বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
“এতো অবাক হলেন যে?”(তুহি)
“অবাক না হয়ে কি পারা যায়? একজন জোয়ান হ্যান্ডসাম ছেলেকে কেউ বাবুসোনা বলে! বাবুসোনা তো মানুষ পিচ্চিদের আদর করে ডাকে।”
“আমার ডাকার ইচ্ছে হইছে তাই আমিও ডাকবো।”(তুহি)
“এমন আজব আর কোন কোন ইচ্ছা আছে, আমাকে বলো তো।”
“এখন মনে পড়ছে না, মনে পড়লে বলবো৷”(তুহি)
“ঠিক আছে বলিও, এখন বলোতো, কিছু খেয়েছো?”
“হ্যা, খাওয়া শেষ করে এসে বারান্দায় বসছিলাম, ঠিক তখনই তুমি ফোন দিলে তাই তোমার সাথে কথা বলছি।”(তুহি)
“খুব ভালো করেছো, এখন আমাকে একটু ছুটি দিতে হবে। বাসায় যাবো। শরীরটা ক্লান্তিতে ভেঙ্গে পড়ছে।”
“আচ্ছা, দেখেশুনে যেও।”(তুহি)
ফোন কেটে দিয়ে অফিস থেকে বের হলাম। গাড়ীতে চড়ে প্রথমে বাজারে যাই৷ শিমুর জন্য কিছু না কিনলে বাসায় ডুকতে দিবে না৷ এছাড়া মাইশা তো বাসায় এসেছে। ভালো কিছু চকলেট কিনলাম সাথে মায়ের জন্য দই। মাইশার পার্ক চকলেট খুব পছন্দ! বেশি করে সেটাই কিনলাম। সাথে মিল্ক ডাইরী আছে, এটা আমার বোনের পছন্দের চকলেট। আবার গাড়ীতে চড়ে বাসায় চলে আসলাম। এক মাইশা বাসায় এসে বাসাটা হইচই করে মাতিয়ে তুলল। সম্পূর্ণ বাসা চিৎকার চেঁচামেচিতে ভরপুর। ডলফিনটাও কম যায় না। মাইশার সাথে চিৎকার করে বাসাটা মাছের বাজারে পরিনত করেছে। বাসায় প্রবেশ করছি দেখে শিমু চিৎকার দিয়ে আমার কাছে আসে। মতলব আমার জানা আছে। ডাইরী মিল্ক চকলেট গুলো শিমুর হাতে পার্ক চকলেট মাইশার হাতে দিলাম। দুজনই অনেক খুশি হলো। আমি প্রতিদিন অফিস থেকে এসে আমার মায়ের সাথে দেখা করে তারপর আমার রুমে যাই, না হলে আমার মনটা ভারী ভারী লাগে। মায়ের রুমে গিয়ে দেখলাম, মা বিছানা পরিষ্কার করছেন। মায়ের কাছে দইয়ের বাটি দিলাম তারপর জিজ্ঞাসা করলাম,
“মা, বাবা কি অফিস থেকে আসেন নাই?”
“ হ্যা এসেছেন। কই থেকে কয়েকটা ফুল গাছ এনেছেন, ওইগুলো ছাঁদের টবে রোপন করছেন।”(মা)
“আচ্ছা। আরেকটা কথা, আজকে কি বুয়া আসেনাই? তুমি ঘর গোছাচ্ছ যে!”
“আসেনি আজকে, ওর কি জানি কোথায় যাওয়া লাগবে তাই ছুটি নিয়ে চলে গেছে।”(মা)
“আচ্ছা, আমি গেলাম। তুমি দইটা খেয়ে নিও।”
মায়ের রুম থেকে এসে ফ্রেস হতে লাগলাম। প্রতিদিনের মতো আজকে এতো ক্লান্তি না থাকলেও অলসতা আজকে খুব আঁকড়ে ধরেছে আমায়। কোনরকম ফ্রেস হয়ে এসে বিছানায় শুয়ে পড়লাম। ডিভিডি ছেড়ে দিয়ে গান শুনতে লাগলাম। একটু একটু ঘুম চোখের পাতায় আসলে আমি ঘুমিয়ে পড়ি, সেটা অনুভব করতে পারলাম রাত নয়টায় জেগে ওঠার পর। মনটা খুব ফ্রেশ লাগছে।“এতো অবাক হলেন যে?”(তুহি)
“অবাক না হয়ে কি পারা যায়? একজন জোয়ান হ্যান্ডসাম ছেলেকে কেউ বাবুসোনা বলে! বাবুসোনা তো মানুষ পিচ্চিদের আদর করে ডাকে।”
“আমার ডাকার ইচ্ছে হইছে তাই আমিও ডাকবো।”(তুহি)
“এমন আজব আর কোন কোন ইচ্ছা আছে, আমাকে বলো তো।”
“এখন মনে পড়ছে না, মনে পড়লে বলবো৷”(তুহি)
“ঠিক আছে বলিও, এখন বলোতো, কিছু খেয়েছো?”
“হ্যা, খাওয়া শেষ করে এসে বারান্দায় বসছিলাম, ঠিক তখনই তুমি ফোন দিলে তাই তোমার সাথে কথা বলছি।”(তুহি)
“খুব ভালো করেছো, এখন আমাকে একটু ছুটি দিতে হবে। বাসায় যাবো। শরীরটা ক্লান্তিতে ভেঙ্গে পড়ছে।”
“আচ্ছা, দেখেশুনে যেও।”(তুহি)
ফোন কেটে দিয়ে অফিস থেকে বের হলাম। গাড়ীতে চড়ে প্রথমে বাজারে যাই৷ শিমুর জন্য কিছু না কিনলে বাসায় ডুকতে দিবে না৷ এছাড়া মাইশা তো বাসায় এসেছে। ভালো কিছু চকলেট কিনলাম সাথে মায়ের জন্য দই। মাইশার পার্ক চকলেট খুব পছন্দ! বেশি করে সেটাই কিনলাম। সাথে মিল্ক ডাইরী আছে, এটা আমার বোনের পছন্দের চকলেট। আবার গাড়ীতে চড়ে বাসায় চলে আসলাম। এক মাইশা বাসায় এসে বাসাটা হইচই করে মাতিয়ে তুলল। সম্পূর্ণ বাসা চিৎকার চেঁচামেচিতে ভরপুর। ডলফিনটাও কম যায় না। মাইশার সাথে চিৎকার করে বাসাটা মাছের বাজারে পরিনত করেছে। বাসায় প্রবেশ করছি দেখে শিমু চিৎকার দিয়ে আমার কাছে আসে। মতলব আমার জানা আছে। ডাইরী মিল্ক চকলেট গুলো শিমুর হাতে পার্ক চকলেট মাইশার হাতে দিলাম। দুজনই অনেক খুশি হলো। আমি প্রতিদিন অফিস থেকে এসে আমার মায়ের সাথে দেখা করে তারপর আমার রুমে যাই, না হলে আমার মনটা ভারী ভারী লাগে। মায়ের রুমে গিয়ে দেখলাম, মা বিছানা পরিষ্কার করছেন। মায়ের কাছে দইয়ের বাটি দিলাম তারপর জিজ্ঞাসা করলাম,
“মা, বাবা কি অফিস থেকে আসেন নাই?”
“ হ্যা এসেছেন। কই থেকে কয়েকটা ফুল গাছ এনেছেন, ওইগুলো ছাঁদের টবে রোপন করছেন।”(মা)
“আচ্ছা। আরেকটা কথা, আজকে কি বুয়া আসেনাই? তুমি ঘর গোছাচ্ছ যে!”
“আসেনি আজকে, ওর কি জানি কোথায় যাওয়া লাগবে তাই ছুটি নিয়ে চলে গেছে।”(মা)
“আচ্ছা, আমি গেলাম। তুমি দইটা খেয়ে নিও।”
মায়ের রুম থেকে এসে ফ্রেস হতে লাগলাম। প্রতিদিনের মতো আজকে এতো ক্লান্তি না থাকলেও অলসতা আজকে খুব আঁকড়ে ধরেছে আমায়। কোনরকম ফ্রেস হয়ে এসে বিছানায় শুয়ে পড়লাম। ডিভিডি ছেড়ে দিয়ে গান শুনতে লাগলাম। একটু একটু ঘুম চোখের পাতায় আসলে আমি ঘুমিয়ে পড়ি, সেটা অনুভব করতে পারলাম রাত নয়টায় জেগে ওঠার পর। মনটা খুব ফ্রেশ লাগছে। শিমুকে ডাক দিয়ে বললাম,
“ডলফিন আমাকে এককাপ চা দিয়ে যা।”
“পারমু না, আমি পড়তেছি।”(শিমু)
“পড়তেছোস নাকি ফেইসবুকিং করতেছোস আমি ভালোই বুঝতেছি।”
“তোমার মতো আমি নই। জীবনেও মিথ্যা কথা বলি না।”(শিমু)
“এটাও যে বিশ্বের কুখ্যাত সবচেয়ে বড় মিথ্যা কথা ছিল।”
“কুত্তা, তুই মর।”(শিমু)
“আমি মরলে তোরে গোপাল বাঁড়ের সাথে বিয়া দিমু কেমনে?”
“তুই কর বিয়া, আমার বিয়া লাগবো না। এখন ডিস্টার্ব করিস না। আমার কাল ক্লাস পরিক্ষা আছে।”(শিমু)
জানতাম, ডলফিনটা এরকমই উত্তর দিবে। চা খাইতে হলে এখন বাইরের স্টলে যেতে হবে। কি আর করবো? শার্ট, প্যান্ট পড়ে মানিব্যাগ হাতে নিয়ে বের হচ্ছি।
“কই যান ।”(মাইশা)
“ওহ মাইশা, আমি তো একটু বাহিরে যাবো৷”
“আমিও সাথে আসি।”(মাইশা)
“তুই এতো রাতে বাহিরে গিয়ে কি করবি?”
“নিশ্চয় চা খাওয়ার জন্য বাহিরে যাচ্ছেন। আমারও চা খাইতে মন চাচ্ছে।”(মাইশা)
“বুঝলি কেমনে? আমি যে চা খেতে চাচ্ছি?”
“এতো জোরে জোরে চিৎকার করে শিমুকে বলছেন, তাই শুনলাম আরকি।”(মাইশা)
“ওহ। তুইতো বাসায় বানিয়ে খাইতে পারিস। আমার সাথে এতো রাতে বাহিরে যাওয়ার কি প্রয়োজন? বাহিরে তো সমস্যা হতে পারে।”
“অজুহাত দেখাচ্ছেন নাকি আমাকে সাথে নিতে ভয় পাচ্ছেন।”(মাইশা)
“তুমি তো আমার বোনের মতো, সাথে নিতে ভয় পাবো কেনো?”
“বোন!!”(মাইশা)
“হ্যা, বোনই তো।”
“প্রেম যখন করতেন, তখন কি সেটা বলতেন? জানু, সোনা, ময়না এরকম কতকিছু বলেই তো কান জ্বালা-ফালা কইরা দিতেন। আর আজ বলছেন বোন! আপনারা পারেন ও বটে।”(মাইশা)
“এই আস্তে! মা আর শিমু শুনবে তো!”
“হুহ, মা আর শিমু শুনবে! শুনে কিছুই করবে না। আমাকে একটু বকা দিয়ে এখান থেকে বিদায় করে দিবে, তাছাড়া আর কিছুই হবে না।”(মাইশা)
“ফালতু বকিস না, চল।”
কোন কিছু আমার পরিবারের কেউ জানুক সেটা আমি চাইনা, অতীতে কি হইছিল? তা ভুলে যাওয়াই ভালো। তাই মাইশাকে নিয়ে বাসা থেকে বের হয়ে গেলাম। রাস্তার পাশ দিয়ে হাঁটছি। আমার কোনো কথা বলার ইচ্ছে এখন নেই। চুপচাপ থাকাকেই স্বাধীনতা মনে করছি। মাইশা কিছু সময় পর দীর্ঘশ্বাস ফেলে আমাকে তারদিকে উজ্জীবিত করার চেষ্টা করছে। আমি ঠিক বুঝে উঠতে পারছিনা, “এখন আমার কি করা উচিত?” ঠিক তখনই মাইশা স্বইচ্ছায় কথা বলল,
“কথা বলছো না যে, আমি কি বিব্রত করে ফেললাম?(মাইশা)
“নাহ, তা নয়। কেনো জানি চুপ থাকতে ভালো লাগছে।”
“আজকের রাতটা খুব সুন্দর তাই না।”(মাইশা)
“হতে পারে, ঠিক আমার কাছে লাগছে না।”
সেদিনের রাতটাও খুব সুন্দর ছিল। অনেকদিন এই রাতের কথা আমাকে বারবার বলেছিলে। অন্ধকারের মধ্যে প্রপোজ করা, চাঁদের আলোতে কেক কাটা, ঘন্টার পর ঘন্টা পাশাপাশি বসে প্রেমের কথা বলা! আপনার কি কিছু মনে আছে?”(মাইশা)
“আমরা স্টলে এসে গেছি, বসে পড়। চা খেয়ে তাড়াতাড়ি যেতে হবে। মাকে বলে আসিনি। তিনি চিন্তা করবেন।”
কথাটা অন্যভাবে ঘুরিয়ে নিলাম। কি লাভ পুরনো স্মৃতি মনে রেখে? অতীত অতীতের মতোই থাক, আর আমি থাকি আমার মতো৷ অতীত যদি চিন্তা করি তাহলে আমার বিয়ে করা হবে না। অতীত নিয়েই থাকতে হবে। তাছাড়া, অতীত কখনও সুখকর হয় না, অতীতের মধ্যে লুকিয়ে থাকে হাজারো কষ্ট! আমি কেনো কষ্টকে বরণ করে নেব? এভাবেই তো বেশ আছি। কয়েকদিন পর বিয়ে করবো, তারপর চেষ্টা করবো আরও ভালো থাকার। ওসব ফালতু চিন্তা দিয়ে হুদাই মাথা খারাপ করবো না। আপাতত চা টা খেয়ে এখান থেকে বিদায় হই। মাইশার দিকে না তাকিয়ে তাড়াতাড়ি চা খেতে লাগলাম৷ চা খুব গরম ছিলো। তাড়াহুড়ো করে খেতে চেয়েও পারছিনা। ঠিক তখনই মোবাইলে ফোন আসলো। মোবাইল বের করে তাকালাম। তখন মাইশার অভিব্যক্তি,
“কে ফোন দিল? নতুন ভাবী মনে হয়!”(মাইশা)
(চলবে)
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now