গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !

গল্পেরঝুড়িতে স্বাগতম ...

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ভূতের গ্রাম

"পৌরাণিক গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Ismail Ahnaf (০ পয়েন্ট)



ভূতের গ্রাম ইসমাঈল আহনাফ পর্ব ----১ অনেক দিন আগের ঘটনা । সময়টা ১৮ শতকের প্রথম দিকে হবে। প্রত্যন্ত একটা গ্রামে বাস করতো "হান্ট" নামের এক বালক।গ্রামটা ছিলো শহর ছাড়া অনেক দুর। এতটা দুরে যে বহি বিশ্বের কারো সাথে সেখানের কারো যোগাযোগ ছিলোনা তার বাবা সে গ্রমের অস্থায়ি বাসিন্দা ছিলো। কোন এক কালে এ গ্রামে এসে উঠেছিলো তারা। হান্ট তখন অনেক ছোট। ছোট বেলা থেকে শান্ত ছিলো। তার বুদ্ধিমত্তা ছিলো সবার থেকে এক ধাপ এগিয়ে। গ্রামের সবাই তাকে মাঝে মাঝে Discovery বলে ডাকতো। গ্রামের মানুষ তার কাছে থেকে শিখতো অনেক কিছু। সে সবাইকে সেখাতো জটিল কাজগুলো কিভাবে সহজ উপায়ে করতে হয়। মাঝে মাঝে অনেকেই তার কাজে বিরক্ত হতো। তবে সে কিছু মনে করতো না। গ্রামের মানুষ গুলোর আচরন ছিলো অসাভাবীক। কিন্তু হান্টের কাছে তা মনে হত না। এ পরিবেশে সে ভালোই ছিলো কিন্তু মাঝে মাঝে নিজেকে অনেক একা মনে করতো,এবং মাঝে মাঝে অনেক জোরে চিৎকার করে উঠতো। তার গ্রামের মানুষ গুলো সব সময় ব্যস্ত থাকতো। যেন তাদের ক্লান্তি নিদ্রা কিছুই নেই। গ্রমটা এক ধুধু প্রান্তরে অবস্থিত ছিলো। অনাবৃষ্টির কারনে সেখানে কৃষি কাজ তেমন একটা হতো না। এই গ্রামে হান্ট আস্তে আস্তে বড় হতে থাকে গ্রামের সবাই তাকে নিয়ে ব্যাস্ত থাকতো। গ্রামের সবাই কথা কম বলতো। হান্ট যখন শিশু থেকে কিশোর হয়ে গেলো। তখন সে শিক্ষা গ্রহনের জন্য গ্রাম ছেড়ে পাড়ি জমালো শহরের উদ্দেশ্য। শহরে গিয়ে সে এক বেকারির দোকানে কাজ নিলো এবং একটা বিদ্যালয়ে ভর্তি হল শিক্ষা গ্রহনের জন্য। হান্ট ছিলো অসাভাবীক। সবার থেকে আলাদা। শহরের মানুষ গুলোর আচরণ তার অসাভাবীক লাগতো। কারো সাথে মিশতে পারতো না। সে, যে বিদ্যালয়ে ভর্তি হয় সেখানে "মেরি" নামের এক মেয়ে পড়তো। মেরি প্রথম থেকেই হান্টকে লক্ষ করতো। মেরির হান্টকে দারুন লাগতো। হান্টের ও মেরিকে ভালো লাগতো। মেরির মধ্যে এমন কিছু একটা ছিলো যেটা হান্টকে আকর্ষিত করতো। এমন ভাবে আচ্ছে আচ্ছে বন্ধুত্ব হয় মেরির সাথে। এবং অনেক ভালো বন্ধুতে পরিনত হয় তাদের সম্পর্ক। মেরি হান্টকে সেখাতো কিভাবে শহরে জীবনে নিজেকে মানিয়ে নিতে হয়। মেরির মাধ্যেমে পরিচয় হয় আরো তিন জনের সাথে তাদের একজন ছিলো মুসলমান বন্ধু। তার নাম ছিলো আজমি। আজমি ছিলো অনেক ধার্মিক। সে তার ধর্মকে যথারীতি পালোন করতো। তাকে দুর থেকে দেখলেই বোঝা যেতো। সে কতটা সৎ, নিষ্টাবান, ও কোমল মনের মানুষ। হান্টের অবশ্য নিজ ধর্ম নিয়ে তেমন কোন মাথা ব্যাথা ছিলোনা। যদিও সে খিস্টান ছিলো তবুও খিস্টান রিতি নিতির সাথে সে অনেকটাই অপরিচিত। কারন সে জন্মের পার থেকে শুধু জানতো সে খিস্টান। তাছাড়া তার গ্রামে কোন দিন খিস্টান কোন রীতিনীতি বা অনুষ্টান পালন করা হতনা। যতটুকু শিখেছিলো মেরির থেকে। আর মেরি তাকে সব সেখাতো। শিক্ষা জীবন ভালোই কাটছিলো তার। সব কাজে মেরি তাকে সাহায্য করতো। আর বাকি বন্ধুদের সাথেউ নিজের ভায়ের মত সম্পর্ক ছিলো। যেন "we are brother for other mother " এমন করে অতিবাহিত হয়ে গেলো দীর্ঘ ৭ টি বছর। গ্রামের সাথে কোন যোগাযোগ নেই এই ৭ বছরে। কারন তার গ্রামটা ছিলো এতটাই প্রত্যন্ত, যে যোগাযোগ করার কোন উপাই ছিলোনা গ্রামের সাথে। গ্রামের কথা মনে করে হান্ট গ্রামে যাওয়ার পরিকল্পনা করলো হঠাৎ করে। হান্টের তিন বন্ধু তার পরিকল্পনা শুনে তার সাথে মানে হান্টের গ্রামে যাবে বলে বাইনা করলো। অনেক ভালো বন্ধু বলে না করতে পালোনা হান্ট। কিছু খাবার নিয়ে মেরির কাছে বিদায় নিয়ে তারা রওনা হল গ্রামের উদ্দেশ্য। মেরি অনের কষ্ট পাচ্ছিলো হান্টকে ছেড়ে মেরি একদিন ও থাকতে পারতো না। সেই হান্টকে ছেড়ে কত দিন থাকা লাগবে জানেনা সে। হান্ট ও কস্ট বুকে নিয়ে বিদায় নিলো।.............................................................................................


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ১২৫৮ জন


এ জাতীয় গল্প

→ একটি ভূতের গ্রামের গল্প
→ » নীল হাতী » একটি মামদো ভূতের গল্প
→ গেছো ভূতের বিয়ে
→ মহা সংগ্রাম
→ সংগ্রাম সম্পর্কে
→ ভূতের সঙ্গে গুড্ডুবুড়ার সেলফি_লেখক: আনিসুল হক
→ ভূতের বাড়ির মিতং_লেখক: আনিসুল হক
→ ভূতের বাড়ি
→ ভারতের রহস্যময়ী একটি গ্রাম "The Twin Town"(পর্ব ২)
→ ভারতের রহস্যময়ী একটি গ্রাম "The Twin Town"(পর্ব ১)

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...