বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

অদ্বিতীয় (পর্ব-৪)

"গোয়েন্দা কাহিনি" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান অন্তরা (০ পয়েন্ট)

X তপন সেন চাবি লইয়া চলিয়া গেল। ভাল ভাড়াটে পাইয়াছি ভাবিয়া মনে মনে উৎফুল্ল হইলাম। সেদিন সারা বিকালবেলা জানালায় বসিয়া বাড়ির দিকে তাকাইয়া রহিলাম‌, কিন্তু তপন তাহার স্ত্রীকে লইয়া আসিল না। সকালবেলা জানোলা খুলিয়া দেখি উহারা আসিয়াছে। সদর দরজা খোলা। নিশ্চয় রাত্রে কোনো সময় মালপত্র লইয়া আসিয়াছে। আমার কৌতূহলী চক্ষু ওই দিকেই যাতায়াত করিতে লাগিল। বেলা সাড়ে ন’টার সময় একটি যুবতী আসিয়া ভিতর দিক হইতে সদর দরজা বন্ধ করিয়া দিল। তারপর কয়েক মিনিট গত হইলে খিড়কি দরজার গলি দিয়া সে বাহির হইয়া আসিল। আমার কৌতূহলী চক্ষু ওই দিকেই যাতায়াত করিতে লাগিল। বেলা সাড়ে ন’টার সময় একটি যুবতী আসিয়া ভিতর দিক হইতে সদর দরজা বন্ধ করিয়া দিল। তারপর কয়েক মিনিট গত হইলে খিড়কি দরজার গলি দিয়া সে বাহির হইয়া আসিল। তখন তাহাকে ভাল করিয়া দেখিলাম। লম্বা ছিমছাম চেহারা‌, মাথায় একমাথা চুল এলো খোঁপার আকারে ঘাড়ের উপর বিন্যস্ত‌, হাতে একটি ছোট অ্যাটাচি-কেস। ভাবিলাম‌, সারা রাত কাজ করিয়া তখন ঘুমাইতেছে‌, তাই তার বউ বাজার করিতে চলিয়াছে। কিন্তু দুপুর কাটিয়া গেল সে ফিরিয়া আসিল না। একেবারে ফিরিল অপরাহ্নে আন্দাজ চারটার সময়। সদর দরজার কড়া নাড়িল না‌, গলি দিয়া খিড়কির দিকে চলিয়া গেল। বোধ হয়। স্বামী মহাশয়ের নিদ্ৰাভঙ্গ করিতে চায় না। কিছুক্ষণ পরে আমি রামাধীনকে পাঠাইলাম। নূতন ভাড়াটে‌, তাহাদের সুবিধা অসুবিধার খোঁজ-খবর লওয়া দরকার। জানালায় বসিয়া দেখিলাম রামাধীন গিয়া দ্বারের কড়া নাড়িল। মেয়েটি দ্বার খুলিয়া দিল। রামান্ধীনের সহিত কথা বলিয়া মেয়েটি একবার চোখ তুলিয়া আমার জানালার পানে চাহিল‌, তারপর রামান্ধীনের সঙ্গে দ্বিতলে আমার কাছে উঠিয়া আসিল। দূর হইতে তাহাকে দেখিয়াছিলাম‌, এখন কাছে হইতে দেখিলাম। ভারী সুশ্ৰী চেহারা‌, লম্বা একহারা‌, মেদ-গ্রিন্থির বাহুল্য নাই; বাঁ। গালের উপর মসুরের মত একটি লাল তিল‌, তাহাতে মুখের লালিত্য আরও বাড়িয়াছে। একটি বিষয় লক্ষ্য করিলাম‌, স্বামী-স্ত্রীর বয়স প্রায় একই রকম-তেইশ-চব্বিশ। হয়তো প্রেমে পড়িয়া বিবাহ করিয়াছে। আজকাল তো কতাই এমন দেখা যায়। ছোট্ট নমস্কার করিয়া বলিল‌, ‘আমার নাম শাস্তা। আমাদের কোনো অসুবিধে নেই; খুব সুন্দর বাড়ি পেয়েছি।’ তাহার কথা বলিবার ভঙ্গী যেমন মিষ্ট‌, গলার স্বরও তেমনি নরম। বলিলাম‌, ‘বসুন। আপনি-ই সে মাথা নাড়িয়া বলিল‌, ‘আমাকে ‘আপনি বলবেন না। আমি আপনার মেয়ের বয়সী।’ বলিলাম‌, ‘তা-আচ্ছা। তোমাদের বি-চাকর যদি দরকার থাকে‌, নতুন পাড়ায় এসেছ-’ সে বলিল‌, ‘ঝি-চাকরের দরকার নেই। দু’জনের সংসার‌, আমি একাই সব কাজ সামলে নিতে পারব।’


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২২ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now