বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

বাস্তব কাহিনি

"ইসলামিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান zami (০ পয়েন্ট)

X হযরত ছিদ্দিকে আকবর (রাঃ)- এর স্বপ্ন হযরত ছিদ্দিকে আকবর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) ইসলাম গ্রহণ করার আগে বড় ব্যবসায়ী ছিলেন। একবার তিনি ব্যবসা উপলক্ষে সিরিয়া গিয়েছিলেন। তথায় একরাত্রে তিনি স্বপ্ন দেখলেন যে, আসমান থেকে চাঁদ ও সূর্য নেমে এসে তাঁর কোলের উপর আশ্রয় নিল। তিনি (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) উভয়টাকে ধরে বুকে টেনে নিলেন এবং স্বীয় চাদর খানা উপরে জড়ায়ে দিলেন। ভোরে যখন জাগ্রত হলেন, তখন এ দুর্লভ স্বপ্নের তাবীর জানার আগ্রহে এক পাদরীর কাছে গেলেন। পাদরী পুরা স্বপ্নটা শুনে ওনাকে জিজ্ঞেস করলেন, আপনার নাম কি, কোথাকার অধিবাসী এবং কোন গোত্রের? হযরত ছিদ্দিকে আকবার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) ফরমালেন, আমার নাম আবু বকর, মক্কার অধিবাসী এবং বনী হাশেম গোত্রের অন্তর্ভূক্ত। পাদরী পুনরায় জিজ্ঞেস করলেন, আপনি সৌভাগ্যবান, মক্কার বনী হাশিম গোত্র হতে শেষ নবীর আবির্ভাব হচ্ছে। এ পবিত্র নবী না এলে, আল্লাহ তায়ালা আসমান জমীন সৃষ্টি করতেন না। তিনি সমস্ত নবী রাসূলগণের সরদার হবেন, সবাই তাঁকে ‘মুহাম্মাদুল আমীন’ নামে স্মরণ করব্।হে আবু বকর! এ স্বপ্নের তাবীর হচ্ছে আপনি ওনার ধর্ম গ্রহণ করবেন এবং তাঁর প্রথম খলিফা হবেন। হে আবু বকর! আমি সেই পবিত্র নবীর সম্পর্কে তৌরাত কিতাবে পড়েছি। ইনজিল ও যবুর কিতাবেও তাঁর প্রশংসা বর্ণিত আছে। আমি তাঁর উপর ঈমান এনেছি এবং তাঁর ধর্ম গ্রহণ করেছি। তবে ইয়াহুদীদের ভয়ে স্বীয় ঈমান গোপন রেখেছি। আজ আপনাকে আসল কথা বলে দিলাম। হযরত ছিদ্দিকে আকবার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) এ তাবীর শুনে ভীষণ প্রভাবান্বিত হলেন, তাঁর মনের মধ্যে আমূল পরিবর্তন এসে গেল এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম- এর সাক্ষাত লাভের আগ্রহে অস্থির হয়ে পড়লেন। কালবিলম্ব না করে মক্কায় ফিরে আসলেন এবং নবীজীর খেদমতে উপস্থিত হয়ে নবীজীকে দেখে পরম তৃপ্তি বোধ করলেন। নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও আবু বকরকে দেখে মুচকি হাসলেন এবং ফরমালেন, হে আবু বকর! তাড়াতাড়ি কালেমা পাঠ করে আমার ধর্মে দাখিল হয়ে যাও। হযরত ছিদ্দিকে আকবর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) আরয করলেন, হুযুর! কোন মুজেযা দেখার কি প্রত্যাশা করতে পারি? হুযুর মুচকি হেসে বললেন, সিরিয়ায় যে স্বপ্ন দেখে এসেছ এবং পাদরী থেকে যে তাবীর শুনেছ, সেটাতো আমার মুজেজা। একথা শুনার সাথে সাথে ছিদ্দিক আকবর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) উচ্চস্বরে বলে উঠলেন_ আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসূলুহু। (জামেউল মুজেহাত ৪ পৃঃ, নুজহাতুল মাজালিস ৩০২ পৃঃ)। শিক্ষণীয় বিষয়ঃ হযরত ছিদ্দিক আকবর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) প্রথম খলিফা হওয়াটা আগে থেকে নির্ধারিত ছিল। তৌরাত ও ইঞ্জিল বিশারদগণও এ ব্যাপারে অবহিত ছিলেন। এরপরও যারা তাঁর খেলাফতকে অস্বীকার করে, তারা বড় অজ্ঞ। আমাদের নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আগ-পরের এবং দিন-রাতের সব বিষয় জানতেন, তাঁর কাছে কোন বিষয় অদৃশ্য ছিল না। গুহার সাথী মক্কা মুয়াজ্জামায় যখন কাফিরেরা মুসলমানদেরকে নানা ভাবে কষ্ট দিতে লাগলো, তখন আল্লাহ তায়ালা নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মক্কা মুয়াজ্জমা থেকে অন্যত্র চলে যাওয়ার অনুমতি দিলেন। নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ কথা ছিদ্দিকে আকবরকে জানালেন এবং ফরমালেন, আমি শীঘ্র এখান থেকে অন্যত্র চলে যাব। হযরত ছিদ্দিক আকবর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) আরয করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমিও আপনার সাথে চলে যাব। হিজরতের রাত্রে মক্কার কাফিরেরা নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে শহীদ করার উদ্দেশ্যে তাঁর ঘর ফিরে ফেললো। নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূরা ইয়াসীন তেলাওয়াত করে ওদের সামনে দিয়ে ঘর থেকে বের হয়ে আসলেন অথচ ওরা কেউ তাঁকে দেখলো না। নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘর থেকে বের হয়ে সোজা হযরত ছিদ্দিক আকবর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু)- এর ঘরে তশরীফ নিয়ে গেলেন এবং ফরমালেন, হে আবু বকর! আমি এ মুহূর্তে হিজরত করছি এবং মক্কা ত্যাগ করে চলে যাচ্ছি। ছিদ্দিকে আকবর হুযুরের কাছ থেকে সহযাত্রী হওয়ার অনুমতি পেয়ে আনন্দে কেঁদে দিলেন এবং হুযুরের সাথে যাবার জন্য তৈরী হয়ে গেলেন। নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিদ্দিকে আকবরকে সাথে নিয়ে মক্কা মুয়াজ্জমা থেকে যাত্রা দিলেন। ছিদ্দিকে আকবর কিছুক্ষণ হুযুরের অগ্রগামী আবার কিছুক্ষণ হুযুরের পশ্চাৎগামী হয়ে চলতে লাগলেন। নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর কাছে এর কারণ জিজ্ঞেস করলে, তিনি আরয করেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি চাচ্ছি যে সামনে বা পিছন থেকে শত্রুদের কোন আক্রমন হলে সেটা যেন আমার উপর হয় এবং আমি যেন হুযুরের জন্য উৎসর্গিত হতে পারি এবং হুযুরের জন্য উৎসর্গিত হতে পারি এবং হুযুরের উপর যেন কোন আঘাত না আসে। এভাবে পথ চলতে চলতে তাঁরা ছুর পাহাড়ে পৌছলেন। এ পাহাড়ে একটি গুহা ছিল, যার নাম ছিল হুয়াম গুহা। নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেই গুহায় তাশরীফ রাখার জন্য মনস্থ করলেন এবং সেদিকে এগিয়ে যাচ্ছিলেন, ছিদ্দিকে আকবর আরয করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আপনি একটু দাঁড়ান, প্রথমে আমাকে ভিতরে যাবার অনুমতি দিন। পুরানো গুহা, আমি গিয়ে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করার পর আপনি আসবেন। অতএব, প্রথমে হযরত ছিদ্দিক আকবর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) সেই গুহায় প্রবেশ করলেন এবং সেটা পরিস্কার করতে লাগলেন। সেখানে কয়েকটি গর্ত ছিল। তিনি স্বীয় কাপড় ছিঁড়ে গর্ত গুলোর মুখ বন্ধ করলেন, যাতে কোন বিষধর প্রাণী নবীজীকে কষ্ট দিতে না পারে। কাপড়ের টুকরা শেষ হয়ে যাওয়ায় একটি বিরাট সাপের গর্তের মুখ বন্ধ করতে পারলেন না। তাই হযরত ছিদ্দিক আকবর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) নিজের জানের পরওয়া না করে স্বীয় পায়ের গোড়ালী সেই গর্তের মুখে রাখলেন এবং এটাই চিন্তা করলেন যে, কোন কিছু হলে আমার হোক কিন্তু নবীজীর যেন কোন কষ্ট না হয়। গর্তের মুখে পা রাখার পর নবীজীকে ভিতরে যাবার জন্য আহবান করলেন। নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গুহার ভিতরে তশরীফ নিয়ে গেলেন এবং ছিদ্দিকে আকবরের কোলের উপর নূরানী মস্তক মুবারক রেখে বিশ্রাম নিলেন। এদিকে যে গর্তের মুখে ছিদ্দিক আকবর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) পায়ের গোড়ালী রেখে ছিলেন, সেই গর্তের বিষাক্ত সাপ তাঁকে দংশন করল এবং ভীষণ যন্ত্রণা করতে লাগলো কিন্তু তিনি যথাস্থানে অটল রইলেন যাতে নবীজীর বিশ্রামের ব্যাঘাত না ঘটে। বিষের যন্ত্রনায় ছিদ্দিকে আকবরের চোখ দিয়ে পানি বের হয়ে আসলো এবং কয়েক ফোটা নবীজীর গায়ে পড়লো। নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিদ্দিকে আকবরের কাছে ক্রন্দনের কারণ জিজ্ঞেস করলে, তিনি আরয করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমার মা-বাপ আপনার জন্য উৎসর্গিত হোক, আমাকে সাপে কামড় দিয়েছে। নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন স্বীয় থুথু মুবারক লাগিয়ে দিলেন এবং সাথে সাথে বিষক্রিয়া বন্ধ হয়ে গেল। নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও ছিদ্দিক আকবর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) যখন গুহায় প্রবেশ করছিলেন, তখন গুহার অদূরে একটি বৃক্ষ ছিল। নবীজীর নির্দেশে সেই বৃক্ষ স্বীয় জায়গা থেকে সরে গুহার মুখে এসে অবস্থান নেয়। ফলে এ রকম মনে হচ্ছিল যে বৃক্ষটি এখানেই গজিয়ে উঠেছে। বৃক্ষের শাখা-প্রশাখায় গুহার মুখ বন্ধ হয়ে গেল এবং আল্লাহ তায়ালা তখন এক মাকড়সা প্রেরণ করেন, যেটা সেই বৃক্ষের শাখায় জাল তৈরী করলো। এসব আয়োজন এ জন্য করা হয়েছিল যে কাফিরেরা নবীজীর সন্ধানে এখানে এসে উপস্থিত হলে, এবং গুহার মুখে বৃক্ষ ও এর শাখায় মাকড়সার জাল দেখলে, ওদের মনে যেন এ রকম কোন সন্দেহও সৃষ্টি না হয় যে, নবীজীর ভিতরে প্রবেশ করেছেন। এদিকে কাফিরেরা যখন জানতে পারলো যে, নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবু বকরকে সাথে নিয়ে মক্কা ত্যাগ করেছেন, তখন তারা খুবই আশ্চর্য হয়ে গেল এবং এদিক সেদিক তালাশ করতে লাগলো এবং নবীজীকে খুঁজে বের করার জন্য কয়েকজন অনুসন্ধানকারী নিয়োগ করলো। ওদের মধ্যে একজন পদচিহ্ন অনুসরণ করতে করতে গুহার মুখে এসে উপস্থিত হলো। কিন্তু এরপর ডান দিকে গেল, নাকি বাম দিকে গেল, এর কোন হদিস খুঁজে পাচ্ছিল না। এর মধ্যে আরও কয়েক জন কাফির এসে তথায় একত্রিত হলো কিন্তু সামনে অনুসন্ধান করার জন্য কোন চিহ্ন খুঁজে পেল না। সবাই ওখানে দাঁড়িয়ে রইলো। ছিদ্দিকে আকবর গুহার মুখে কাফিরদের পদচারনা দেখে চিন্তায় অস্থির হয়ে পড়লেন। নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ওনাকে সান্তনা দিয়ে বললেন, কোন চিন্তা করো না, আল্লাহ আমাদের সাথে আছে। আমাদের সাথে আছে। ইত্যবসরে কাফিরদের মধ্যে একজন বললো, “কেউ গুহার ভিতর গিয়ে একটু দেখে আসতে পার।” অন্যরা এ কথা শুনে ওকে বোকা বানিয়ে ছাড়লো এবং বললো, গুহার মুখে বৃক্ষের ডাল-পালা ছড়ায়ে রয়েছে এবং মাকড়সা জাল বুনেছে। যদি কেউ ভিতরে যেত, তাহলে এ ডাল-পালা ও জাল ছিন্নভিন্ন অবস্থায় দেখা যেত। তাই এ রকম যেহেতু দেখা যাচ্ছে না, সেহেতু কেউ ভিতরে যাবার প্রশ্নই আসে না। অতএব ওরা নিরাশ হয়ে ফিরে গেল এবং নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও ছিদ্দিক আকবর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) আল্লাহর হেফাজতে সম্পূর্ণ নিরাপদে রইলেন। (কুরআনুল কারীম ১০ম পারা, ১২ রুকু, মিশকাত শরীফ ৫০ পৃঃ, রুহুল বয়ান ১ম খন্ড ৯০২ পৃঃ)। সবকঃ ১. কুরআনে পাকে এ ঘটনার প্রেক্ষিতে আল্লাহ তায়ালা ছিদ্দিকে আকবরকে নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম- এর সাহাবী বলে আখ্যায়িত করেছেন। অতএব যে ব্যক্তি ছিদ্দিকে আকবরকে সাহাবী বলতে আস্বীকার করে, সে কাফির। সবকঃ ২. নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন- চিন্তা করো না, আল্লাহ আমাদের সাথে আছেন বলে এটা সুস্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দিলেন যে, আল্লাহ তায়ালা ছিদ্দিকে আকবর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু)- এর সাথে আছেন। এতে প্রমাণিত হলো যে, নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম- এর পরেছিদ্দিকে আকবর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু)- এর খলিফা হওয়াটা বরহক ছিল এবং তিনি আত্মসাৎকারী ও অত্যাচারী ছিলেন না। কারণ আল্লাহ তায়ালা আত্মসাৎকারী ও জালিমের সহায়ক হন না। এরপরও যদি কোন জালিম হযরত ছিদ্দিক আকবর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু)- কে জালিম বলে, তাহলে সে যেন (লা তাহযান ইন্নাল্লাহা মা’আনা) এ আয়াতকে অস্বীকার করলো। সবকঃ ৩. হিজরতের রাতে নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হযরত ছিদ্দিক আকবর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু)- এর ঘরে গিয়ে ওনাকে সাথে নিয়ে বের হওয়া এবং ছিদ্দিকে আকবর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) সব কিছু ত্যাগ করে নবীজীর সাথে বের হয়ে পড়াটা প্রমাণ করে যে, ছিদ্দিকে আকবরের প্রতি নবীজীর এবং নবীজীর প্রতি ছিদ্দিকে আকবরের সীমাহীন মহব্বত ছিল। সবকঃ ৪. নবীজীকে গুহার বাইরে রেখে ছিদ্দিকে আকবর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) প্রথমে নিজে ভিতরে প্রবেশ করাটা, নিজের কাপড় ছিড়ে গর্ত গুলোর মুখ বন্ধ করাটা এবং একটি গর্তের মুখে নিজের পায়ের গোড়ালী রাখাটা প্রমাণ করে যে, ছিদ্দিকে আকবরের কাছে নিজের জান-মালের চেয়ে নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অধিক প্রিয় ছিলেন এবং এটা পূর্ণ ঈমানের নিদর্শন, যেটা ছিদ্দিকে আকবরের মধ্যে পরিলক্ষিত হয়েছে। সবকঃ ৫. ক্ষতস্থানে নবীজীর থুথু মুবারক লাগিয়ে শেফাদান করাটা প্রমাণ করে যে, নবীজীর থুথু মুবারকও বলা মুছিবত দূরীভূতকারী। সবকঃ ৬. নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম- এর নির্দেশ পালন পূর্বক বৃক্ষ স্বস্থান থেকে সরে গুহার মুখে এসে যাওয়াটা প্রমাণ করে যে, আমাদের নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম- এর নির্দেশ, হস্তক্ষেপ সৃষ্টিকুলের প্রতিটি অনু-পরমানুর উপর চলে।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১২০১ জন


এ জাতীয় গল্প

→ বাস্তব কাহিনি..........

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now