বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
প্রত্যেকটা রাত যেন গভীর। প্রত্যেকটা রাতই খুব অন্ধকারে ঘেরা থাকে। আকাশের চাদটা কখনো আলো দেয়। আবার কখনো মুখ কালো করে রাখে। কারন সে, মেঘের সাথে যুদ্ধে হেরে যায়। সেদিন রাতটা বেশি অন্ধকারে ছেয়ে থাকে। আবার যেদিন চাদটা মেঘের সাথে যুদ্ধে জয়ী হয় সেদিন চারিদিকে চাদের আলো বিরাজ করে । যা কিছু কিছু রাতজাগা মানুষের কাছে মধুময় রাত বলে ঘোষিত হয়। এইতো প্রকৃতির নিয়ম।
এবার আমার পরিচয়টা দিয়ে ফেলি। আমি শাকিব।
কিছুদিন হয় লেখাপড়া সাঙ করেছি। এবার কিছু করে জীবন পাড়ি দেওয়া যাবে। একা মানুষের আর কি বেশী কিছু করতে হয়। শুধু দুবেলা খেতে পারলেই হয়। কোনকিছু করার আগে কয়েকদিন ঘুরাফেরা করা যাক। বাবা মা কেও নেই। মামার কাছে মানুষ। বাবা মা মরার আগে ব্যাংকে কিছু টাকা আর একটা বাড়ি রেখে গেছেন। টাকাগুলো কাজে লাগে না। কারন সবি মামা দেন।
সেদিন ছিলো শুক্রবার। রাত্রি ৩ টা বাজে। ঘুরতে বের হয়েছি। বলা ভালো আমি রাত্রে ঘুরতে পছন্দ করি। রাতের অন্ধকারকে সঙি করে হেটে যাচ্ছি। কোথায় যাচ্ছি জানি না। যতদুর পর্যন্ত ভালো লাগবে যাব।
আকাশে চাদটা উঠেছে। কিন্তু তাকে মেঘটা খুব জালাত্বন করছে। এবার চাঁদ আর মেঘগুলো শুরু করল যুদ্ধ। মহাযুদ্ধ।
একা একা চাঁদ টা শত শত মেঘের কাছে হার মেনে নিল। হার মেনে নততে বাধ্য হলো।
তবুও চাদটা একটু পর পর উকি দিচ্ছে। আবার মেঘগুলো তাকে ঢেকে দিচ্ছে। মেঘগুলো যেন তার সাথে খেলা শুরু করেছে। একা হাটতে বেশ লাগছে। সাথে আছে মিষ্টি ঠান্ডা হাওয়া আর মেঘ চাদের দুষ্টু মিষ্টি খেলা।
রাতটা পুরো নির্জীব। কিন্তু মাঝে মাঝে শেয়ালের হাকগুলো সেই নির্জীব কে পরাজিত করে দিচ্ছে।
আজকে আর ভালো লাগছে না। এখন বাড়ি ফিরে আসা দরকার। তাই ফিরে যাচ্ছি পিছনে ফেলা আসা রাস্তাটা ধরে। অবশেষে চলে আসলাম সেই চিরচেনা বাড়িতে। এসেই গা টা এলিয়ে দিলাম বিছানাই। আর হারিয়ে গেলাম ঘুমের রাজ্যে।
to be continue....
coming soon part 2
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now