিয়াছে, মাধবী শশব্যস্তে দাঁড়াইয়া উঠিল।
মাথার উপর এক হাত কাপড়্ টানিয়া একপাশে সরিয়া
দাঁড়াইল। সুরেন্দ্রনাথ কহিতেছিল, “বড়দিদি,
তোমার জন্য আমি বড় কষ্টে—” মাধবী
অবগুণ্ঠনের অন্তরালে বিষম লজ্জায় জিভ কাটিয়া
মনে মনে বলিল, “ছি ছি!”
“তুমি চলে গেলে—”
মাধবী মনে মনে বলিল, “কি লজ্জা !”
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now