বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
খাবার টেবিলের পাশে চেয়ারে গালে হাত দিয়ে বসে আছে আশা। কোনো রকম নড়াচড়া নেই। টেবিলের উপর প্লেটটাও উল্টো করে রাখা। একরকম বিষণ্ণতা ভর করেছে তার উপর। কলিং বেলের আওয়াজে মুচকি হেসে দৌড়ে গিয়ে দরজা খুলো আশা। টাই খুলতে খুলতে ভিতরে আসলো জয়। জয়ের হাত থেকে ব্যাগ নিয়ে
আশা : যাও ফ্রেশ হয়ে আসো, খাবার দিচ্ছি।
জয় : খেয়ে এসেছি।
আশা : খেয়ে এসছো মানে?
জয় : খেয়ে এসছি মানে খেয়ে এসছি। বাংলা বুঝো না?
আশা : তো সেটা ফোন করে বললে কি হতো? তাহলে রাত ১২টা পর্যন্ত আমি না খেয়ে থাকতাম না।
জয় : তুমি নিজেও তো ফোন করতে পারতে। আমি কি বলেছি না খেয়ে থাকতে?
আশা : ফোন কোথায় তোমার?
জয় : ফোন পকেটে।
আশা : বের করো।
জয় : ফোন দিয়ে কি হবে?
আশা : ফোনে গান শুনবো আর নাচবো।???????????????????? বের করো।
জয় : নাও।
আশা : দেখো। ২৭টা মিসড কল। ৬টা ম্যাসেজ। একটা বার ফোনের দিকে তাকাইছো? একটা ম্যাসেজের রিপ্লাই দিছো? বলো??
(জয়ের হাতে ফোন ধরিয়ে দিয়ে রুমে চলে গেলো আশা। আলতো টোকা দিয়ে ম্যাসেজ গুলো পড়তে লাগল জয়।)
জয়ের মনে পড়ে মিটিংয়ের আগে ফোন সাইলেন্ট করেছিলো আর ফোন বেরই করা হয়নি।
রুমে চলে যায় জয়। জয় রুমে ঢোকার সাথে সাথে অন্যদিকে মুখ ঘুরিয়ে শুয়ে পড়ে আশা। মুচকি হেসে ওয়াস রুমে চলে যায় জয়। ফ্রেশ হয়ে এসে আশার গা ঘেষে বসে জয়।
জয় : মহারানী.......
চোখের জল আটকে রাখতে পারলো না আশা।
জয় : একি আমার মহারানী কাঁদছে ক্যানো?
আশা : চুপ করো। বাড়ির চাকরানী করে রাখছো আমাকে। এত রাত পর্যন্ত ক্যানো অপেক্ষা করে আছি? দুজন একসাথে খাবো বলে। আর তুমি.......বাসায় এসে যা তা বললে। এই তোমার ভালোবাসা??
চলবে.............
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now