বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
(Part:2)
আমি আবার আশির দশকের মানুষের মত ঔ গুলো একটু কম বুঝি।ঔ গুলো কি আপনাদের বলব না।আমি বললাম,"না না আমি খুব সাধারণ ছেলে"।
–তুমি যে কেমন ছেলে আমার ভাল জানা আছে।তোমাকে নিয়ে অনেক কিছু করব।হায়!হায়!!আমারে কেউ মাইরালা!!!এই মেয়ে কি বলে।আমি তো জ্যান্ত থাকতেই মরে যাব।ওকে নিয়ে অনেক জায়গায় ঘোরাঘুরি করলাম।সাথে একটা সুন্দর মেয়ে থাকলে সকল পুরুষের আলাদা একটা ভাব এসে যায়।বন্ধুরা দেখলাম যেচে এসে খাওয়ানোর কথা বলতেছে।মিরা ও দেখি এসব সেটা লক্ষ করেছে।ও আমার সাথে গফ এর মতো আচরণ করতেছে। আমি এগুলো বেশ ভাল ভাবে উপভোগ করতে লাগলাম।ও যা ফাজিল মেয়ে ওর পক্ষে সব সম্ভব।সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে এলাম।মাকে দেখলাম মিরাদের জন্য বেশ ভাল ভাল খাবার তৈরি করতে।যাক এবার অন্তত পেট পুরে খাওয়া যাবে।মাকে মনে মনে ধন্যবাদ দিলাম। আর এদিকে আমি যে মিরার প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছি তা কাউকে বুঝতে দিয় নি।মিরা মনে হয় বুঝতে পারছে।তাই একটু ভাব নিয়ে চলতেছে।আমি ও তেমন পাত্তা দিলাম না।বিষে দিয়েই বিষক্ষয় করতে হবে।চাচাকে আমি ছোট বেলা আমি বেশ ভয় পেতাম।চাচা নাকি আমাকে ডাকতেছে।আমি বেশ ভয় নিয়ে গেলাম।চাচা বলল,"তুই নাকি পড়ালেখা কিছুই করিস না"?আমি আমতা আমতা করে বললাম না মানে ইয়ে।চাচা ধমকের সুরে বলল,"কি না না করতেছিস।তোকে শহরে পড়াতে নিয়ে যাব"।হায়!হায়!!আমি যদি শহরে যায় তবে আমার এই সাজানো গুছানো সংসার কে সামলাবে অহ থুক্কু আমার কি সংসার আছে নাকি!অত চাপের মাঝে ভুলেই গিয়েছিলাম।আমি মাকে ডাকতেছি,"মা,ও মা"।মা এসে বলল,"কি এত চিৎকার করতেছিস কেন"?আমি ন্যাকা কান্না কেদে বললাম,"চাচা নাকি আমাকে শহরে নিয়ে যেতে চায়?
–ভালই তো বলছে।
–আমি চলে গেলে তোমায় জ্বালাবে কে?
–সে জন্যই তো তোকে শহরে পাঠিয়ে দিচ্ছি।
–তার মানে এই ষড়যন্ত্রে তোমার ও হাত আছে।আমি এসব মানব না।আমি অনশন করব।
–কর না।তুই অনশন করলে তো আমাদেরই অনেক খাবার বেচে যাবে।
–মা তুমি একথা বলতে পারলে।তুমি কি সত্যিই আমার মা![ন্যাকামি করে]
–তুর এই আজাইরা প্যাচাল রাখ।আমি এখন গেলাম।আমি তো আবার তোর মত বেকার না।
এই পরিবারে দেখি আমার কোন সম্মান নাই।মাঝে মাঝে মনের দুঃখে বনে চলে যাই।খাবারের কোন চিন্তা যদি না থাকত তবে আমি নিশ্চিত বনে চলে যেতাম।এখন যদি যাই না খেয়ে মরতে হবে।তার চেয়ে মায়ের বকুনি অনেক মজা।বেশ কয়েক দিন মিরাকে আর পাত্তা দিলাম না।ওকে ঘুরাতে নিয়ে যেতে বললেও নিয়ে গেলাম না।ওর সামনেই আমার এক বান্ধবীর সাথে ঘুরতে গেলাম ওকে না নিয়ে।তখন দেখলাম ও লুচির মত ফুলতেছে আর মুখে একটা লাল আভা দেখা দিয়েছে।Wow!রাগলে মিরাকে যা কিউট লাগে। আমি এসব করছি ওকে পটানোর জন্য।সুন্দরী মেয়েরা নাকি অবহেলা একদম সহ্য করতে পারে না।ঐ বান্ধবীর সাথে ঘুরে সন্ধ্যায় বাড়ি এলাম।আসা মাত্র বাবা রাগান্বিত হয়ে বলল,"তুই নাকি মিরা মামুনিকে সময় দিস না?
—না মানে আমি তো সময় পাই না।
—আমি এত সব বুঝি না ও যা বলে সব তুই শুনবি।
—আমি কি ওর চাকর নাকি সব কথা শুনব[মনে মনে]
হ্যা বাবা শুনব[বাবাকে শুনিয়ে]
মিরা আমার ও বাবার সব কথা শুনতেছে।বাবা চলে যেতেই আমাকে বলল,"আমাকে তুমি ইগনোর করতেছ।
—আমি তোমাকে অবহেলা করলেই বা কি না করলেই বা কি?তোমি কি আমার গফ নাকি যে তোমাকে আমার ভালবেসে চলতে হবে।
—হতে কতক্ষন।[আবার সেই দুষ্ট হাসি হেসে]
—মানে?[বুঝলাম পাখি লাইনে আসতেছে]
—আগে বল সকালে যে মেয়ের সাথে গিয়েছিলে সে কে?
—অহ!ও তো আমার বান্ধবী ইরা।
—শুধুই বান্ধবী নাকি আর কিছু।
—আর কিছু মানে?ও আমার জাস্ট ফ্রেন্ড
—ফ্রেন্ড হলেই ভাল।আর যদি কোন মেয়ের সাথে দেখি তোমাকে গলা টিপে মেরে ফেলব।[একটু রাগান্বিত হয়ে]
—মানে কি এসবের।থাক এসব কথা।আর কি জানি বলতে চেয়েছিলে।
মিরা হেসে পরে বলব বলে চলে গেল।আমি তো তখন খুশিতে পাগলের মত নাচতেছি।যাই হোক এখন ভাজা মাছও উল্টিয়ে খেতে পারি না এমন একটা ভাব দিতে হবে।আমাকে তো চিনে না। আমি মিরাকে দিয়েই আগে প্রপোজ করাব।আস্তে আস্তে মিরা আর আমি আর ও ক্লোজ হয়ে গেলাম।
waiting for next part..........
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now