বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

বেল গাছের ভূত

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মোঃসাঈদী হোসেন সাজ্জাদ (০ পয়েন্ট)

X আমি আর আমার বন্ধু রোহান একই শ্রেণিতে পড়ি।আমাদের দুজনের বন্ধুত্ত ছিল ভাইয়ের মতো।আমরা প্রায়ই রাত ১০টায় কোচিং শেষ করে দুজন একসাথে গল্প করতে করতে বাড়ি যাই।আমাদের কোচিংয়ের কিছুটা দূরে রাস্তার পাশে একটা বেল গাছ আছে।লোকজন বলে সে গাছে নাকি ভূত আছে এবং যে রাতে ওই গাছের কাছে যায় সে নাকি আর ফিরে আসে না। আমি আর আমার বন্ধু রোহান বিশ্বাস করতাম না।কারন আমরা দুজন প্রতিদিন রাত ১০টায় ওই বেল গাছের কাছ দিয়ে বাড়ি যাই,আমাদের তো কিছু হয় না।এই ভেবে আমরা দুজন প্রতিদিন গল্প করতে করতে বাড়ি যাই।হঠাৎ একদিন রাত ১১টার সময় কোচিং ছুটি দেয়,দিনটি ছিল শনিবার।কোচিং ছুটির পর আমরা গল্প করতে করতে বাড়ির দিকে রওনা দেই।কোচিং থেকে কিছু দূর আসার পর মনে হলো,কেউ যেন আমাদের পেছণে হাটছে।পেছনে ফিরে তাকিয়ে দেখি কেউ নেই, ভাবলাম হয়তো মনের ভুল।তাই কোনো কিছু না ভেবে হাটা শুরু করলাম।তার কিছুক্ষন যাবার পর আবার হাটার শব্দ পেলাম।নির্জন রাস্তা,রাস্তার আশে পাশে কেউ নেই, মনে একটু ভয় হতে লাগল।ভয় না পেয়ে আবার হাটা শুরু করলাম।তার কিছুক্ষন যাবার পর আবার হাটার শব্দ পেলাম,এবার কোনো কিছু না ভেবে দুজন দৌর দিলাম।তারপর হাপাতে হাপাতে রাস্তার এক প্রান্তে দারালাম। লক্ষ করে দেখি সেই ভুতুরে বেল গাছটার নিচে দাড়িয়ে আছি।ঘড়িতে তখন রাত ১২টা বেজে ১মিনিট। তখন আমাদের আরো ভয় বেড়ে গেলো।ভয়ে ভয়ে পেছনে তাকালাম, যা দেখলাম তা মনে হলে আজও শরীরের লোম খাড়া হয়ে ওঠে। দেখি একটা ভয়ংকর মানুষ দাড়িয়ে আছে।চোখ দুটো উলটানো,মুখ দিয়ে গড় গড় করে রক্ত পড়ছে,ঘাড় মটকানো,এক হাত নেই, অপর হাত ভাঙা অবস্থায় ঝুলছে। এগুলো দেখার পর আমার আর কিছু মনে নেই।সকালে উঠে দেখি আমি আমার বিছানায় শুয়ে আছি।মা মাথা বুলিয়ে দিচ্ছে।মা কে বললাম আমার কি হয়েছিল?মা বলল যে আমাদের মসজিদের ইমাম নামাজ শেষ করে বাড়ি যাওয়ার সময় দেখে,আমি রাস্তায় অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছি,সে আমাকে বাড়িতে নিয়ে এসেছে।আমি বললাম মা,রোহান কোথায়?কোন কিছু না বলে মা বাইরে চলে গেল। আমি বিছানা থেকে উঠে রোহান দের বাড়িতে গেলাম। গিয়ে দেখি রোহানের শরীরে খামছানোর দাগ, রোহান পাগলের মতো ঝটফট করছে।ওর বাবা ওকে শক্ত করে ধরে রাখার চেস্টা করছে,ওর মা এক কোনে বসে থেকে কাদছে।কবিরাজ মসাই মন্ত্র পড়ে রোহানকে ফু দিচ্ছে।তার কিছুদিন পর রোহান সুস্থ হয়ে ওঠে।তারপর থেকে আমরা আর একা একা বাড়ি ফিড়ি না এবংবেল গাছের কাছে যাই না।কোচিংয়ের স্যার ও সঠিক সময়ে ছুটি দেয়। বন্ধুরা এ গল্প থেকে আমরা এটা শিক্ষা পাই যে,কখনো একা থাকা উচিৎ না এবং যথা সময়ে কাজ সম্পন্ন করা উচিত। সর্বশেষ কথা এ গল্পটি যদি ভালো লাগে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৯২ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now