বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
বাসর ঘরে খাটের মাঝখানে বসানো হয়েছে জারাকে,,,,,
পুরো রুম ফুলের ঘ্রাণে ভো ভো করছে,,,,,,,,,
খুব সুন্দর ভাবেই সাজানো হয়েছে,,,,
যিনি রুমটাকে এমন ডেকোরেট করিয়েছেন তিনি বড্ড রুচিসম্পন্ন মানুষ,,,,,,
প্রশংসা করতেই হয় তার রুচির,,,,,
জারা মধ্যবিত্ত ফ্যামিলির মেয়ে,,,,,
হঠাৎ যে এতবড় পরিবারে তার বিয়ে হবে সে স্বপ্নেও কখনো ভাবেনি,,,,,,
অনেক কষ্টে ইন্টারমিডিয়েট শেষ করে,,,,,,,,
আরো পড়ার ইচ্ছা ছিলো কিন্তু তার আগেই বিয়েটা হয়ে গেলো,,,,,
জারার পুরো শরীর ভর্তি গয়নাগাটি,,,,,,
খুব বড়লোক মানুষ তারা,,,,,,,
জারার আব্বুর দূর সম্পর্কের আত্নীয়ও বটে,,,,,,
তবে ছেলেকে জারা একপলক ও দেখেনি শুধু বাবার কথায় না জেনে শুনে,,,,বিয়েতে রাজি হয়ে গেলো,,,,,,,
.
হঠাৎ দরজা খুলার শব্দে জারা সামনে তাকিয়ে দেখে,,,,,, সেই লেভেলের হ্যান্ডসাম,,,, এন্ড ড্যাশিং একটা ছেলে,,,,
রাজপুত্রের চাইতে কোনো অংশে কম হবে না,,,,,,,,
মুখে চাপা চাপা দাড়িও আছে,,,,,,
বেশ লম্বা চওড়া,,,,,,,
দেখতে মাশাআল্লাহ,,,,,
তবে জারা তার মতো অতটা সুন্দরী না,,,,,,,,
তবে আল্লাহ যা দিয়েছে তাতেই সে খুশি,,,,,,,,
ছেলেটা দরজা লাগিয়ে সেরোয়ানি না খুলেই ধপ করে এসে শুয়ে পড়লো,,,,
ওমা তার এমন কাজে জারা বেশ অবাক হলো,,,,,,
আজ তাদের বিয়ের প্রথম রাত,,,,,,,,
আর জারা চেয়েছিলো ছেলের সাথে একটু পরিচিতো হতে,,,,,
উনার সম্পর্কে জারাকে বলবে আর জারা তার সম্পর্কে বলবে,,,,,,
কিন্তু না বলা নেই কওয়া নেই ওমনি শুয়ে পড়লো,,,,,,
.
উনি মাথাটা উঠিয়ে জারাকে উদ্দেশ্য করে বললো,,,,,
লাইটটা অফ করে শুয়ে পড়ুন,,,,,আমি খুব টায়ার্ড,,,,,,
.
জারাতো উনার কন্ঠ শুনেই ফিদা,,,,,
এত মধুরস্বর,,,,,
এতো সুন্দর করে কথা বলেন উনি,,,,
.
জারা আর কিছু বললো না লাইটটা অফ করে পাশে শুয়ে পড়লো,,,,,
তবে বাইরের ল্যাম্পপোষ্টের আলোতে উনার মুখটা দেখা যাচ্ছে,,,,,,,,,
আর জারা সেদিকেই তাকিয়ে আছে,,,,,
প্রত্যেকটা মেয়েরি স্বপ্ন থাকে এমন একটা রাজপুত্রের মতো স্বামির,,,,,
যে তাকে অনেক ভালোবাসবে,,,,,
.
জারাও ঘুমিয়ে পড়লো,,,,,সকালে উঠেই জারা দেখে উনি এখনো ঘুমিয়ে আছেন,,,,,,,,,
তাই জারা তারাতারি ফ্রেশ হতে চলে গেলো,,,,,,
জারা এসে দেখে উনি খাটে নেই,,,,,ওমা এ আবার কোথায় গেলো,,,,,,
ব্রেকফাস্ট করার সময় ও উনাকে দেখলো না জারা তবে এর অনেক্ষণ পরে উনি রুমে আসলো,,,,,
জারা তাড়াহুড়ো করে উনার জন্যে রুমে ব্রেকফাস্ট নিয়ে আসলো,,,,
ওনি জারার দিকে এক পলক তাকিয়ে আবার ব্রেকফাস্টের দিকে তাকালো,,,,,,,,,,,,
শুধু ঠোটঁ নাড়িয়ে বললো খাবেনা,,,,বাইরে থেকে খেয়ে এসেছে,,,,
এভাবে সপ্তাহ কেটে গেলো,,,,জারা আর উনার মাঝে কিছুই হয়নি,,,,,
তবে জারা মাঝে মাঝে দেখে উনি বেলকুনিতে দাড়িয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা কার সাথে যেনো কথা বলে,,,,,,,,,,,
হাসাহাসিও করেন,,,,,
জারা এমনিতে তার মুখে কখনো হাসিঁ দেখেনি তবে কারো সাথে ফোনে হাসার সময় শুনেছে,,,,,
জারা প্রতিদিন উনার সব কাজ করে,,,,
যেমন কাপড় চোপড় আলমিরা থেকে বের করে দেয়,,,,,,
উনার খাবার রুমে এনে দেয়,,,,কি খাবে,,,
কিছু লাগবে কিনা এসব জিঙ্গেস করে,,,,
.
তবে উনি কথা বলেনা,,,,,জারা নিজ থেকেই কথা বলে,,,,,
জারা বুঝতে পারে উনি জারার উপর বিরক্ত হোন,,,,,
কিন্তু কেনো হোন সেটা বুঝতে পারে না,,,
.
একদিন উনি খুব রাত করে বাসায় ফিরলে,,,, উনি ওয়াশরুমে গেলে উনার মোবাইলে কল আসে,,,,
জারা মোবাইলে দেখে,,,,
কোনো একটা সাহা নামের মেয়ের কল,,,,
.
অনেক গুলা মেসেজ ও দিয়েছে,,,,,
একটা মেসেজ অপেন করেই জারার পুরো শরীর থমকে গেলো,,,,
.
জায়ান আমার জান,,,,,
এতো তারাতারি চলে গেলে কেনো???
আমার একা একা বোর লাগছে,,,,
কালকে কিন্তু খুব বেশি টাইম দিতে হবে,,,,,,,
মিস ইউ জান,,,এন্ড লাভ ইউ সোনা,,,
কয়েকটা কিস্সির ইমুজি,,,,,
.
জারার হাত থেকে মোবাইলটা পড়তেই যাচ্ছিলো কিন্তু জায়ান এসে ধরে ফেলে,,,,,,,,
হাও ডিজগাসটিং,,,,,,,,
হাউ ডেয়ার ইউ টাচ মাই ফোন,,,,,
.
জারার খুব ভয় করছে উনার চোখ দেখে খুব লাল হয়ে গেছে,,,,,,
জারা চুপ করে আছে,,,,
.
জায়ান আবারো বললো,,,,,,
আমার জিনিসে আর কখনো হাত দিবা না,,,,,
আর শুনো এই আলগা পিরিতি দেখাও না সেগুলাও আর দেখানোর দরকার নাই,,,,,,,,,,
আমার বউ হওয়ার যোগ্যতাও তোমার নেই,,,,,,,
আমিতো জাস্ট বাবা মায়ের চাপে বিয়েটা করতে বাধ্য হয়েছি,,,,,,,
বউ হয়ে অধিকার ফলাতে আসবে না,,,,
.
এসব বলে জায়ান শুয়ে পড়লো,,,,,
জারার তো মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়েছে,,,,,,
এত কষ্ট সহ্য করার পরও কি এই কষ্টটা বাকি ছিলো তার জীবনে,,,,,,,,
শেষ সম্বলটুকুও হারিয়ে ফেললো,,,,,,
.
বাবা অনেক কষ্ট করে তাকে বিয়ে দিয়েছে,,,,,,,
এসব শুনলে তো বাবা মরেই যাবে,,,,,
সইতে পারবে না,,,,,
.
জারার চোখ দিয়ে অশ্রুর ধারা বয়েই যাচ্ছে,,,,,,,,
এটাই ছিলো বোধহয় তার কপালে,,,,,
স্বামি ছিলো রাজপুত্রের মতো ঠিকিই কিন্তু স্বামির ভালোবাসা না,,,,,,
আর কোনো একটা মেয়ের জীবনে স্বামির ভালোবাসা না থাকলে তার পুরো জীবনটায় বৃর্থা,,,,,,,,
জারার ও এখন তাই মনে হচ্ছে,,,,,,
.
খুব কাদঁছে জারা,,,,,,,,একসময় কাদঁতে কাদঁতে ঘুমিয়ে পড়লো,,,,,,
আজ সকালে জারা জায়ানকে দেখলো না,,,,,,,
সারাটা দিন কেটে রাতের দিকে জায়ান এলো,,,,,
তবে খুব রাত করে এসেছে,,,,,জারা শুয়ে ছিলো,,,,,জায়ানকে দেখ জারা জায়ানকে সামলাতে যায় কিন্তু জায়ান জারাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়,,,,,
জায়ানের মুখ থেকে খুব বিশ্রী গন্ধ আসছে,,,,,আর জায়ান ঢুলু ঢুলু করে পড়ে যেতে চাইছে,,,,,
জারাকে যা পারছে তা বলছে,,,,,
সে নাকি সাহাকে ভালোবাসে আর তাকে বিয়ে করবে,,,,,,
জারাকে চায়না জায়ান,,,,,,
বক বক করতে করতে ধপ কর খাটে শুয়ে পড়লো,,,,,
.
জারার খুব খারাপ লাগছে,,,,,,, তারপরও নিজেকে যথেষ্ট সামলে নিয়ে জায়ানকে ঠিক করে শুইয়ে দিলো,,,,,
জায়ানের পা থেকে জুতো খুলে দিয়ে জায়ানের গায়ে চাদর উড়িয়ে দিলো,,,,
.
জারার খুব কান্না পাচ্ছে,,,,,খুব কষ্ট হচ্ছে,,,,,,,
সুখ বোধহয় জারার কপালে নেই,,,,
স্বামির ভালোবাসা জারার ভাগ্যে নেই,,,,,,,,,,,
.
জারা না ঘুমিয়ে জায়ানের জন্যে এতোক্ষণ অপেক্ষা করছিলো,,,,,,
কিন্তু জায়ান যে ড্রিংক করে আসবে জারা ভাবতেও পারেনি,,,,,,
তাহলে সাহা নামের মেয়েটাকে ভালোবাসে উনি,,,,,
.
খুব খুব বেশি কষ্ট হচ্চে জারার,,,,,,
গভির ঘুমে তলিয়ে গেলো জারা,,,,
.
এদিকে জায়ানের ঘুম ভেঙ্গে যায় তবে নেশাটা এখনো কাটেনি,,,,
চোখ কচলিয়ে পাশে জারাকে বেসামাল ভাবে দেখে জায়ান নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারলো না,,,,,,
জারাকে পরম ভালোবাসায় কাছে টেনে নিলো,,,,,,
আর জারাও ঘুমের ঘোরে নিজেকে জায়ানের কাছে সপে দিলো,,,,,
.
জায়ান তো তার স্বামি,,,,,তার পুরোপুরি অধিকার রয়েছে জারার উপর,,,,,তাই জারা বুঝতে পেরেও বাধা দিলো না,,,,,
.
পরম সুখের সাগরে ভাসতে লাগলো জারা,,,,,,,
কিন্তু এসবের কোনো ধারণাটুকু পর্যন্ত জায়ানের নেই,,,,,,
সে তো সেন্সলেস অবস্হায় এসব করেছে,,,,,,
কিন্তু জারাতো নিজের ইচ্ছেয় ভালোবেসে জায়ানকে সব সপে দিয়েছে,,,,,,
সকাল থেকেই জারা খুব খুশি,,,,,
.
জায়ান জারাকে এতো খুশি দেখে অবাক,,,,,,
কি সব কান্ড করে যাচ্ছে মেয়েটা,,,,,
জায়ানের কত কেয়ার করছে,,,,,
.
এদিকে জায়ানের দিন যায় সাহার সাথে ঘুরাফিরা করে,,,,,
সাহা মেয়েটাও জায়ানকে সবসময় শুধু জারাকে কখন ডিবোর্স দিয়ে তাকে বিয়ে করবে সেটা বলতে বলতে মাথা পাগল করে দেয়,,,,,
কিন্তু জায়ান তাকে সময় দিতে বলে,,,,
.
এভাবে কয়েকটা মাস কেটে যায়,,,হঠাৎ জারার খুব শরীর খারাপ হয়,,,,,
জায়ানের মা জারাকে হসপিটালে নিয়ে গেলে রিপোর্টে জারা প্রেগন্যান্ট আসে,,,,,
.
জায়ানের মা বাবা খুব খুশি,,,,,পুরো এলাকায় মিষ্টি বাটে,,,,,,আর জারাও খুব খুশি,,,,,,
প্রথম কনসিভ করার মতো খুশিটা জারাকে সব ভুলিয়ে দিলো,,,,,,
.
তবে জায়ান খবরটা শুনে রুমে এসে জারাকে কয়েকটা চড় বসিয়ে দেয়,,,,,,
জায়ান খুব রেগে আছে,,,,,
সে জারাকে মিথ্যে অপবাদ দিচ্ছে,,,,,,
জারাকে নাকি জায়ান কখনো টাচ করেনি,,,,তাহলে প্রেগন্যান্ট হলো কেমনে,,,,,,,
কার সাথে এসব করেছে???
জায়ানের কথা শুনে জারার পুরো পৃথিবীটা জ্বলে পুড়ে ছারখার হয়ে যাচ্ছে,,,,,,,
জারার এসব মিথ্যে অপবাদ টুকু শুনতে খুব কষ্ট হচ্ছে,,,,,,
জারা এখন কি করবে,,,,,কষ্টে জারার বুকটা ফেটে যাচ্ছে,,,,,
জায়ান নিজের সন্তানকে যদি মিথ্যা অপবাদ দেয় তার মতো বড় কষ্ট আর কিছু হয় না,,,,,
.
জায়ান জারার গায়ে হাত উঠিয়ে রাগে গজগজ করতে করতে বাইরে চলে যায়,,,,,
.
হঠাৎ হসপিটাল থেকে খবর আসে জায়ান নাকি একসিডেন্ট করেছে,,,,,
আসলে অনেক সময় এমনি হয়,,,,
অন্যায় ভাবে বউয়ের গায়ে হাত উঠিয়েছে,,,,,,
বউকে কষ্ট দিয়েছে,,,,
হয়তো এটা তারই অভিশাপ,,,,
কিন্তু জারাতো জায়ানকে ভালোবাসে,,,
সে কখনো এমন অভিশাপ জায়ানকে দিবে না,,,,,
কিন্তু মুখে না দিলে কি হবে,,,,, মন থেকেই এসে যায়,,,,,
.
দুইদিন জায়ানকে হসপিটালে থাকতে হয়,,,,,জারা যেতে চেয়েছিলো কিন্তু জায়ানের বাবা আর মা যেতে দেয়নি,,,,
খুব বেশি কিছু হয়নি,,,,,,,
জারার তো জায়ানকে একটা বার দেখার জন্যে কলিজা ছিড়ে যাচ্ছে,,,,,
জায়ানকে যে জারা খুব বেশি ভালোবেসে ফেলছে,,,,
আর এখনতো আরো বেশি ভালোবাসে কারণ জায়ানের সন্তান তার পেটে,,,,,,
.
দুদিন পর জায়ানকে রিলিজ দেওয়া হয়,,,,,,
রিপোর্ট দেখে তো জায়ানের পুরো পরিবারের উপর দুঃখের ছায়া নেমে এলো,,,,,,
জায়ানের মা পাগলের মতো বিহেভ করছে,,,,,
এতো দিন যে ঘরে খুশির বন্যা বয়ে যাচ্ছিলো আজ সে ঘরে শুধু বিরহ আর শোকের ছায়া,,,,,
.
রিপোর্টে এসেছে জায়ানের ক্যান্সার,,,,,,,,
জায়ান নিজেও ভেঙ্গে পড়েছে,,,,,
সাহা তো সেই খবরটা শুনার সাথে সাথে ব্রেকাপ করে দিয়েছে,,,,,
জায়ানের সব কিছু এলো মেলো হয়ে গেছে,,,,,,
.
জায়ান এখন আগের মতো নেই,,,,জারার সাথে একটুও খারাপ বিহেভ করে না,,,,
কিন্তু জারা জায়ানকে একটা বারের জন্যেও ছাড়েনি,,,,,
সে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে আল্লাহর কাছে জায়ানের সুস্হতা খুজে,,,,কোরআন তিলাওয়াত করে,,,,,
মান্নত করে রোজা রাখে,,,,,
জায়ানের খুব খুব বেশি কেয়ার করে,,,,
সাহা জায়ানকে ছেড়ে গেলেও জারা তাকে ছাড়েনি,,,,,
জায়ানকে টাইম মতো খাবার খাইয়ে দেয়,,,,,,,,
তবে জায়ান এখন অনেকটা সুস্হ,,,,,
কিন্তু সে জারার তার প্রতি এতোটা কেয়ারিং দেখে ভালোবাসা দেখে সেও জারার প্রতি দূর্বল হয়ে পড়ে,,,,,, নিজের অজান্তে ভালোবেসে ফেলে জারাকে,,,,,,,,,,,
.
জায়ান খুব অনুতপ্ত হয় জারার উপর খারাপ বিহেভের প্রতি,,,,,,,,
জায়ান যে জারার সাথে খুব অন্যায় করেছে,,,,,আর তাকে অনেক কষ্ট দিয়েছে সেই জারাই আজ তার পাশে,,,,
আর সাহা,,,,, যাকে সে ভালোবেসেছে,,, সে একটা স্বার্থপর,,,,,
.
জায়ান জারার কাছে ক্ষমা চেয়ে তাকে আপন করে নেয়,,,,,
তারপর জারা তাকে সেই রাতের কথা খুলে বলে,,,,,
জায়ান বিশ্বাস করে,,,,,
একটা মেয়ে তার সতিত্ব নিয়ে কখনো মিথ্যে বলতে পারে না,,,,,
.
কয়েকদিন পর হঠাৎ হসপিটাল থেকে কল আসে,,,,,
জায়ানের রিপোর্টে ভুল ছিলো,,,,এটা নাকি অন্যকারো রিপোর্ট,,,,,
ভুলবশত জায়ানের রিপোর্টের সাথে বদলে যায়,,,,,,,
আর এটা শুনে সাহা জায়ানের কাছে ফিরে আসে,,,,,
এটা ওটা বাহানা দিয়ে জায়ানকে বশ করতে চায়,,,,,
জারার খুব কষ্ট হয়,,,,
.
কিন্তু জায়ান সাহাকে অপমান করে বের করে দেয়,,,,,
তার মুখ আর কখনো জায়ানকে দেখাতে নিষেধ করে,,,,,,,
জায়ানের মানুষ চেনা হয়ে গেছে,,,,,,,,,
আর আসল ভালোবাসা কি সেটাও বুঝা হয়ে গেছে,,,,,,,,,,,,,
.
জায়ান আর জারা তাদের অনাগত সন্তান নিয়ে খুব একসাইটেট,,,,,,
অবশেষে জারার কপালে সুখ পাখিটা ধরা দিলো,,,,,,
জায়ানতো জারাকে ভালোবাসায় ভরিয়ে রেখেছে,,,,,,
তাদের ভালোবাসায় কোনো কমতি নেই,,,,,,,,
.
সুখ আর সুখ,,,,,তবে একটা জিনিস ধর্য্যের ফল মিঠা হয়,,,,,
জারা ধর্য্য ধরে ছিলো বলে আজ তার কপালে সুখ ধরা দিয়েছে,,,,,
আর সেই সব জায়ানরাও অনেকটা পরে তাদের ভুল বুঝতে পারে,,,,,
আর ফিরে আসে জারাদের কাছে,,,,
সুখে থাকুক জারা আর জায়ানরা।
@#$$$সমাপ্ত$$$#@
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now