বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

সুপারস্টার পর্ব-৪

"রোমাঞ্চকর গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Ovro Amrito (০ পয়েন্ট)

X পার্থ আর পূজা ঐ আস্তানা থেকে পালিয়েছে অনেক্ষন হয়ে গেল ।কিন্তু এখন পর্যন্ত এই জঙ্গল থেকে বের হতে পারছে না ।যেদিকেই যাচ্ছে সেদিকেই নদী । অর্থাত্ তারা একটা দ্বীপে আটকা পড়েছে । . -বারবার ঘুরে তো একই জায়গাতে আসছেন। (পূজা) -জায়গাটা আমার খুব ভালো লেগেছে তাই যেতে ইচ্ছা করছে না। (পার্থ) -আচ্ছা আপনি এমন সিরিয়াস মুহূর্তে কিভাবে ফান করতে পারেন?আমি না একদমই বুঝি না। -আমরা একটা দ্বীপে আটকা পড়েছি।সকাল না হওয়া পর্যন্ত কিছুই করা যাচ্ছে না। -তারমানে সারারাত আপনার মতো একজন ছ্যাঁচড়ার সাথে আমাকে এই জঙ্গলে থাকতে হবে? -না থেকে উপায়ও নেই। -কেনো যে তখন ওখান থেকে পালিয়ে এলাম । ওখানে থাকলে কমপক্ষে এই মশার কামড় খেতে হতো না। -চলো তোমাকে আবার ওখানে দিয়ে আসি। -না না।একবার বেরিয়ে আসতে পেরেছি এই অনেক।আর ভুলেও যাব না ওখানে । -এই চুপ চুপ(আস্তে করে) -কেন? -ঐ যে মনে হয় ঐ গ্যাংয়ের লোকজন আমাদের খুঁজতে বের হয়েছে। -এখন কি হবে? -এই ঝোপের আড়ালে চুপ-চাপ থাকো তাহলে ওরা আমাদের দেখতে পাবে না। . -বস ওরা এদিকে নেই? (গ্যাংয়ের একজন) -নেই মানে?এই অল্প সময়ে কোথায় পালালো দুজন?(ইকবাল) -বস চলুন ওদিক টাতে দেখি। -হ্যাঁ চল চল।ওদের এখান থেকে বের হতে দেওয়া যাবে না। . . -লোকগুলো কি গিয়েছে?(পূজা) -হ্যাঁ চলে গিয়েছে।এখন আমার হাতটা ছাড়তে পারো।(পার্থ) -না না।আমার অন্ধকারে খুব ভয় লাগে।আপনার হাত ছেড়ে দিলে আপনি যদি আমায় ফেলে চলে যান তখন! -বাব্বা তোমার এত ভয়! ভয় পেয়ো না!আমি তোমার সাথেই আছি। -আপনি আমায় খুব ভালোবাসেন তাই না? -হঠাত্ এ প্রশ্ন? -আপনি জানতে চাইবেন না আমি কেন আপনার প্রস্তাবে রাজি হই না। -অবশ্যই জানতে চাইবো! -আসলে আমি একজনকে ভালোবাসি। -কে সে?কে আমার সতীন? -আপনি পাথ্বিব পার্থের নাম শুনেছেন? -পাথ্বিব পার্থ আবার কে?(পাথ্বিব পার্থ আমি নিজেই) -ঐ যে ইউটিউব সিঙ্গার। -ও ঐ ফালতু সিঙ্গার। -খবরদার ওকে ফালতু বলবেন না।ও আমার একমাত্র ক্রাশ। -চেহারা না দেখেই ক্রাশ।ওর তো চেহারা ভালো না আর এজন্য ও প্রকাশে আসে না। -চেহারা দিয়ে সবকিছু বিচার হয় না। -ওর থেকে তুমি আমার সাথে প্রেম করো। হ্যান্ডসাম লুক আছে,ওয়েল বিল্ড বডিও আছে। -আপনি আমায় যতই ইমপ্রেস করুন না কেন আমি আপনাকে ভালোবাসতে পারব না। -এখন যদি আমি তোমার সাথে খারাপ কিছু করি তাহলে? -আপনি আমার কিছুই করবেন না।যাকে ভালোবাসা যায় তার ক্ষতি কখনোই করা যায় না। -ইমোশনাল ব্লাকমেইলটাও দেখছি ভালোই পারো। . সারারাত মশার অত্যাচারের পর দিনের আলো ফোটার সাথে সাথে। . -এই পূজা ওঠো।(পার্থ) -উফ এত সকালে কি কেউ ঘুম থেকে উঠে! আরেকটু ঘুমাই!(পূজা) -এটা কি তোমার বাসার বেডরুম নাকি যে সারাদিন ঘুমাবে। তাড়াতাড়ি উঠো ওরা যে কোন মুহুর্তে চলে আসতে পারে। -আগে বলবেন না। তাড়াতড়ি চলুন? . অতঃপর দুজন হাঁটতে হাঁটতে দ্বীপের প্রায় শেষ প্রান্তে চলে আসে।অতঃপর একজন জেলেকে দ্বীপের কাছে দেখা যায়। লোকটি তাদের কাছে আসে,তারপর . -একি আপনারা কারা? এই ভয়ানক দ্বীপে আপনারা কিভাবে এলেন?(লোকটি) -আগে আমাদের নৌকাতে করে এখান থেকে বের হতে দিন তারপর সব বলছি । (পার্থ) -ঠিক আছে নৌকাতে উঠে আসুন। . অতঃপর তারা দুজন নৌকাতে উঠে গেল। . -তো এবার বলুন আপনারা এখানে এলে কিভাবে? -আমাদেরকে এখানে কিডন্যাপ করে আনা হয়েছে? -ঐ দ্বীপে কি লোক থাকে! -হ্যাঁ ওখানে একটা গ্যাংয়ের ডেরা আছে। -বলেন কি?আপনারা ভালোই ভালোই বেরিয়ে আসতে পেরেছেন এই অনেক। -আচ্ছা এটা কোন জায়গা? -এটা বান্দরবন? -কি! -আপনারা কোথায় থেকে এসেছেন? -আমরা ঢাকাতে থাকি। -ও আচ্ছা।আমি আপনাদের এর থেকে বেশি নিয়ে যেতে পারব না।আপনাদের এখানে নামিয়ে দিচ্ছি এখান থেকেই রাস্তা পেয়ে যাবেন। -অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। . অতঃপর নৌকা থেকে নেমে দুজন কিছুদূর হেঁটেই রাস্তা পেয়ে যায়।হাঁটতে হাঁটতে এক পর্যায়ে পূজা বসে পড়ে। . -কি হলো এভাবে রাস্তার ধারে বসে পড়লে কেন? -আমি আর হাঁটতে পারছি না।আমার পায়ে কেটে গেছে! -কই দেখি?একি! অনেকটাই তো কেটে গেছে।কিভাবে হলো এটা? -নৌকা থেকে নামার সময় পা পিছলে গিয়ে পা কেটে গিয়েছে। -আমাকে আগে বলবে না।অনেকটাই তো কেটে গেছে। -সমস্যা নেই।আমি যেতে পারব। -এখানে বসো।আমি এখনি আসছি। . অতঃপর পার্থ গিয়ে জঙ্গল থেকে এক ধরনের লতা নিয়ে আসে।যেটা দিলে রক্তক্ষরণ বন্ধ হয় । . -দেখি তোমার পা টা এদিকে এগিয়ে দাও! -এসব লাগাতে হবে না। এমনিতেই সেরে যাবে। -দাও বলছি। . অতঃপর পূজার কাটা জায়গাতে জঙ্গলের ঐ লতার রস লাগিয়ে দিল।কিছুক্ষন পরেই রক্ত বন্ধ হয়ে গেল। . -বাহ আপনি দেখছি ডাক্তারিও জানেন। -আমার ডাক্তার হবার খুব শখ ছিল।কিন্তু মেডিকেলে চান্স না হওয়াতে সে সুযোগ হয়নি। -ডাক্তার না হয়েও দেখছি অনেক কিছু জানেন। -প্রাথমিক কিছু জানি আরকি।আচ্ছা চলো এগোতে থাকি।দেখি খাবারের কিছু পাওয়া যায় কি না। . অপরদিকে, . -বস ওদের কোথাও খুঁজে পায়নি ।(গ্যাংয়ের লোক) -একটা ছেলে আর একটা মেয়েকে দেখে রাখতে পারলি না? তোদের এত চোখের সামনে দিয়ে পালালো কিভাবে?(ইকবাল) -বস ওরা মনে হয় এতক্ষনে রাস্তা পেয়ে গেছে।আমাদের এখান থেকে সরে যাওয়াই উচিত। -আমি এখান থেকে কোথাও যেতে পারব না। আমার বিরুদ্ধে সুট এন্ড সাইট অর্ডার আছে।পুলিশ দেখা মাত্রই আমাকে গুলি করে দিবে। -বস তাহলে আমরা গিয়ে খুঁজে দেখি।আমার মনে হয় অতক্ষনে ওরা এই গ্রামের বাইরে যেতে পারেনি। -হ্যাঁ তাই কর।ওদের খুঁজে না পেলে আমার মৃত্যু নিশ্চিত ।আমি মরার আগে আমার ভাইকে দেখে যেতে চাই।ততক্ষন পর্যন্ত আমাকে বাঁচতে হবে। -বস আপনি কোনো চিন্তা করবেন না। আমরা ঐ দুজনকে আপনার সামনে ধরে আনব। . . চলবে........ . লেখাঃ #অভ্র_অমৃত


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৬ জন


এ জাতীয় গল্প

→ সুপারস্টার পর্ব-৫
→ সুপারস্টার পর্ব-৩
→ সুপারস্টার পর্ব-২
→ সুপারস্টার পর্ব-১

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now