বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

সুপারস্টার পর্ব-২

"রোমাঞ্চকর গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Ovro Amrito (০ পয়েন্ট)

X -বস ঐ ডিসির ছেলের খবর পাইছি । -কস কি !কই থাকে ডিসির পোলা ? -ঢাকাতে থাকে ।ঢাকা ভার্সিটিতে পড়ালেখা করে । -শালার ডিসি আমার ভাইকে আটকে রেখে ওর পোলারে ঢাকাতে পড়াচ্ছে ? -ভাই এখন কি করব ? -কি করবি মানে ! ডিসির পোলারে তুলে আনবি ।তারপর দেখি আমার ভাইকে কিভাবে আটকে রাখে । -ওকে ভাই । -শোন ওর পোলার আশেপাশে যদি কাউরে পাশ তাহলে তাকেও কিডন্যাপ করে আনবি । -ওকে ভাই । -আমি বান্দরবন গিয়ে কিছুদিনের জন্য গা ঢাকা দিচ্ছি ।ওর পোলারে কিডন্যাপ করে বান্দরবনে আমার আস্তানায় নিয়ে আসবি । -জ্বী ভাই ।আপনি কোনো চিন্তা কইরেন না ।ঠিকমতো কাজটা হয়ে যাবে । . এতক্ষন কথা হচ্ছিলো গ্যাংস্টার ইকবাল ও তার একজন লোক রানার সাথে । ইকবালের ভাইকে পুলিশ ব্যাপক অস্ত্রসহ গ্রেফতার করেছে ।এদিকে ইকবালের বিরুদ্ধেও অনেক কেস আছে তাই সেও বাইরে আসতে পারছে না ।এজন্য যদি ডিসির ছেলেকে কিডন্যাপ করে ডিসিকে থ্রেট দেওয়া যায় তাহলে খুব সহজেই ইকবালের ভাইকে পুলিশ ছেড়ে দিবে ।এজন্য সঠিক প্ল্যানিং নিয়েই এগোচ্ছে গ্যাংস্টার ইকবাল । . অপরদিকে, পার্থ সন্ধ্যার পরে ম্যাচে ফিরছিলো । কিন্তু ফেরার সময় সে খেয়ালই করেনি পূজা তার সামনে সামনে হেঁটে চলছে ।পার্থ খেয়াল না করলেও পূজার চোখে ঠিকই ধরা পড়েছে বিষয়টা ।পূজা ভেবেছে আজকেও পার্থ তাকে ফলো করছে ।আর ফলস্বরুপ ঝাড়ি আনলিমিটেড ফ্রি । . -আচ্ছা আপনার কি লজ্জা ঘৃনা একটুও নেই ।(পূজা) -থাকবে না কেন ? অবশ্যই আছে ।(পার্থ) -আমারতো মনে হয় আপনার এতটুকুও লজ্জা নেই ।যদি একটা কুকুরকেও এতবার বারন করা যেত তাহলে আমার পিছু ছেড়ে দিত ।কিন্তু আপনি ? -তুমি দেখছি পুরোটাই আমাকে ভুল বুঝে বসে আছো ।আমিতো তোমাকে ফলো করছি না । -আমাকে দেখে কি দুধের বাচ্চা মনে হয় আপনার ? -দেখে তো মনে হয় না । আক্কেল দাঁত তো ঠিকই উঠে গেছে । -আচ্ছা শুনুন,আমি জানি আপনি আমাকে ভালোবাসেন ।কিন্তু আমি যে আপনাকে ভালোবাসতে পারব না । কারন আমি অন্য কাউকে ভালোবাসি । -তুমি যাকেই ভালোবাসো না কেন আমাকে তো একদিন ঠিকই ভালোবাসতে হবে । -এতটা কনফিডেন্স কিভাবে ! -কনফিডেন্স না ।তবে মনে হচ্ছে । . তাদের কথা শেষ হবার আগেই একটা কালো রঙের মাইক্রো তাদের সামনে এসে থামলো ।৪ জন লোক নামলো গাড়ি থেকে । . -একি!এরা কারা ।(পূজা) -আমি কি জানি ? (পার্থ) . বলতে না বলতেই দুজনের উপর ক্লোরোফোম স্প্রে করলো লোকগুলো ।সাথে সাথেই দুজন অজ্ঞান হয়ে গেল । তারপর আর কিছু মনে নেই ।যখন জ্ঞান ফিরলো, . -একি!আমি এ কোথায় ? (পূজা) -কারা আমাদের ধরে আনলো এখানে ?(পার্থ) -দেখুন বেশি অভিনয় করতে যাবেন না । -আশ্চর্য!আমি অভিনয় করতে যাব কেন ? -আমি ভালোভাবেই জানি আপনিই আমাকে কিডন্যাপ করেছেন । -তোমাকে কিডন্যাপ করতে যাব কেন ? আমিতো নিজেই কিডন্যাপ হয়েছি । -দেখুন আপনি যাই করুন না কেন তবুও আমার ভালোবাসা পাবেন না ।শয়তান দেহ পাবি তবুও মন পাবি না। -এসব বাংলা সিনেমার ডায়লগ বাদ দাও । এখান থেকে বের হব কিভাবে সেটা খুঁজতে থাকো । -আমিতো কিছু জানি না !আপনি কিডন্যাপ করেছেন আপনিই আমাকে যেতে দিবেন । একবার যদি এখান থেকে বের হতে পারি তাহলে দেখে নিয়েন আপনার কি হাল করি । পৃথীবির সকল কেস আপনার উপর চাপিয়ে দিব । -এই যে ম্যাডাম আগে আমরা এখান থেকে বের হই তারপর নাহয় কেস করবেন ।কিন্তু ততক্ষন পর্যন্ত আপনার মুখটা একটু বন্ধ রাখুন ।দেখি কি করা যায় । -দেখবেন মানে কি ? এখান থেকে বের হবার রাস্তা দেখান । -একে নিয়ে কিছু হবে না ।আমাকেই কিছু করতে হবে ।(মনে মনে) -বিড়বিড় করে কি বলছেন ? -ভাবছি বিয়েটা কবে করা যাবে । চুপ করো আমি দেখি কেউ আছে নাকি ।"এই যে কেউ কি আছেন নাকি"? -বাহ তোদের তো হেব্বি পাওয়ার । ক্লোরোফোমের পাওয়ার এত তাড়াতাড়িই কেটে গেল ।(কেউ একজন) -আপনারা কারা ? আমাদেরকে এখানে কিডন্যাপ করে এনেছেন কেন ? -তোদের সব কথার জবাব বস দেবে । -কোথায় আপনাদের বস ?ডাকুন তাকে । . অতঃপর লোকটি গিয়ে বসকে ডেকে আনলো । . -কিরে পুলিশের বাচ্চা !তোর তো দেখছি হেব্বি কলিজা ।আমার ডেরায় এসে এত জোরে কথা বলার সাহস পেলি কোথায় ? (বস) -কে আপনি ?আর আমাদের কিডন্যাপ করে এনেছেন কেন ? (পার্থ) -আমি তো শুধু তোকে কিডন্যাপ করতে চেয়েছিলাম।কিন্তু তোর সাথে তো গার্লফ্রেন্ডকেও কিডন্যাপ করেছি । -আমার সাথে আপনার কিসের শত্রুতা যে আমাকে কিডন্যাপ করেছেন ? -শত্রুতা তো তোর সাথে নারে বাছা ।তোর বাবার সাথে শত্রুতা । -আমার বাবার সাথে শত্রুতা ! -হ্যাঁ ।তোর বাবার প্ল্যানিংয়ে আমার ভাইকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ।তোর বাবাকে টাকা দিয়ে কিনতে চেয়েছি কিন্তু উনি রাজি হননি ।তাই এবার তোকে কিডন্যাপ করেছি !দেখি এবার তোর বাবা আমার ভাইকে ছেড়ে দেওয়ার অর্ডার না দিয়ে কিভাবে থাকতে পারে ? -তারমানে আপনি গ্যাঁস্টার ইকবাল । যাকে পুরো দেশের পুলিশ খুঁজছে । -এই তো পুলিশের বাচ্চার মতো কথা বলেছিস ।তুইতো দেখি সব খবর রাখিস । -দেখুন আমাদেরকে ছেড়ে দিন তা নাহলে আপনি কিন্তু ধরা পড়ে যাবেন । -হা হা বন্দুক থেকে বের হওয়া গুলিকে ধরা যায় কিন্তু ইকবালকে কেউ কখনোই ধরতে পারে না । -যে যত বড়ই ক্রিমিনাল হোক না কেন ধরা সে একদিন পড়বেই । -তোর সাথে কথা বলে আমার লাভ নেই ।এই ধর মোবাইল তোর বাবাকে কল দে ? . অতঃপর মোবাইল নিয়ে পার্থ তার বাবাকে কল দেয় । . -হ্যালো ।DCP অবিনাশ স্পিকিং ।(পার্থের বাবা) -হ্যালো বাবা ।(পার্থ) -এটা কার নাম্বার দিয়ে কল দিয়েছো ? আর তোমার কন্ঠস্বর এমন শোনাচ্ছে কেন ? -আদাব!ডিসি স্যার । ভালো আছেন ?(ফোনটা কেড়ে নিয়ে ইকবাল বলল) -কে বলছেন ? -ইকবাল ।গ্যাংস্টার ইকবাল.......... . . চলবে........... . লেখাঃ #অভ্র_অমৃত


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৮ জন


এ জাতীয় গল্প

→ সুপারস্টার পর্ব-৫
→ সুপারস্টার পর্ব-৪
→ সুপারস্টার পর্ব-৩
→ সুপারস্টার পর্ব-১

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now