বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
সাদিয়া মেয়েটি স্বভাবতই অভিমানী।কথায় কথায় অভিমান করে।আর তাঁর অভিমান ভাঙাতে রিফাতকে অনেক কসরত করতে হয়।এমনই এক জন্মদিনে সাদিয়া রিফাত কে ফোন দিয়ে বলে,এই শুনছোআছে।মার বার্থডে তে আমার সব বন্ধুকে দাওয়াত দিয়েছি।তুমি আসার সময় বড় একটা কেক আনবে।রিফাত বেশ চিন্তিত।কেননা,মাসের শেষ।হাতে টাকা-পয়সা নেই বললেই চলে।অতি কষ্টে কিছু টাকা সংগ্রহ করে কেক কেনার পরিবর্তে সাদিয়ার জন্যে একটা ঘড়ি কিনলো।অত:পর তাঁদের বাসায় গেল।সাদিয়া বলল,এই তুমি এসেছ আমিতো চিন্তায় পড়েছিলাম।কই কেক কই।রিফাত বলল,একটু সাইডে আসো তুমাকে সব বলছি।সাদিয়া:আচ্ছা বলো কেক কই।রিফাত বললো,দেখ কেকের অনেক দাম।আর এদিকে মাস শেষ।তাই তুমার জন্যে এই একটা গিফট।সাদিয়া রেগে বললো আমি তুমায় কেক আনতে বলেছি।এখন কী দিয়ে সেলিব্রেট করবো।রিফাত বললো,ব্যাপারটা একটু বুঝো।সাদিয়া,আমার বন্ধুদের কী জবাব দিবো।যাও তুমার সাথে আর যোগাযোগ রাখবো না।রিফাত চলে আসে বাসায়।এরপর কিছুদিন কেটে যায়।তাঁদের আর যোগাযোগ হয় না।হঠাৎ জানতে পারে সাদিয়ার বিয়ে ঠিক হয়েছে।রিফাত সাদিয়াকে ফোন দেয়,হ্যালো, হুম বলো।তুমি কী এখনোও রাগ করে আছো।নাহ্ রাগ করবো কেন সামনের সপ্তাহে আমার বিয়ে। তুমার দাওয়াত রইল।রিফাত বললো,তুমি কী আমার দেয়া গিফটা খুলে দেখেছিলে।সাদিয়া:নাহ্ তো।রিফাত বলে,কাল প্লিজ একবার আমার সাথে দেখা করো।এটাই আমাদের শেষ দেখা।কথা দিলাম আর তুমাকে বিরক্ত করবো না।সাদিয়া:আচ্ছা ঠিক আছে।রিফাত বলে:গিফট টা খুলে দেখ একটা চমতকার জিনিস আছে তা সাথে নিয়ে আসবে কিন্তু।সাদিয়া বলে ঠিক আছে।পরদিন আসার আগে গিফ্ট টা খুলে দেখে একটা ঘড়ি।সাদিয়া বলে এটা কী এমন চমতকার জিনিস।পরে চলে যায়।যেখানে তাঁদের দেখা করার কথা।সেখানে গিয়ে দেখে অনেক মানুষ জড়ো হয়ে আছে।সাদিয়া কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে ওই ভিড়ের মাঝে গিয়ে দেখে রিফাতের লাশ।সাদিয়া কাদতে শুরু করে।এইদিকে ঘড়িতে বারটা বাজার সাথে সাথে বলতে শুরু করে I love you Sadeya.সাদিয়া বুঝতে পারে ঘড়িটা সত্যিই দারুণ।তারপর চিতকার করে কাদতে কাদতে বলে প্লিজ একবার চোখ খুলো,দেখ তুমার সাদিয়া তুমার জন্য বসে আছে।আমার আর কিচ্ছু চাইনা,শুধু তুমাকে চাই।কিন্তু এসব বলে কী আর রিফাত কে ফিরিয়ে আনা সম্ভব।অত:পর এম্বুলেন্স এসে নিয়ে যায় রিফাতকে।হুম অবশেষে চলে যায় সাদিয়ার পাগল রিফাত।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now