বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

অসমাপ্ত ভালোবাসা

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান পৃথিবীর সবচেয়ে খারাপ ছেলে (০ পয়েন্ট)

X >> আচ্ছা তুমি কয়টা সিম চালাও? (মেয়ে) > ফোন চালাও কয়টা? > হ্যা জানি একটা, আমার এখন মনে হচ্ছে আরো ফোন আছে তোমার আরো সিম কার্ড আছে তোমার। > কালকে তোমাকে আমি কয়টা কল দিছি মনে হয় ১০০ কল দিছি একটাও রিসিভ করছো তুমি? কি করো সারাদিন বাসায়? > অামার কথা কি তোমার কানে যায় না? আমি তোমাকে কি জিঙ্গাসা করছি? > বলদের মতো হাসো কেন হ্যা? প্রশ্ন করছি উত্তর দেও। আর কয়টা প্রেম করো? কয়জনকে ধোকা দিছো? > ওই এগুলা কি খেলো হ্যা,? বাচ্চাদের মতো > না আমি তোমার কোন কিছু খেতে চাই না? অন্যদিক মুখ ফিরিয়ে বললো মেয়েটা। > মেয়টা অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে ছেলটার দিকে প্রায় এক মিনিট এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে ছিলো। হটাৎ ভাবনায় ফিরে গেলো, এতো সেই ছেলে যে প্রতিদিন দেখা করার জন্য নেকামো করতো, দেখা করার সময় ১ ঘন্টা আগে এসে বসে থাকতো, প্রতিটা ঘন্টায় ফোন দিতো আমি খেয়েছি কিনা খবর নিতো, কি দিয়ে খেয়েছি কোনটা খেলে কি হয় কোনটা বেশি করে খাবো সব কিছুর খবর নিতো, এতো সেই ছেলে আমার ফোন অফ থাকলে পরের বার ফোন করে কান্না করে দিতো বারবার বলতো কি হয়েছে তোমার, আমি এতো রাগারাগি করতাম তাও কথা বলার জন্য পাগল থাকতো, নতুন কাউকে দেখছি নাতো, এই ৭ দিনে এতো পাল্টে গেলো কেন আমাকে কি এখন আর নাকি আমার জায়গায় অন্য কারো স্থান দিছে ভাবতে ভাবতে মেয়েটার চোখের কোনে একফোটা জল চিকিচিক করছে। > কোই কাদছি, আর আমি কাঁদবোই কেন? > কেন এখন আবার অন্য কারো সাথে দেখা করতে যাবা নাকি? > মেয়েটা এখনো ছেলেটার দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। >> এবার ছেলেটা আস্তে করে বললো মা আজ ৭ দিন খুব অসুস্থ, বাবা অফিসে থাকে, আমরা তো আর তোমাদের এতো বড় লোক নোই যে চারপাচ জন কাজের লোক থাকবে বাবা ছোট্টখাট্টো চাকরি করে তারউরেই চলে, এখন বাসার সব কিছু আমাকেই করতে হয়, রান্না করা মাকে ঔষধ খাওয়ানো সকালে নাস্তা বানানো সব কিছুই মোটামুটি পারি এবং করি মায়ের ঔষধ খাওয়ার টাইম হইছে সেজন্য তাড়াতাড়ি বাসায় যেতে হবে। >> মেয়েটার চোখ থেকে একফোটা জল পরে গেলো। > মেয়েটা এবার হেসে দিয়ে বললো চলো উঠো তাড়াতাড়ি । > মা কে ঔষধ খাওয়াতে হবে না, টাইম হইছে > হ্যা আজ দুপুরের রান্নাটা আমি করবো তারপর শাশুড়িকে নিজে খাওয়াবো। > চুপ কোন কথা নাই উঠো রিকসায়। > তোমার মা অসুস্থ আগে বললা না কেন? > মেয়েটা হেসে দিয়ে ছেলেটার কাদে মাথা রাখলো। আর ভাবতে লাগলো পাগলটা আগের মতোই আছে। রিকসা চলতে থাকে ছেলেটার বাসার ঠিকানায়।।।।। ভালবাসার গল্পকথক#পাগলীর পাগল#


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১১০ জন


এ জাতীয় গল্প

→ অসমাপ্ত ভালোবাসা
→ অসমাপ্ত ভালোবাসা
→ অসমাপ্ত ভালোবাসা
→ অসমাপ্ত ভালোবাসা ২
→ অসমাপ্ত ভালোবাসার গল্প
→ অসমাপ্ত ভালোবাসা
→ অসমাপ্ত ভালোবাসা
→ অসমাপ্ত ভালোবাসা---০১
→ অসমাপ্ত ভালোবাসা
→ ভালোবাসার অসমাপ্ত গল্প
→ অসমাপ্ত ভালোবাসা
→ অসমাপ্ত ভালোবাসা
→ অসমাপ্ত ভালোবাসা
→ অসমাপ্ত ভালোবাসা

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now