বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

তপুর দিনলিপি হাইস্কুল(সহানুভূতি) Part-4

"শিক্ষণীয় গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Dj BrAvO (০ পয়েন্ট)

X পথশিশুদের জন্য কাজ করাটা তপুর জন্য খুব একটা সহজ ছিলোনা। সাগরের চাচার মতো অনেক অভিবাবককেই তার রাজি করাতে হয়েছে। তাছাড়া তার নিজের পড়াশোনারও একটা ব্যাপার রয়েছে। এই সব কিছু মিলিয়ে বেশ চাপ ছিলো তার উপর। তার উদ্দেশ্য ছিলো মানুষের জন্য কাজ করবে। কিন্তু এইসব কাজকর্ম এখন তার উপর অনেকটা বোঝার মত হয়ে গেছে। আগেপরে এইরকম পরিস্থিতিতে সে তার বড় বোন ফাতিমার সাথে কথা বলে। সবসময়ই তার বড়বোন তাকে কি করতে হবে এ ব্যাপারে পরামর্শ দেয়। * “আপা , জানো সেদিন একটু দেরি হওয়াতে কোচ আমাকে ক্রিকেট খেলতে নিলোই না”। * দেরি হলো কেন? * কিছু পথশিশুকে অংক শেখাচ্ছিলাম। * আচ্ছা। * আরও একটা ঘটনা ঘটে গেছে আপা। কথা দাও যে বাবা মাকে কিছু বলবে না। * আচ্ছা বলবো না। আগে ঘটনাটা তো বল। * মিড টার্ম পরীক্ষায় খুবই খারাপ নম্বর পেয়েছি। * খারাপ তো বুঝলাম। কিন্তু কেমন খারাপ? * জঘন্য খারাপ আপা। মাত্র ৩১ পেয়েছি। প্লিজ, বাবা মাকে বলোনা। * আচ্ছা। আমি নাহয় বাবা মাকে না বললাম। কিন্তু তুই যে পড়ালেখায় খারাপ করছিস তার কি হবে? তোর কি মনে হয়না যে তুই একটু বেশিই চাপ নিচ্ছিস। * কিন্তু আপা আমি এর কোনটাই ছাড়তে পারবোনা। * হয়তো তোকে ছাড়তেও হবেনা। কিন্তু তোকে তোর সময়গুলোকে ঠিকমতো কাজে লাগানোর প্ল্যান করতে হবে। একটু সময় নিয়ে ঠাণ্ডা মাথায় ভেবে দেখ যে আসলে কিভাবে কি করবি। * আচ্ছা। * আরেকটা কথা। একটা জায়গা খুঁজে বের কর যেখানে বসে নিরিবিলি ভাবতে পারবি যে সারাদিন কি করলি। * করা তো যায়ই। জায়গাই তো খুঁজে পাইনা। আমার রুমে বসে যে ভাববো সেই সুযোগ ও নাই। তোমরা সারাদিন যে হারে কথাবার্তা বলো! * আচ্ছা! আমরা কথাবার্তা বলি! তবে তোর স্কুলের লাইব্রেরীতে বসেও তো ভাবতে পারিস। * কাল থেকে তাই ই করবো। মনের ক্লান্তি দূর করার জন্য সে একটা বিকল্প উপায় বের করলো। বাড়ির সামনের সবুজ ঘাসে ঢাকা জায়গাটুকু তাকে একধরণের প্রশান্তি দেয়। সেখানেই সে কিছুটা সময় কাটালো। সে আসলে কি করছে এবং কি করা উচিৎ এই সম্পর্কে একটি ধারণাও সে পেয়ে গেলো। তপুর মত খোকা ও আদিবাও দুশ্চিন্তাগ্রস্ত ছিলো। আদিবা তার বড়ভাই এবং খোকা তার বাবার পরামর্শ নিলো। এতে করে তারা তিনজনই নতুনভাবে কাজ করার উদ্যম ফিরে পেলো।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৪২ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now