বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
ডাইনি
জোনার: হরর,থ্রিলার
আজ সকালে এক প্রহরী এসে আমাকে গালাগালি শুরু করলো। দুই দিন আগে আমি যে প্রহরী কে অভিশাপ দিয়েছিলাম সে নাকি যুদ্ধে মারা গেছে।স্বাভাবতো তাদের ধারনা আমার অভিশাপে তার মৃত্যু হয়েছে।এ পর্যন্ত তিন তিনটা খুনের দায় আমার কাঁধে। হায় ঈশ্বর! এ মূর্খরা কি তোমার সৃষ্টি? যুদ্ধে তো মানুষ যায় মরতে না হয় মারতে।সে প্রহরীর মৃত্যু আমার কারনে হয় নি তুৃমি তো তা জানো।তারা শুধু শুধু আমাকে এখানে ধরে এনেছে।প্রহরীরা বলাবলি করছিলো যত দ্রুত সম্ভব আমার মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা উচিত। এ কথা শুনে মার্টিনী অনেক উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠলো।সৃষ্টিকর্তা তাকে যেন স্বর্গের দূত হিসাবে পাঠিয়েছে।তারপর আসলো সেই বিশেষ দিন যা আমাদের জীবন কে আরো যন্ত্রনা কষ্টে ভরে দিয়ে গেলো। আজ সন্ধায় আমাকে শুদ্ধি করনের জন্য প্রহরীরা আসলো। সেলের দরজা খুলে ঝখন প্রহরীরা আমাকে টেনে হিঁচড়ে নিয়ে যাচ্ছিলো, তখন মার্টিনীর কি কান্না
আমি তখনো জানতাম না শুদ্ধিকরন সম্পর্কে।তাই তারা যখন জোর করে আমার দূর্বল দেহটাকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলো যতটুকো সম্ভোব মেয়েটাকে দেখে নিচ্ছিলাম।
সে সেলের মাঝে উন্মাদের মতো চিৎকার করছিলো আর নিজের চুল ছিঁড় ছিলো।আড়াল হওয়ার পূর্ব মূহর্তে নিজের সর্বোশক্তি দিয়ে চিৎকার করে বল্লাম
---মার্টিনী আমি তোমায় ভালবাসি।
প্রহরীরা আমাকে প্রিষ্টের সামনে এনে হাজির করে।গির্জার সর্বোউচ্চো অংশে, সুরম্য কক্ষে প্রিষ্ট বিরাজমান। আমি নত হয়ে তাকে সম্মান জানালাম।তার পায়ে পরে বল্লাম
---ধর্মবতার আপনি আমাকে চেনেন।আমি ছোটবেলায় আপনার গির্জায় দুই বছর শিক্ষানিবিস ছিলাম।জীবনে এমন কোন রবিবার নেই যে আমি গির্জার সাপ্তাহিক প্রার্থনায় অংশগ্রহণ করি নি।
তার বিনিময়ে প্রিষ্ট আমার মুখে লাথি মেরে আমাকে দূরে ফেলে দিলেন। আর বল্লেন
---আমি নাকি ছদ্মবেশী ডাকিনী।ধর্মের ছদ্মবেশে আমি তিনটা খুন করেছি।আমার জন্য মৃত্যুদন্ড নিশ্চিত। কিন্তু তার আগে আমার অপবিত্র দেহটাকে শুদ্ধিকরনের দ্বারা পবিত্র করতে হবে। যাতে আমার অপবিত্র আত্মা আবার ফিরে আসতে না পারে।
প্রিষ্টের নির্দেশে দুইজন প্রহরী শক্ত করে আমার দুই হাত ধরে দার করালো। প্রিষ্ট একটা ছুড়ি নিয়ে আমার কাপড় টি কেটে আমাকে একেবারে নগ্ন করে ফেল্ল। লজ্জায় আর ঘৃনায় আমি চিৎকার করে ওঠলাম। মনে করছিলাম আমার চিৎকার আর প্রার্থনা শুনে মা মেরী আমাকে সাহায্য করবে।কিন্তু না তার বিনিময়ে প্রিষ্টের শক্ত হাতের চড় আমার গালে আঙ্গুলের দাগ বসিয়ে দিলো। আমার ঠোঁটের কিছু অংশ কেটে রক্তাক্ত হলো। এ পৃষ্ঠাটা পড়তে গিয়ে আমার হাত পা অসড় হয়ে আসছিলো।দৃষ্টি ঝাপসা হয় আসছিলো বারবার। অনুমান করতে পারছিলাম তারপর অভাগী মেয়েটার উপর হয়তোবা যৌন নির্যাতন করা হয়েছে। কান্না ভেজা চোখে পরের পৃষ্টায় গেলাম।
ওরা আমাকে পাশের রুমের বিছানায় নিয়ে গিয়ে শিকল দিয়ে আমার হাত পা বেঁধে ফেলে।তারপর প্রিষ্ট এসে আমার উপর পানিপড়া ছিটিয়ে দেয়। কিন্তু মাঝরাতে তার আসল রুপ বের হয়ে আসে। সে রাতে মাতাল প্রিষ্ট আমাকে তিন,তিন বার ভোগ করে। সারা রাত অসহায় ভাবে মা মেরী কে ডেকে গিয়েছি। কেউ শুনে নি..কেউ শুনে নি আমার যন্ত্রনার চিৎকার।অসহায়ের প্রার্থনা।সকালে আমাকে নগ্ন বিধ্বস্ত অবস্থায় সেলে ছুঁড়ে ফেলা হয়।তারা আমাকে গোসল পর্যন্ত করতে দেয় নি।সারা শরীর, আর দুপায়ের মাঝখানে এতো বেশী বেথা করছিলো যে হাঁটতেও পারছিলাম না। কিন্তু নির্দয় প্রহরীরা আমাকে চাবুকের আঘাতে আঘাতে সেলে নিয়ে আসলো। একসময় আমি অনুভূতিহীন হয়ে গিয়েছিলাম আমার সাথে কি হচ্ছিলো তার কিছুই বুঝে ওঠতে পারছিলাম না।
যখন আমাকে সেলে নিয়ে আসা হলো মার্টিনী দৌড়ে আসলো।কিন্তু তখন আমার নগ্ন দেহ,সারা দেহে রক্ত আর বির্যে মাখামাখি।নিজের প্রতি ঘৃনা হচ্ছিলো।কিন্তু মার্টিনী সে দিকে ভ্রুক্ষেপ করলো না। দৌড়ে এসে আমাকে জড়িয়ে দড়লো। একসময় আমি আমার দূর্বল দেহটা তার বাহুডোরে এলিয়ে দিলাম। এভাবে কতক্ষন সংঙ্গাহীন ছিলাম বলতে পারবো না। যখন জেগে ওঠলাম তখন দেখলাম মেয়েটা তার কাপড়ের একটা অংশ কেঁটে আমার অপরিচ্ছন্ন শরীর যত্নকরে পরিষ্কার করে দিচ্ছে।
কখন সকাল হয়ে গেছে বুঝতেই পারি নি।আমি কখন সারা রাত ডাইরিটা পরে কাটিয়ে দিয়েছি বুঝতেই পারে নি।সিদ্ধান্ত নিলাম আমি এ কটেজ ছেড়ে কোথাও যাব না। এলেস কে অবশ্যই সাহায্য করবো। কেন জানি অচেনা মেয়েটাকে ছেড়ে যেতে মন চাইছে না।তবু নাস্তা করে অফিসের দিকে ছুটলাম।নতুন চাকরি তাই ফাঁকি দেওয়া তো যায় না।
(চলবে...)
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now