বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

চার বনধু

"মজার গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ‎‎‎‎‎ (২২২ পয়েন্ট)



X ★★★ চার বন্ধু দেশভ্রমণে বেরিয়েছে। বহু দূর দূর দেশ ঘুরে একদিন এক সরাইখানায় রাত কাটানোর সময়, নিজেদের খাওয়ার জন্য খিচুড়ি রাঁধল তারা। তারপর একটা সানকিতে খিচুড়ি ঢেলে সবাই মিলে এক পাত্র থেকেই খেতে বসল। খেতে শুরু করার আগে খিচুড়ির ওপর ঘি ঢালা হল বেশ খানিকটা। চার বন্ধুই ছিল মুসলমান, কিন্তু ভিন্ন ভিন্ন শ্রেণীর। একজন শেখ, একজন সৈয়দ, একজন মোঘল, একজন পাঠান। খিচুড়িতে ঘি ঢালা মাত্র পাঠান বন্ধুটি আঙুল দিয়ে খিচুড়িতে একটা রেখা টেনে নিজের দিকে ঘি-টা টেনে নিয়ে বলল, জানো আমার পূর্বপুরুষদের মধ্যে একজন বাদশা ছিলেন। আমি সেই গৌরবান্বিত বংশের সন্তান।” এ-কথা শুনে সৈয়দ বন্ধুটি খিচুড়ির ওপর দুই আঙুলে দুটি রেখা টেনে, ঘি-টা নিজের দিকে নিয়ে বলল, আমাদের বংশে দু’জন বাদশা ছিলেন। কাজেই আমার বংশগৌরব তোমার চেয়ে কম নয়।’ মোঘল বন্ধুটি সঙ্গে সঙ্গে খিচুড়িতে তিনটি রেখা টেনে, নিজের দিকে ঘি টেনে নিয়ে বলল, আমাদের বংশে ছিলেন তিনজন বাদশা! কাজেই বংশমর্যাদা আমারই সবচেয়ে বেশি। শেখ বন্ধুটি দেখল, এরা সবাই সমান স্বার্থপর! দিব্যি নিজের নিজের বংশের বাদশাসংখ্যা বাড়িয়ে সব ঘিটুকুই যে যার নিজের দিকে টেনে নিল। আমাদের জন্য কিছুই রাখল না। সে তাই বিরক্তির সুরে বলল, খাবার সময় বাদশাহী ব্যাপার নিয়ে বাদশাজাদাদের এমন কেন্দল আমার ভাল লাগছে না। দাঁড়াও আমি সবার ভেতর মিলমিশ করিয়ে দিচ্ছি।’ বলেই, সব খিচুড়ি একসঙ্গে মিলিয়ে ঘেঁটে দিল। তাতে সব খিচুড়িতেই সমান ঘি হল। বন্ধুরা ওর উপস্থিত বুদ্ধি দেখে খুশিই হল। হাসতে হাসতে খিচুড়ি খেতে শুরু করল সবাই মিলে।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৪৫৪ জন


এ জাতীয় গল্প

→ বনধু তারপর ভালোবাসা
→ আমরা ৭ বনধু।

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...