বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

এ কেমন ধোকা...!!!

"মজার গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Oliver Queen(ShuvO) (০ পয়েন্ট)

X ইদানিং কেন জানি ওর ব্যবহারে অনেক পরিবর্তন দেখছি। আমার প্রতি অতিরিক্ত যত্ন আর শাষন ভালই লাগছিল। সারাদিন পড়াশুনার পর একটু ফেসবুকে ঢুঁ মারতেই, তার মেসেজ.... -ঐ তোমার না এক্মাম চলছে। -হুম।চলছে তো, ভালোই হচ্ছে.. -তো ফেবুতে কি?? --এই একটু আসলাম আরকি? দেখি তুমি আছো কিনা? -আমি আবার কই যাব! বলছিনা পরীক্ষা শেষ হওয়ার আগে ফেবুতে আশা যাবে না। এক মিনিটের মধ্যে বের হও। পড়তে বস যাও। -হুম,,, বলে বেড়িয়ে আসলাম। ' হঠাৎ মনে হল, আমি তো বের হলাম কিন্তু ও ফেবুতে কি করে। কৌতূহল বশত ফোন দিলাম.... -ঐ আবার ফোন দিছ কেন? বলছিনা পরীক্ষা শেষ হওয়ার আগে কোন কথা নাই। -হুম। কিন্তু পরীক্ষা তো ৭ দিন পর। তো চল আজ একটু দেখা করি প্লিজ। সে রেগে বলে উঠল, দেখা তো দূরের কথা। পরীক্ষা শেষ হওয়ার আগে আর এক মিনিট কথাও না। ফোন রাখো? --আচ্ছা। কিন্তু!! -কিন্তু কি? -আচ্ছা আমি তো ফেবুতে থাকি না কিন্তু তুমি কি করো ওখানে?? -আমাকে কি তোমার সন্দেহ হচ্ছে। আমি তো সারাদিন ফেবুতে থাকি এটা দেখার জন্য যে তুমি আসো কিনা?? --ওহহ,, না না। তোমায় সন্দেহ করবো, ছিঃ এসব কেমনে ভাবো।। লাভ ইউ বাবু!! -হইছে এখন যাও তাড়াতাড়ি, পড়তে বস। আমার একটু হাসি পেল। আমি তো মনে মনে খুশি। আমাকে নিয়ে কেউ এতটা ভাবে, এতটা যত্ন করে, এতটা ভালো বাসে। না সন্দেহ করা টা আমার উচিত হয় নি। ! মনে মনে ওকে নিয়ে ভাবতে ভাবতে একটু পড়লাম। কিন্ত এত পড়লে তো হবে না। একটু বাইরের আলো বাতাস ও প্রয়োজন। বিকেলে একটু হাটার জন্য বের হলাম। রাস্তা দিয়ে হাটতে হাটতে ক্যাম্পাসের দিকে যাচ্ছি। হঠাৎ করে আমার চোখ আটকে গেল। আমি কি ঠিক দেখছি নাকি ভুল দেখছি। নিজের চোখকে যেন বিশ্বাস করতে পারছি না । একটু আগেই যে মেয়েটা আমায় এত এত যত্ন, আদর করে পড়তে বসতে বলল,আমার প্রতি যার উপচে পরা ভালবাসা দেখালো, সে একটা ছেলের সাথে একটা রেস্টুুরেন্টে ঢুকল। ভালভাবে দেখার জন্য আমিও পিছু নিলাম। যদিও পকেটে টাকা নাই তারপরও ঢুকে পড়লাম। ! হ্যা,, আমার লক্ষী প্রেমিকাই। কিছু না বলে চুপচাপ ওর সামনে দাড়ালাম। ও আমায় দেখে অবাক। কি করবে ভেবে পাচ্ছে না। ছেলেটা ইতমধ্যেই বুঝে গেছে আমরা একে অপরকে আগে থেকেই চিনি। ওকে কিছু জিজ্ঞেস করার আগেই ও বলে উঠল,, --আরে মামুন তুই এখানে?? -কে ও? (ছেলেটা জিজ্ঞেস করল) -আরে ও তো আমাদের পাড়ায় থাকে! আমায় আন্টি বলে ডাকে , -আমি কিছুক্ষন স্তব্ধ হয়ে রইলাম। কি বলব বুঝে উঠতে পারলাম না। প্রেমিকা এখন আমার আন্টি। নিজেকে কোনমতে কন্ট্রোল করে। বললাম, -হ্যা ! আন্টি আসলাম খেতে। মেসে রান্না হয়নি। -ওহ আচ্ছা আচ্ছা বসো! (ছেলেটা বলল) -বসে, ইচ্ছা মত অর্ডার করলাম। খেয়ে আবার রাতের জন্য প্যাকেট করে নিলাম। হাজার হলেও আংকেল আন্টি খাওয়াচ্ছে কম তো খাওয়া যায় না।........ তারপর আসার সময়,, আংকেলের ফেবু আইডিটা নিলাম। কেন নিলাম তা হয়ত আমার প্রেমিকা আন্টি বুঝতে পেরেছিল। ! তারপর মেসে উঠে। আমাদের এক সাথে পিক,মেসেজ যা কিছু আছে একখানে করে সেন্ড করব। এমন সময় প্রেমিকা আন্টির ফোন!!!!! ,,,ধরলাম,, -হ্যালো,, আন্টি আমার এক্সাম চলছে। কথা বলার সময় নাই। রাখেন বলে রেখে দিলাম।প্রেমিকা আন্টিও ফোন দিতেই আছে, ধরছি না। মেসেজ দেখলাম,,,, প্লিজ! মামুন তুমি ওকে কিছু দিও না প্লিজ। আমার রিপ্লাই,,, -না, আন্টি আমি এগুলো নিয়ে সময় নষ্ট করতে চাই না। এমনিতেই আমার এক্সাম চলছে। রাখেন পড়তে বসি। লেখকঃ- অলিভার কুইন (শুভ)।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১২৫৯ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-
☆ ☆ ☆ ☆ ☆

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now