বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

অজানা মানুষ Ajana manus... √./-/.$

"ভূতুড়ে অভিজ্ঞতা" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ZARJ গল্পেরঝুড়ি (০ পয়েন্ট)

X             ????অজানা???? মানুষ ????          -------------------------------------------- •  • আমরা জানতে পারি যে কৃষ্ণপুর গ্রামে।  কিছু ভূত সেখানে আছে। আমি গুগুলে সার্চ করলাম কিন্তু কিছু জানতে পারলাম না। আমরা তিন জন কৃষ্ণপুর  গ্রামের যাবার জন্য প্রস্তুতি নিলাম। সেখানে ২ টি বাইকে গেলাম। আমরা বিকাল ৩ টার সময় যেয়ে পৌঁছালাম  । তো সেখানে কৃষ্ণ পূজার মন্দির আছে। সেখানে পূজা হয়।  আমরা আর কিছু জানতে চাইলাম তাদের কাছে। তারা বললো যে ১২ টার পর আমরা কেউ এখানে থাকে না। আমি বললাম যে কোনো সেখানে থাকে না। বললো যে সেখানে কিছু ভূত আছে তাই কেউ থাকে  না। আমি ভাইয়া কে বললাম এখানে ভূত পাওয়া যেতে পারে। ভাইয়া বললো যে দেখা যাক। আলামিন বললো যে তবে আজ মজা হবে।                 ৬ টার সময়              -------------------------- আমরা সেখানে একটা দোকানে বসলাম । সেখানে চা খেলাম। তো ১১ বাজে সবাই দোকান বন্ধ করতে শুরু করেন। ১১:৪৫ বাজার সাথে সাথে একটা ঘণ্টা পড়ে গেলো। সবার নিজ নিজ বাসা চলে গেলো। আমরা একটু তাদের সাথে চলতে থাকলাম। কিছু খুন পর আমরা চলে এলাম।                    ১২ টা বাজার পর              ------------------------------------- আমরা দেখলাম যে একটা বাতাস গায়ে লাগলো । আমরা কিছু  অনুভাব করতে পারছি। আমি অনেক খুসি হইলাম । আমি বললে ভূল হবে আমরা সবাই খুসি হইলাম । আমরা কৃষ্ণ পূজা মন্দির কাছে গেলাম। সেখান একজন সুন্দরী মেয়ে বসে আছে। আমরা বললাম যে, এখানে এত রাতে, এখানে কি করছো । সেই একটু রেগে বললো আপনারা চলে যান। আমি একটু সাহস করে বললাম আমরা একটা কাজে এসেছি। মেয়েটি হেসে বললো যে আমি যানি। আমরা তো অবাক। কিভাবে যানলে ? রাত ১২ টার পর সবাই এখনে ভূত দেখতে আসে। তোমরা এসেছো। আমি বললাম যে তুমি কি করতে এসোছো। সেই হেসে হললো যে আমরা ও ভূত দেখতে এসেছি। তোমাকে তো একলা দেখছি। নদীর পড়ে আছে। আমার সাথে এসো ।আমরা তার পিছে পিছে যাচ্ছি।  তো কিছু খুন যাবার পর দেখতে পরছি যে কয়ক জন দাড়িয়ে আছে। তাদের মধ্যে  বয়সক  দুইজন এবং একজন ১০ বছর বয়সের ছেলে হবে। তো মেয়েটি তাদের কাছে নিয়ে গেলো ।তারা জনো আমাদের বরণ করার জন্য দাড়িয়ে আছে। মেয়েটি বললো যে ভূত দেখবে না। আমরা একসাথে বললাম হ্যাঁ। মেয়েটি হেসে বললো যে এই নদীতে গোসল করলে ভূত দেখতে পাবে। আমাদের সন্দেহ হলো। আমরা বললাম গোসল করতে পারবো না। তারা চারজনে আমাদের নদীতে ফেলতে চাইলো কিন্তু পারলো না। আমরা নদীর পানির দিকে তাকালে আমরা দেখতে পাই কিছু হাত। আমরা ভূয়ে দুর দিলাম আর কৃষ্ণ পূজা মন্দির  সামনে এসে দেখলাম যে সেই মেয়ে মন্দির থেকে চলে আসছে।                    তারপর                .................. আমরা চোখ  খুলে দেখলাম যে সকাল হয় গেয়েছে । আর গ্রামের সবাই আমাদের ঘেরে দাড়িয়ে আছে। সেখান থেকে আমাদের উঠলো। তো একজনের বাসাতে থাকতে দিল। আমরা তাদের বাসার একজন কে বললাম যে আমাদের বাসাই পাঠিয়ে দিতো। সেই বললো যে আপনাদের উপর বিচার আছে সে জন্য আমাদের বাড়িতে রাখা হয়ছে। তো আমাদের উপর বিচার ডাকা হয়ছে তা জানতে পারলাম।                        বিচার সময়                 ---------------------------------- আমরা গেলাম বিচার সভায়। তো দেখতে পেলাম যে নতুন স্যাট পান্ট। তো বিচার শুরু হলো আমাদের প্রেশ্ন করলে যে সেই রাত কি হয়ে ছিলো ।ভাইয়া বললো যা যা ঘটে ছিল তা। একজন বললো যে তোমাদের ৩৩ হাজার ৪৩২ টাকা জরিমানা করা হলো আর আমাদের যা কিছু আছে তা দান করতে বললো। তোমাদের স্যাট পান্ট জুতা মোবাইল  ক্যামেরা যত যা আছে তা দেয় দয় । আমি একটু রেগে বললাম এগুলো দিয়ে কি হবে। একজন বললো যে ভূতগুলো  তোমাদের উপর রেগে আছে। তোমার যদি কোন কিছু নিয়ে যাই তবে তোমাদের পিছনে চলে যাবে। আর যদি সবকিছু এখানে ফেলে যও তবে তারা এই জিনিসের উপর প্রতিশোধ নিবে।আমরা বললাম জরিমানা তা আমাদের মাফ করেন। তো তারা বললো যে তোমরা অনেক দৃর থেকে এসেছো তো আমরা মাফ করে দিলাম। এরপর এরকম কাজ না করো। আমরা বললাম ঠিক আছে। আমাদের কাছ থেকে সব নিয়ে নিল আর আমি ক্যামেরার মোমরেকার্জ  টেনে নিলাম। যাতে সুটিং করা ছিল। একটি ঘরে নিয়ে গেল আর নতুন স্যাট পান্ট দিলো। আমরা নতুন স্যাট পান্ট পড়লাম আর পড়ানো গুলো দিয়ে দিলাম। তারপর কি হল তা দ্বিতীয় পর্বে দেখতে পাবেন।............ সেখান থেকে ভালো ভাবে চলে এলাম। বাসাতে এসে সমস্যা শুরু হলো ঐ মোমরেকার্ড নিয়ে...... ......... গল্পটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ। দ্বিতীয় পর্ব দেখতে চান তবে কমেন্ট করেন আপনাকে খারাপ লাগলো না ভালো। লাগলো তা কমেন্ট করবেন।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১২০৮ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now