বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

আমাদের জীবনটাই অন্যরকম নাম্বার টু(পর্ব৫)

"জীবনের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Eshrat Jahan (০ পয়েন্ট)

X পরদিন স্কুলে গেলাম।নওশীনকে সব কিছু বললাম।নওশীন বলল,"হুমম।কিছু একটা করা লাগবে।" সায়মা এসে বলল,"কি করা লাগবে।" সায়মাকেও বললাম।সায়মা বলল,"কিছু একটা করি।প্লান করতে হবে।" রামিশা এদিকে এসে বলল,"এই কি প্লান করবি তোরা?তোদের কি হয়েছে?" নওশীন বলল,"আমার আর সায়মার কিছু হয় নাই।ইভার হয়েছে।" রামিশা বলল,"ইভার কি হয়েছে তোর?" সবকিছু বললাম।রামিশা হাসতে থাকলো।তারপর বলল,"হুম।একটা প্লান করতে হবে।" জারিন এসে বলল,"এই তোরা কি গোলমিটিং করতেছিস?" জারিনকেও সবকিছু বলা হলো।জারিন বলল,"একটা প্লান কর।যেহেতু ইভা আমাদের বান্ধবী।বান্ধবীর জন্য এইটুকু করতে পারবো না সেটা হয় না।এই সবাই পাঁচ মিনিট চুপ করে ভাব কি করা লাগবে।" পাঁচ মিনিট পর আমি বললাম,"এই তোরা কে কি ভাবলি?" সায়মা বলল,"পাইছি একটা প্লান।বিয়ের বাড়িতে এটা করা হয় বরের জন্য।" এতক্ষন আমরা সবাই বসে ছিলাম।আমি লাফ দিয়ে উঠে বললাম,"কি প্লান?" সায়মা বলল,"শাকিল আর সাইদের জন্য প্লান।কিন্তু ওরা জানি কোনোভাবেই এই প্লান জানতে না পারে।" তারপর সায়মা সবাইকে প্লানটা বলে দিল।আমি বললাম,"হুমম ভালো।" জারিন বলল,"ইভা, সায়মা আর নওশীন এক সাথে এই কাজ করবি।" রামিশা বলল,"আজ বিকেলেই করবি।হিহিহিহি হি।" জারিন বলল,"আর ইভা তুই রেডি থাকবি।আর তোর দুইজনও।" বিকেল ৫টায় সায়মা আর নওশীন বাইরে দাঁড়িয়ে।সাইদ আর শাকিল এই দিকে আসছে।সায়মা আর নওশীনের কাছে আর সঙ্গে সঙ্গেই সায়মা বলল,"এই চল ইভার হাতের চা খেয়ে আসি।ওতো রান্না পারে না।তাও যাইহোক চা পারে।আর ওর হাতের চাতো কোনোদিন খাইনি।" নওশীন বলল,"চল খেয়ে আসি।সেই টেস্টি হয়।আমি একদিন খাইছিলাম।" কিন্তু আসলে ভালো করে কতকসময় চা বানাতে পারি না।কতকসময় ভালো হয় কতকসময় হয় না।এটা ওরা বলেছিল যাতে শাকিল আর সাইদ শুনে খেতে চায়।শাকিল বলল,"ইভা চা বানাতে পারে?চল সাইদ খেয়ে আসি।" তারা আসলো।আমি বললাম,"কয় কাপ নিয়ে আসবো?" সায়মা বলল,"চার কাপ।" আমি বললাম,"আমিও খাবো।" নওশীন বলল,"তুই বলে সকালে খাইছিস?" "সকালে খাইছি তাই কি হয়েছে?আবার খাবো।" আমি চা বানালাম।শাকিল আর সাইদের চাতে খুব ঝাল দিয়েছি।আমি তাদের হাতে চা দিলাম।নওশীন বলল,"আন্টি কই রে?" আমি বললাম,"ওই যে ওই ঘরে।আম্মুর স্কুলের পরীক্ষার খাতা দেখছে।" "ও। দে চা।" আমি সায়মা আর নওশীনকে চা দিলাম।আমি নিজেও খাচ্ছি।কিন্তু ওরা দুইজন তো কিছু বলছে না।সবার খাওয়া শেষ।শাকিল আর সাঈদ তাড়াতাড়ি বের হয়ে গেল।আমি সায়মা আর নওশীন বেলকুনিতে যেয়ে দেখলাম ওরা দুইজন ঝালে ফুফাতেছে।এত ঝাল দিয়েছি যে ফুফানো তো লাগবেই।তারা চলে গেল।আমি বললাম,"প্লান্টা কাজে লাগলো।" পরদিন স্কুলে শাকিলের সাথে দেখা হল।বললাম,"কিরে কেমন লাগলো চা?" "হুমম।জীবনের প্রথম খাইলাম।মিষ্টি চা খাইছে।আর এটা কমন।কিন্তু ঝাল চা খাইনি।খুব ঝাল দিয়েছিলি।তোর আম্মু ছিল বলে কিছু বলিনি।না হলে দেখতি কি করতাম।" আমি কিছু বললাম।হেসে চলে গেলাম ক্লাসে।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৩ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now