বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

A relationship

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ⓜⓨⓝⓤⓛ ⓘⓢⓛⓐⓜ ⓡⓐⓕⓘ (০ পয়েন্ট)

X (Partgj4) (এই পর্ব দেরি করে দিলাম বলে দুঃখিত।তাই এই পর্ব একটু বড় করে লিখলাম।আসলে আমি বেশি অলস একজন মানুষ।সেই জন্য গল্প দিতে দেরি করি) দেখতে দেখতে এস.এস.সি এর রেজাল্ট দিয়ে দিল।আমি ও মিরা দুইজনই GPA-5 পেয়ে গেলাম।আমি খুব খুশি হলাম।এই কয়েক দিনে মিরার জন্য অনেক টাকা খরচ হল।প্রতিদিন তার ফুচকা চাই।তারও কিছুদিন পর থেকে মিরার আচরণ সম্পুর্ণ পাল্টে গেল।মিরা এখন আমাকে পাত্তাই দিচ্ছে না।প্রথমে ভাবলাম কোন কাজে ব্যস্ত আছে।দুইদিন কোন কথা না বলার পর আমি মিরাকে টেনে আমার রুমে নিয়ে এলাম।দরজা বন্ধ করে মিরাকে জিজ্ঞেস করলাম,"তুমি আমার সাথে কথা বলছ না কেন"? মিরা তাচ্ছিল্যের সুরে বলল,"তুই কি করে ভাবলি তুর মত গেয়ো ভূতের সাথে প্রেম করব"। -মানে? -এতদিন তোর সাথে যা করছি সব নাটক।বন্ধুদের সাথে ট্রুথ অর ডেয়ার খেলার সময় আমার ভাগ্যে পড়েছিল গ্রামের চাচাতো ভাইকে প্রেমের ফাদে ফেলা।আর এর জন্যই গ্রামে আসা।না হলে এই নোংরা গ্রামে কেউ আসে।এই দেখ ফেসবুকে স্টেটাস দিয়েছি।ক্যাপশনে লিখেছি গ্রামের হাবাগোবা চাচাত ভাই যখন প্রেমের ফাদে পরে।এই দেখ আমার বন্ধুরা কি কমেন্ট করছে। একজন দেখলাম লিখেছে একবারেই সফল।তুই আসলেই জিনিয়াস মিরা।অনেকে অনেক রকম কমেন্ট করেছে। -মিরা তুমি আমার সাথে এমন কর‍তে পার না। -আমি সব পারি। এই কথা শুনে রাগ আর নিয়ন্ত্রণ করতে পারলাম না মিরাকে দেয়ালে চেপে ধরলাম।মিরা রেগে বলল,"ছেড়ে দে না হলে ফল ভাল হবে না"। আমি বললাম,"বুঝার চেষ্টা কর আমি তোমাকে সত্যিই ভালবাসি"। -এই কুত্তা তুই ছেড়ে দে।তুকে আমি ভালবাসব!তত খারাপ দিন মিরার আসেনি মনে রাখিস। আমি এইবার প্রচন্ড রেগে মিরাকে একটা থাপ্পড় মারলাম।মিরা মুখে হাত দিয়ে বলল,"আজ পর্যন্ত কেউ আমার গায়ে হাত দিতে পারেনি আর তুই আমাকে থাপ্পড় মারলি।দেখ আমি তোর কি করি। এই কথা বলে মিরা নিজেই নিজের কাপড় ছিড়ে ফেলল।মিরা চিৎকার করে সকলের সাহায্য চাইতে লাগল।আমি অবাক হয়ে মুখের ভাষাও হারিয়ে ফেললাম।একটা মেয়ে কিভাবে এত নিচু হতে পারে।কিভাবে অন্যকে ফাদে ফেলতে নিজের ইজ্জতই ব্যবহার করতে পারে।মিরার চিৎকার শুনে সবাই দরজা ধাক্কাতে লাগল।মিরা নিজে গিয়ে দরজা খুলে কাদতে লাগল।আমি নিশ্চুপ দর্শকের মত শুধু দেখতে লাগলাম।আব্বু প্রথমে কি হয়েছে জিজ্ঞেস করল।আমি বলার আগেই মিরা কাদতে কাদতে বলল,"আবির জোর করে আমার ইজ্জত....."।কথাটা শেষ করার আগেই আব্বু আমাকে প্রচন্ড জোরে থাপ্পড় মেরে বলল।আমি আব্বুকে সত্য কথা বলার আগেই আম্মু বলল,"আগে ভাবতাম আমার ছেলেটা দুষ্ট কিন্তু মন অনেক ভাল।কিন্তু ওই কিনা।ছিহ!আমি নিজের গর্ভে একটা কুলাঙ্গার জন্ম দিয়েছি।সবাই অনেক কিছু বলছে।আব্বু প্রচন্ড রেগে আমাকে ক্রিকেট খেলার স্ট্যাম্প দিয়ে পেটাতে লাগল।আমাকে মেরে আধমরা করে বলল,"তুর মত ছেলে আমার দরকার নেই।তুই এই ঘর থেকে বেরিয়ে যা"।মা বিলাপ করতে করতে বলল,"হায়!এই ছেলে আমার ছেলে হতে পারে না"। আমি মা-বাবাকে বুঝাতে চাইলেও তারা মিরার পক্ষই নিচ্ছেন। চাচা নিশ্চুপ।চাচা রাগী হলেও আমাকে অনেক ভালবাসতেন।আমি এমন করব,ওনার ভালবাসার প্রতিদান এমন ভাবে দিব হয়ত ভাবতে পারেননি।মিরার চোখে মুখে একটা তাচ্ছিল্য ভাব দেখতে পেলাম।মিরা হয়ত মনে মনে হাসছে।হাসবেই তো সে তার প্রতিশোধ কত সহজেই নিতে পেরেছে।আজ ওর মায়া কান্না জিতে গেল।আমার ভালবাসা হেরে গেল।কত নিষ্টুর এই পৃথিবী।খারাপ লোকই জিতে যায়।ভালবাসা আজ বড়ই অসহায়।আমি শেষ বারের মত আব্বুকে বললাম,"আব্বু আমি কিছু করিনি।সবই মিরার সাজানো নাটক।"আব্বু আমাকে গলা ধাক্কা দিয়ে ঘর থেকে বের করে দিয়ে বলল,"আর যদি এই ঘরে কোনদিন আছিস তবে হয় তুই মরবি না হলে আমি মরব।"আম্মু বলল,"তুই যদি আর আমার সামনে আছিস তবে আমি আত্মহত্যা করে মরে যাব।তুই কি আমার লাশ দেখতে চাস"?এইসব কথা শুনার পর সেখানে আর থাকার কোন প্রশ্নই আসে না।শেষ পর্যন্ত আমার আব্বু আম্মুও আমাকে চিনল না।তারা কি করে ভাবতে পারে আমি এত নিচে নেমে যাব।শেষ বারের মত আমি বাড়ির দিখে চেয়ে দেখলাম।হয়ত আর কোনদিন এই বাড়িতে আসা হবে না।প্রথমে আমার বেস্টফ্রেন্ড ফারাবীর কাছে গিয়ে সব ঘটনা খুলে বললাম।ফারাবী বলল,"কি করবি এখন"?আমি বললাম,",কি আর করব গ্রাম ছেড়ে চলে যাব।সবাই যখন আমাকে ঘৃণা করছে কিভাবে আমি এখানে থাকব।নিজের মা-ই যখন চিনতে পারে নি"।কথাটা বলতে গিয়ে আমি আর নিজেকে ধরে রাখতে পারলার না কেদে দিলাম।ফারাবী ও কেদে জিজ্ঞেস করল,"কোথায় যাবি"? -চট্টগ্রাম যাব।দেখি খেয়ে দেয়ে বেচে থাকতে পারি কিনা।দোয়া করিস। -তুই একটু দাড়া।আমি আসি। এই কথা বলে ফারাবী ঘরে চলে গেল।ফিরে এল একটা ব্যাগ নিয়ে।এসে বলল,"বন্ধু তুর জন্য বেশি কিছু করতে পারছি না।এই ব্যাগে কিছু কাপড় আছে আর একটা সিম কার্ডসহ মোবাইল এবং দশ হাজার টাকা আছে।আর সিমে আমার নাম্বার সেভ করা আছে।আর কারও সাথে না হলেও আমার সাথে অন্তত যোগাযোগ করিস।তোকে অনেক মিস করব। এটা বলে ফারাবী আমাকে জড়িয়ে ধরল।আমি কেদে বললাম,"আমি তোর এই উপকার কখনো ভুলব না।এবার আমাকে যেতে হবে।আমি জানি ফারাবী আমাকে খুব ভালবাসে একদম ভায়ের মত।ফারাবীর কাছে বিদায় নিয়ে চট্টগ্রামে চলে আসলাম।আমার নতুন শহর।এই শহরেই শুরু হবে আমার নতুন স্বপ্ন ও বেচে থাকার লড়ায়। (পরের পার্ট গল্প ভিন্ন দিকে মোড় নেবে।আশা করি আমার সাথে থাকবেন।ধন্যবাদ) To be continued..............


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১০০ জন


এ জাতীয় গল্প

→ A relationship
→ A relationship
→ A relationship
→ A relationship
→ A relationship
→ A relationship
→ A relationship
→ A relationship

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now