বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

A relationship

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ⓜⓨⓝⓤⓛ ⓘⓢⓛⓐⓜ ⓡⓐⓕⓘ (০ পয়েন্ট)

X সবেমাত্র এস.এস.সি পরীক্ষা দেওয়া শেষ হয়েছে।পরীক্ষা বেশ ভাল হয়েছে।মানে কয়েকটা বন্ধুর কাছ থেকে কপি করে মনে হয় GPA:5 পেয়ে যাব। তবে আপনারা আমাকে যতটা খারাপ ছাত্র মনে করতেছেন ততটা খারাপ ছাত্র আমি নয়।ভাল ভাবে পড়লে নাকি আমি অনেক ভাল করতে পারতাম।আমার নাকি বেশ মেধা।সবাই যা বলে আর কি। তবে আমি এসব গুজবে কান দিয় না।কাজ বলতে আছে এখন তিনটা আড্ডা দেওয়া,খাওয়া আর ঘুমানো।পরীক্ষা যেহেতু ভাল হয়ছে বলেছি তাই কেউ আর তেমন চাপ দিতে পারতেছে না। না হলে মা-বাবার কথা শুনতে শুনতে ছুটি বরবাদ হয়ে যেত। বাহ!বেশ শান্তিতে দিন পার করতেছি। কবি বলেছেল,"সুখের পরে দুঃখ আসে" এবং আরও বলেছেন,যায় দিন ভাল, আসে দিন খারাপ।কবি এসব কথা কত কষ্ট পেয়ে বলেছেন তা এত দিন পরে বেশ ভালভাবে বুঝেতে পেরেছি। পরীক্ষা দেয়ার পর পর সবাই ঘুরতে যায়। তবে আমি ঘুরতে না গিয়ে ও বেশ আছি।ঘুরতে আমার একদম ভাল লাগে না।তবে এই দীর্ঘ বন্ধে আমার চাচাত বোন মিরা ঘুরতে এল আমাদের বাড়িতে। সেও আমার মত এবারে এস.এস.সি দিয়েছে।তবে ওর পরীক্ষা কেমন হয়েছে আমি জানিনা।মনে হয় ভালই হবে শহরের নামী-দামী স্কুলে পড়ে।শুনেছি পড়া-লেখায় ও নাকি আমার চেয়ে অনেক ভাল। ছোট থেকে মা-বাবার মুখে সর্বদা ওর গুণগান শুনে আসছি। ওর সাথে তুলনা করে বলা কথা গুলো শুনতে শুনতে আমি ক্লান্ত হয়ে গেছি। একটু পান থেকে চুন খসলেই শুনতে হত,"তুই এমন কেন?মিরার মত হ। এটা-সেটা এমন সব হাবিজাবি কথা। আমার অবশ্য এমন কথা শুনতে শুনতে কথা শুনার হজম শক্তি বেড়ে গেছে। তাই আর এমন কথা মুখে লাগে না। কবি বা লেখক বলেছেন,"তোমার গুণের কদর কেউ করবে না হে গুণী। কথাটা অবশ্য কোন কবি বলছে নাকি আমি বলছি ঠিক মনে পড়তেছে না। যে ব্যক্তি কবিতা লেখে বা গল্প লেখে এবং তার দ্বারা যদি আর কোন কাজ হয় না মানে সে যদি উদাসীন এবং নিষ্কর্মা হয় তাহাকে কবি বা লেখক বলে। আমিও ঠিক বেকার মানে আমাকে দিয়ে কিছু যে হবে না তা আমার বাবা-মা অনেক আগে থেকেই জানেন।সেই হিসেবে আমি ও কবি এবং লেখক। কবি না বললেও মিনি কবি বা লেখক ও বলা যেতে পারে।এখন আমার পরিচয়ে আসা যাক।আমি আবির। মা-বাবার একমাত্র সন্তান।আমি যে কেমন অকর্মা তা ও আগেই বলছি।আমার পরিচয় দেয়ার মত আর কিছু নাই। যাক সে কথা।আজ মিরারা আসতেছে। বাড়িতে ছোট খাট উৎসব শুরু হয়েছে। বাবা নাকি তার ভাইয়ের সাথে মিলতে পারবেন তাই খুব খুশি।তাদের জন্য যা যা করতে হবে সব করতেছে।আমার বিয়ে ও এমন ধুমদাম হবে নাকি তা সর্ম্পকে আমার যথেষ্ট সন্দেহ আছে।মা একটা বড় লিস্ট ধরিয়ে দিয়েছে ওদের জন্য বাজার আনার জন্য।আমি নিতে না চেষ্টা করলে ও মা মেরে ধরিয়ে দিয়েছে।বাবা তো লাঠি নিয়ে ধাওয়া করেছিল। কোন ভাবে পালিয়ে বেচেছি এই মেয়ের জন্য সারা জীবন আমার কথা শুনতে হয়ছে।আসলে দেখব কেমন সোনার টুকরা মেয়ে। বাজার থেকে এসে দেখি আমার চাচ্চুরা এসে গেছে।চাচা ও চাচি কে সালাম করার পর মিরার দিকে তাকিয়েছি।আমি তো পুরাই টাস্কি খেয়ে গেলাম। মেয়েটি দেখি আমার দিকে তাকিয়ে দুষ্ট হাসি হেসে চোখ টিপে দিল।কি ফাজিল মাইয়ারে বাবা প্রথম দেখায় যেখানে সবাই পরিচিত হয় মেয়েটি এই পর্যন্ত চলে গেল।না জানি আর কি কি দেখতে হবে এই দুনিয়ায়।তবে মেয়েটি দেখতে পরীর মত তা অস্বীকার করা যাবে না।প্রথম দেখায় ক্রাশ খেলাম।তবে তা দেখানো যাবে।কথায় আছে,"মেয়েরা একবার পাত্তা পেলে কোন ছেলেদের লাইফ হাবিজাবি বলে বোরিং করে দিতে পারে।সেদিন সবাই বেশ খাওয়া-দাওয়া করল। ওহ!বলতে ভুলে গেছি আমি আবার একটু ভোজন রসিক। আমাকে কাদিয়ে দিয়ে সবাই ভাল ভাবে খেল কেবল আমি ছাড়া কারণ আমি যখন সবার শেষে খেতে বসি তখন আর খাওয়ার মতো তেমন আর কিছু বাকি ছিল না। পরদিন আড্ডা দিতে যাব এমন সময় মা বলল,"বাবা,মিরাকে একটু গ্রাম ঘুরাতে নিয়ে যা"। –আমি পারব না আমার কাজ আছে। –তোর আর কি কাজ শুধু তো খাস আর ঘুমোস।(রাগান্বিত হয়ে মিরার সামনে) –মা,ওর সামনে এসব কেন বললেছ।আমার সম্মান হানি হচ্ছে। –তোর আবার সম্মান!সম্মান থাকে তার যার একটু হলেও সম্মান থাকে।তুই ত একটা ফাজিল।মিরা আমাদের মা-ছেলের কথা শুনে হাসতেছে আর আমার পিত্তি রাগে জ্বলে যাচ্ছে ওর হাসাহাসি দেখে।আমি আপত্তি সত্ত্বেও রাজি হলাম ওকে নিয়ে ঘুরতে যেতে। কিন্তু মেয়েটা যে ফাজিল না জানি কি কি করে আমার সাথে। আমি তো আবার বাচ্চা ছেলে। মিরা আর আমি একসাথে হাটতেছি। মিরা আমার দিকে তাকিয়ে বলল,"তুমি কিন্তু খুব কিউট দেখতে"!OMG!!আমার এখন নিজেকে এখন সালমান খানের মত লাগতেছে। আর মনে শুধুই জেমস এর ঝাকানাকা গান বাজতেছে।তবে একটা খটকা লাগতেছে। একটা মেয়ে যার সাথে প্রথম কথা বলতেছি সে এত তাড়াতাড়ি এমন কথা বলতেছে।যাই হোক এই মাইয়ার সবকিছু দেখি 5G স্পিড। আমি আবার আশির দশকের মানুষের মত ঔ গুলো একটু কম বুঝি। ঔ গুলো কি আপনাদের বলব না।আমি বললাম,"না না আমি খুব সাধারণ ছেলে"। –তুমি যে কেমন ছেলে আমার ভাল জানা আছে।তোমাকে নিয়ে অনেক কিছু করব। হায়!হায়!! আমারে কেউ মাইরালা!!!এই মেয়ে কি বলে। To be continue................


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯৫ জন


এ জাতীয় গল্প

→ A relationship
→ A relationship
→ A relationship
→ A relationship
→ A relationship
→ A relationship
→ A relationship
→ A relationship

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now