বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
-কি হলো কিছু বলবেন
নাকি আমি চলে যাব ?
(পূজা)
-হ্যাঁ বলবো ।কিন্তু
কিভাবে বলবো ঠিক
বুঝে উঠতে পারছি না ।
(পার্থ)
-দেখুন যা বলবেন
তাড়াতাড়ি বলুন ।
আপনার সাথে এত কথা
বলার সময় আমার
হাতে নেই ।
-আসলে পূজা তোমাকে
আমার ভালো লাগে ।
মনে হয় আমি তোমাকে
ভালোবাসি । -
ঠাসসসস........।কোথায়
আপনি আর কোথায়
আমি ।এত আকাশ
কুসুম চিন্তা করলে
হবে ।আমি একজন
স্টার আর আমি যার
সাথে রিলেশন করব
তাকেও একজন বড়
মাপের স্টার হতে হবে ।
আশা করি আমি কি
বলতে চাচ্ছি সেটা
আপনি বুঝতে
পেরেছেন ।
-হ্যাঁ আমি বুঝতে
পেরেছি ।
-তাহলে এখনও এখানে
দাঁড়িয়ে আছেন কেন ?
যান এখান থেকে ।
.
অতঃপর পার্থ চলে
আসে ।পার্থ ঢাবির
অনার্স ফাইনাল
ইয়ারের ছাত্র ।
স্ক্রিপ রাইটার ও
ইউটিউব সিঙ্গার
হিসেবে অনেকেই তার
নাম শুনেছে ।কিন্তু
কেউ জানে না কে এই
পার্থ ।কারন সে আজ
পর্যন্তও প্রকাশে
আসেনি ।সে সিক্রেট
থাকতে পছন্দ করে ।
এজন্য সে সিক্রেট
সুপারস্টার ।
অপরদিকে,পূজা একজন
স্টার ।দু-একটা
বিজ্ঞাপন করেই সে
নিজেকে স্টার ভাবে ।
পূজা সুপারস্টার
পার্থকে সব সোস্যাল
মিডিয়াতে ফলো
করলেই বাস্তবে
কিন্তু তাকে ইগনোর
করে ।যেটার প্রমান
একটু আগেই পেলেন ।
.
-দোস্ত এভাবে আর
কতদিন ?(আবির)
-কতদিন মানে ।(পার্থ)
-নিজেকে আর কতদিন
লুকিয়ে রাখবি আর
পূজার ইগনোর সহ্য
করবি ।তুইও প্রকাশ
করে দে,তূইও একজন
বড় সেলিব্রেটি ।
-আমি যদি নিজেকে
প্রকাশ করি তাহলে
শুধুমাত্র পূজা না
ক্যাম্পাসের অনেক
মেয়েই আমার সাথে
রিলেশন করতে চাইবে
।
-সেটাই তো ভালো ।পুরো
ক্যাম্পাস তোকে এক
ডাকে চিনবে ।
-নারে আমি
সেলিব্রেটি হতে চাই
না ।এরকম সাধারন
জীবন যাপন করতেই
আমার বেশি ভালো
লাগে ।
-আমি যদি তোর মতো
হতে পারতাম তবে
কবেই নিজেকে
প্রকাশ করে দিতাম ।
-এখন কি তোর এই
জ্ঞানের বাণী শুনতে
হবে ।তার থেকে চলে
স্টুডিওতে যায় ।
-কেন ?
-নতুন গানের মিউজিক
রেকর্ড করতে ।
-চল.....
.
অপরদিকে,
.
-আচ্ছা পূজা ঐ ছেলেটা
তোর পিছু পিছু এত
ঘুরঘুর করে কেন ?
(তিথি)
-কোন ছেলেটা ? (পূজা)
-ঐ যে ফাইনাল ইয়ারের
ঐ ছেলেটা ।কি যেন
নাম ?
-পার্থ !
-হ্যাঁ ।ঐ ছেলেটাই ।সব
সময় দেখি তোর পিছনে
ঘুরঘুর করে ।
-অজকে কি হয়েছে
শুনবি ?
-বল ?
-আজকে ঐ ছেলেটা
বলে কিনা আমাকে
ভালোবাসে ।
-তুই কিছু বললি না ?
-কি আর বলব ।
দিয়েছি কষিয়ে এক
থাপ্পড় ।
-ঠিক করেছিস ।এসব
ছেলেদের ধরে থাপ্পড়
দেওয়াই উচিত ।
সুন্দরী মেয়ে দেখলেই
পিছনে লেগে থাকে ।
-আসলে দোষটা
আমাদের এই সমাজের ।
-আচ্ছা বাদ দে ।তা
তোর ক্রাশকে খুঁজে
পেয়েছিস ?
-ওকে পেলে তো আমি
একেবারে খুনই করে
ফেলতাম ।ওর প্রতিটা
পোস্টে কমেন্ট করি
কিন্তু একটাতেও
রিপলে দেয় না ।
-আচ্ছা ঐ সিঙ্গার
+রাইটার পার্থ আর
আমাদের ক্যাম্পাসের
এই ছ্যাঁচড়া পার্থ এক
নয় তো ?
-হতেই পারে না ।
-তোর নেক্সট এডের
শ্যুটিং কবে ?
-এই তো সামনের মাসে ।
-শুনলাম তোর ঐ
কোম্পানির এডের
জন্য পার্থকে নেওয়া
হবে।
-সত্যি বলছিস ?
-সেটাই তো শুনলাম ।
-তাহলে এবারই হয়তো
আমি পার্থকে দেখতে
পাব আর আমার মনের
কথাগুলো বলতে পারবো
।
.
এভাবেই কেটে যায়
কিছু দিন । একদিন
পূজা শ্যুটিংয়ে
যাচ্ছিল তখনি দেখতে
পায় পার্থ নামক তার
ক্যাম্পাসের সেই
ছ্যাঁচড়া ছেলেটি।
আজকেও ছেলেটি তার
পিছু নিয়েছে ।আজকে
কিছু একটা বলতেই
হবে ।
.
-সমস্যা কি আপনার ?
(পূজা)
-আমার আবার কিসের
সমস্যা থাকতে পারে ?
(পার্থ)
-আপনাকে এর আগেই
আমি বলিনী যে আমি
আপনার ব্যাপারে
ইন্টারেস্টেড না ।
তারপরেও আপনি
আমার ফলো করছেন ?
-দেখো আমি কিন্তু
তোমাকে ফলো করছি
না ।এসব তোমার ভুল
ধারনা ।
-কোনটা ঠিক আর
কোনটা ভুল সেটা আমি
বুঝি ।আপনাকে আমার
সেটা বুঝাতে হবে না ।
এরপর থেকে যদি
আপনাকে আমার
আশেপাশে দেখি তাহলে
কিন্তু তার ফল ভালো
হবে না ।
-আচ্ছা ।
-আমার সামনে থেকে
যান ।যত্তসব ছ্যাঁচড়া
কোথাকার ।
.
অতঃপর পার্থ নিজের
কাজে চলে যায় ।
নিজের কাজ বলতে
গানের ভিডিও শ্যুট
করা ।
.
-কিরে ভাই তোর
এইটুকু আসতে এত
সময় লাগে ? (আবির)
-আর বলিস না ।পথে
তো স্টার পূজার সাথে
দেখা হয়ে গিয়েছিল ।
(পার্থ)
-তো আজকেও ঝাড়লো
নাকি ?
-বলে আমি নাকি ওকে
ফলো করছি ।আরে
ভাই আমার খেয়ে দেয়ে
কাজ নেই যে আমি
ওকে ফলো করতে যাব ।
-ভার্চুয়ালে তো ও
তোকে সবসময় ফলো
করে ।আচ্ছা বলতো
এই মেয়ের মধ্য এমন
কি আছে ?
-আমি নিজেও জানি না
।তবে ওকে ভালো লাগে
।একটু বেশিই ভালো
লাগে ।
-তার থেকে তোর একটা
ছবি আমি আপলোড
করে দিই তখন দেখবি
ওর থেকে অনেক ভালো
ভালো মেয়ে তোর
লাইনে থাকবে ।
-তোর এসব হিটলারী
বুদ্ধি বাদ দিয়ে
তাড়াতাড়ি কাজ শুরু
কর ?
.
অতঃপর ভিডিও শ্যুট
করে ম্যাচে ফিরে দেখে
তার বার নাম্বার থেকে
৫টা মিসড কল ।ফোন
সাইলেন্ট থাকায় সেটা
ঠিক পায়নি ।অতঃপর
সে কল ব্যাক দেয় ।
.
-হ্যালো ! (পার্থের
বাবা)
- বাবা ফোন
দিয়েছিলে ?(পার্থ)
-হ্যাঁ ।কোথায় ছিলে
তখন ?
-ক্লাসে ছিলাম তাই
ফোন ধরতে পারিনি।
(ডাহা মিথ্যা)
-আচ্ছা শোনো তোমার
সুরক্ষার জন্য আমি
দুজন লোক পাঠাচ্ছি।
-তোমার এই গার্ডের
জন্য আমি এত দূরে
এসেছি ।এবার গার্ড
পাঠালে কিন্তু আমি
দেশেই আর থাকব না ।
-গার্ড কি আর
এমনিতে পাঠায় ।তুমি
আমাদের একমাত্র
ছেলে ।তোমাকে নিয়ে
আমরা সবসময়
টেনশনে থাকি ।
-টেনশন করো না আমি
এখানে ঠিক আছি ।
-আচ্ছা শোনো যে
কারনে ফোন
দিয়েছিলাম ।এখন
থেকে একটু সাবধানে
থেকো !
-কেনো বাবা ?
-কারন একজন
সন্ত্রাসী গ্রেফতার
হয়েছে ।ঐ গ্যাংয়ের
বাকি সন্ত্রাসী
তোমাকে কিডন্যাপ
করে আমাকে হুমকি
দিতে পারে ।
-তুমি চিন্তা করো না ।
-বেশি রাত করে বাসায়
ফিরো না ।
-ঠিক আছে ফিরবো না
।
-ভালো থেকো আর
কিছু দরকার হলে
আমায় কল দিও ।
-তোমরাও ভালো থেকো
।
.
বড় মাপের পুলিশের
ছেলে হওয়ার এই এক
সমস্যা ।
.
চলবে......
.
লেখাঃ #অভ্র_অমৃত
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now