বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
রাকিবের নানা গল্প জানেন। তাকে গল্প শোনান। কয়েক বছর হলো, নানা একটা গল্প বলবেন, অজানা গল্প। গল্পটা বলতে বললে আজ না কাল, কাল না পরশু, একথাটাই বলেন। রাকিব মন খারাপ করে বলল,'আজ অন্য কোন গল্প শুনবনা।' নানা ভাই বললেন,'কেন?' অজানা গল্পটা শুনব। ওটা অন্যদিন, আজ বলব একটা মজার গল্প। না, আজ অজানা গল্পটাই শুনব। শুনে ভয় পাবি না তো। না। তাহলে শুন,'যুদ্ধে গিয়েছি কাশিমপুর বাজারে। পাশে কয়েকটা বাসা। একটা বাসাতে ঢুকলাম, ঢুকার পর যা দেখলাম!' কি দেখল রাকিবের জানার খুব আগ্রহ আর বলল,'কি দেখলেন নানা?' 'বাসায় ঢুকলাম। বাসাটা কবর স্থানের মতো নীরব। গেট পার হয়ে দক্ষিন পাশের রুমে ঢুকলাম। দেখি রক্ত, লাল রক্ত, কালো রক্ত। এবার দেখি অনেকগুলো পা, বড় পা, ছোট পা। মানুষের মৃতদেহ, একটার ওপর আরেকটা পড়ে আছে। পেছন থেকে আমার সহযোদ্ধা রমিজ আমার পিঠে হাত রাখল আর বলল, ভেঙ্গে পড়লে চলবেনা। জয়ী আমাদের হতেই হবে, একথা বলে আমাকে নিয়ে গেল। উত্তরপাড়ায় গিয়ে দেখি চারিদিকে শুধু লাশ আর লাশ। হঠাৎ রমিজের বুকে গুলি লাগল এবং বলল,' বেচে থাক বন্ধু, দেশটা রক্ষা কর। আমার মেয়ে রাশেদাকে দেখে রাখিস।' আর সেই রাশেদা তোমার মা। রমিজ তোমার আসল নানা।' কাঁদতে কাঁদতে গল্প শেষ করল নানা।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now