বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

সুপারস্টার পর্ব-৩

"রোমাঞ্চকর গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Ovro Amrito (০ পয়েন্ট)

X -ইকবাল আমার ছেলের যেন কিছু না হয়। তাহলে কিন্তু তোমার খবর আছে।(পার্থের বাবা) -এখন পর্যন্ত ঠিক আছে ।কিন্তু কতক্ষন ঠিক থাকতে পারবে সেটা বলতে পারছি না ।(ইকবাল) -আমার ছেলেকে ছেড়ে দাও।তোমার শত্রুতা তো আমার সাথে। -হা হা হা ।আমি আপনার ডিউটিকে রেসপেক্ট করি।কিন্তু আমার ভাইকে আপনারা আটকে রাখবেন সেটা তো আমি দেখতে পারব না। -কি করতে হবে আমায়? -আমার ভাইকে জামিন দিয়ে দিলে আপনার ছেলেও অক্ষত অবস্থায় ফিরতে পারবে। -তোমার মতো সন্ত্রাসীর অনেক থ্রেট শুনেছি ।তোমার ভাইকে আমি কখনোই জামিন দিব না। -তাহলে আপনার ছেলেকে ভুলে যান।ও আর বাসায় ফিরবে না। -না না ।আমার ছেলের কিছু করো না। -স্যার আপনার ইমশোন দেখার সময় আমার হাতে নেই।ভেবে দেখুন আপনার কাছে কোনটা বড়।আপনার ছেলে নাকি আপনার ডিউটি। সময় কিন্তু মাত্র ২৪ ঘন্টা। . অতঃপর কলটা কেটে গেল . -কি রে বাঘের বাচ্চা। তোর বাবা তো দেখি তার ডিউটিকেই বড় মনে করে।(ইকবাল) -আপনারা আমাকে কিডন্যাপ করে কখনোই আমার বাবাকে দুর্বল করতে পারবেন না।(পার্থ) -বাহ!তুইও দেখি তোর বাবার মতোই স্ট্রেট। যদি তোর গার্লফ্রেন্ডের কিছু হয়ে যায় তখন?(পূজাকে দেখিয়ে) -আমাকে যা খুশি করুন কিন্তু ওর কিছু হলে আপনাদের একটাকেও ছাড়ব না। -বাপ রে বাপ!আমি তো ভয় পেয়ে গেছি।এই তোরা ওদেরকে যেতে দে ।কি ভেবেছিলি আমি এটা বলব? কিন্তু না।তোর বাবা যদি ২৪ ঘন্টার মধ্যে আমার ভাইকে ছেড়ে না দেয় তবে তোদের দুইটাকেই খালাস করে দিব।এই এদের দিকে ভালোভাবে খেয়াল রাখিস যাতে পালাতে না পারে। -ওকে ভাই ।(ইকবালের লোক) . অতঃপর ইকবাল চলে গেল ।সাথে সাথেই পূজা পা দিয়ে পার্থের পায়ের উপর চাপ দিল ।বেশ একটু জোড়েই লেগেছে। . -আউচ!কি ব্যাপার লাথি দিলে কেন? (পার্থ) -শুধু তো পা দিয়ে লাথি দিয়েছি ।যদি হাতটা বাঁধা না থাকতো তবে গলা টিপে মেরে ফেলতাম।(পূজা) -কী সাংঘাতিক!আমি আবার কি করলাম? -কি করলেন মানে?ওরা আমাকে আপনার গার্লফ্রেন্ড বলল আর আপনি চুপ করে থাকলেন। -খারাপ কি?আমারতো বেশ ভালোই লেগেছিল। -আপনারতো ভালো লাগবেই।আমার মতো একজন স্টারের সাথে এতক্ষন থাকতে পারছেন।বিষয়টা গর্বের না? -দু একটা এড করলেই স্টার হওয়া যায় না। -আচ্ছা আপনার বাবা কি পুলিশ? -হ্যাঁ।উনি ডিসি। -আচ্ছা বললেন নাতো আপনাকে এরা কিডন্যাপ কেন করেছে? -আমাকে কিডন্যাপ করেছে যাতে বাবাকে ভয় দেখিয়ে ঐ ক্রিমিনালের ভাইকে ছাড়াতে পারে। -আমাকে কেন কিডন্যাপ করলো? -আমার একা একা থাকতে বোরিং লাগবে তাই তোমাকেও কিডন্যাপ করে এনেছে।বিনোদনের একটা ব্যাপার আছে না। -ধ্যাত।আপনার সাথে কথা বলাই বৃথা। এইরকম সময়ে মানুষ কিভাবে ফান করতে পারে? . অপরদিকে,পার্থ গত রাতে ম্যাচে না ফেরাতে আবির চিন্তিত হয়ে পার্থের বাবাকে কল দেয়। . -হ্যালো আঙ্কেল! -কি আবির।কোনো সমস্যা? -আঙ্কেল গত রাত থেকে পার্থকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। ম্যাচেও ফেরেনি । -আমি জানি বিষয়টা। পার্থকে কিডন্যাপ করা হয়েছে। -কি!কিডন্যাপ? -হ্যাঁ ।তোমাকে একটা কাজ করতে হবে। -হ্যাঁ ।বলুন। -তুমি পার্থের ছবি ফেসবুক পেজে,ইউটিউবে ওর চ্যানেলে দিয়ে দাও। যাতে লোকজন ওকে দেখতে কমেন্ট ওর লোকেশন জানাতে পারবে। -ওকে আঙ্কেল। -এই ব্যাপারটা সিক্রেট থাকবে।যদি কেউ পার্থের খোঁজ করে তাহলে বলবে ও বাড়ি চলে গেছে। -জ্বী আঙ্কেল।রাখছি তাহলে।বাই . অতঃপর পার্থের ছবি আবির তার পেইজে,চ্যানেলে দিয়ে দেয় ।ক্যাপশনে লিখে দেয় তার বর্তমান লোকেশন কমেন্ট করুন ।ছবিটা দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। এদিকে . -কনস্টেবল!(DCP অবিনাশ) -ইয়েস স্যার। (কনস্টেবল) -আপনি এখনি ইকবালের ভাইকে এখান থেকে সেন্ট্রাল জেলে পাঠানোর ব্যাবস্থা করুন। -ইয়েস স্যার। -তার আগে গুজব ছড়াবেন যে ইকবালেল ভাই পুলিশ কারাগার থেকে পালিয়েছে। -আমরাই তো ওকে শিফট করছি।তাহলে মিথ্যা খবর ছড়াব কেন? -এটা একটা ট্রিক্স। আপনাকে যা বলছি তাই করুন। -ইয়েস স্যার। . অতঃপর ইকবালের ভাইকে সেন্ট্রাল জেলে নিয়ে যাওয়া হল। অপরদিকে গুজব ছড়ানো হল যে পুলিশ কারাগার থেকে গ্যাংস্টার ইকবালের ভাই পালিয়েছে।যাতে ইকবাল ফাঁদে পড়ে পার্থকে ছাড়তে বাধ্য হয়। . এখন সন্ধ্যা ঘনিয়ে এসেছে ।ইকবালের লোকেরাও তাদের আশেপাশে দেখা যাচ্ছে না ।এখনই সুযোগ এখান থেকে পালাতে হবে। রশ্মি থেকে হাত খোলার পদ্ধতি পার্থ আগে থেকেই জানতো। . -পূজা -কি -এখান থেকে পালাতে হবে। -কিভাবে পালাবেন! আমাদেরতো হাত বাধাঁ রয়েছে খুঁটির সাথে। -আমার হাত তো বাঁধা নেই। -আপনার হাত খুললেন কিভাবে? -আগে আমরা এখান থেকে পালায় তারপর সব বলবো। . অতঃপর পূজার হাতের বাঁধা খুলে দিয়ে সকলের চোখের অগোচরে ইকবালের আস্তানা থেকে বেরিয়ে গেল তারা দুজন ।এদিকে,ভাইয়ের পালানোর খবর শুনতে পেল ইকবাল ।অতঃপর . -হাহাহা।এই দেখ পুলিশ ভয় পেয়ে আমার ভাইকে ছেড়ে দিয়েছে আর রিপোর্ট দিয়েছে আমার ভাই পালিয়েছে -ঠিক বলছেন ভাই। শালাদের ভয় বেশি। তাহলে ভাই এখন ঐ পুলিশের ছেলের কি করবেন ? -এখন তো ওদের ছেড়ে দিতে হবে। -এখনই কি ওদের ছেড়ে দিবেন? -ছেড়ে দিবি তবে ওদের চোখ বেঁধে এখান থেকে নিয়ে যাবি যাতে ওরা আমাদের এই গোপন আস্তানার কথা জানতে না পারে। -ওকে বস। . অতঃপর লোকটি গিয়ে দেখল যে ঘরে তাদেরকে আটকে রেখেছিল সেখানে তারা নেই ।তারা পালিয়েছে ।লোকটি দ্রুত ইকবালের কাছে বিষয়টি জানায়। . -বস ঐ ঘরে তো কেউ নেই। -নেই মানে? -বস ওরা পালিয়েছে। -পালালো কিভাবে। তোদের এত মানুষের চোখ ফাঁকি দিয়ে ওরা এখান থেকে পালালো কিভাবে? -বস ওরা মনে হয় এখনও বেশিদূর যেতে পারেনি।আমরা গিয়ে খুঁজলেই ওদের ধরতে পারব।তাছাড়া এই দ্বীপের চারদিকেই নদী।ওরা এই দ্বীপের মধ্যেই থাকবে। -কথা না বলে তাড়াতাড়ি যা।খুঁজে বের কর ওদের।ওরা যদি একবার এখান থেকে বেরিয়ে যেতে পারে তাহলে আমার আস্তানার কথা পুলিশকে জানিয়ে দিবে।আর আমিও ধরা পরে যাব . চলবে. . লেখাঃ #অভ্র_অমৃত


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯১ জন


এ জাতীয় গল্প

→ সুপারস্টার পর্ব-৫
→ সুপারস্টার পর্ব-৪
→ সুপারস্টার পর্ব-২
→ সুপারস্টার পর্ব-১

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now