বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

জ্বিন আছে কি?

"সত্য ঘটনা" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মুন্না (০ পয়েন্ট)

X অনেকেই জ্বিন পরী বিশ্বাস করে না। কিন্তু জ্বিন আছে। কুরআনে বলা আছে আমি জ্বিন এবং মানুষ জাতীকে সৃষ্টি করেছি। তাহলে যারা কুরআনকে বিশ্বাস করে তাদের জ্বিন কেও বিশ্বাস করতে হবে। এবা কিছু ঘটনা বলি যেগুলো জ্বিনদের নিয়ে। আমার এক নানি রাতে বাথরুমে জাওয়ার জন্য বেরোয়। গ্রামের বাড়ি তাই বাথরুম ঘর থেকে দুরে হয়। নানি যাওয়ার সময় আকাসের দিকে তাকায়। পুর্ণিমার রাত ছিলো। হঠাৎ একটু উপর দিয়ে একটা সুন্দর মেয়ে উরে গেলো। আর সেটাও নানির দিকে তাকিয়ে ছিলো। তবে নানির কোন খতি করে নাই। একবার আমার আম্মু ছোট ছিলো তখন রাতে আম্মু ঘরের দরযার সামনে যায়। আর দেখে অনেক উচু লম্বা একটা সাদা জামা পরা লোক। তখন আম্মু ভয় পেয়ে নানিকে ডেকে নিয়ে যায় কিন্তু সেখানে কেউ ছিলোনা। এর পর আম্মু বড় হবার পরে মাঝে মাঝেই পিছন থেকে কেউ ডাকতো, এই শনো,এই শনো। পরে কবিরাজ দিয়ে সেটাকে সরানো হয়। একবার আমার বোন ছোট থাকতে আমার আম্মুর কাছে যাচ্ছিলো। তখন আমি হইনি। বাশঝারের পাশদিয়ে যচ্ছিল। হঠাৎ একটা বড় বেজি আপুর সামনে আসে মুখ দিয়ে শিশ দিয়ে উধাও হয়ে যায়। এর পর আপু মাটিতে পা ফেলতে পারতোনা। অনেক কবিরাজ দেখিয়ে ঠিক হয়। আমার নানির বাড়িতে আগে ছিলো অনেক বড় তেতুল গাছ। সেই গাছে সমস্য ছিলো। যখন কেউ ওই গাছ কাটতে যেত গাছ থেকে বলতো, কে আমাদের হাত পা কাটে রে কার এত সাহস। ওই গাছ কাটা দুরে থাক গাছের নিচে গেলে গাছ থেকে তেতুল দিয়ে ডিল মারতো। পরে হুজুররা এসে সেসব তারিয়ে দেয়। এখন সে গাছ আর নেই। আমার নানা একদিন রাতে একজনের বাড়িতে গেছিলো। সেখানে যেতে হলে ক্ষেত দিয়ে যেতে হতো। রাতে নানা ধানের ক্ষেত দিয়ে আসছে। তখন হাটু পানি হয়েছে। নানা খেয়াল করলো তার পিছন পিছন একটা হাতি আসছে। নানা দাড়ালে হাতিও দাড়ায়। নানা হাটলে হাতিও হাটে। পরে নানা ভয় না পেয়ে ধিরে ধিরে বাড়িতে চলে আসে আর হাতিটা উধাও হয়ে যায়। যাক অনেক ঘটনা বললাম এবারো যদি জ্বিনে বিশ্বাস না হয় তাহলে দুয়া না পরে তাবিজ না নিয়ে কোন শশানে বা বট গাছ বা তেতুল গাছের নিচে রাত ১২ টায় একা একা গিয়ে দেখেন বিশ্বাস হয়ে যাবে। ।।।সমাপ্ত।।।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১২৮৬ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-
☆ ☆ ☆ ☆ ☆

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now