বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
#md sumom al hasan-Writing by
Part-2
.
কলেজের অনেক মেয়েই ওর
জন্য পাগল বাট ও এই সব প্রেম
টেম এ বিশ্বাস করে না।তার
ও একটা কারন অাছে স্কুল
লাইফে নাকি একটা মেয়ের
সাথে প্রেম করতো মেয়েটা
নাকি অনেক সুন্দরী ছিলো ৪
মাস পর একদিন মেয়েটার
সাথে একটা ছেলেকে দেখে
ফায়াজ।
মেয়েটা ছেলেটার হাত
ধরে হাটছিলো।
এর পর ফায়াজ ওরে ফোন দেয়
জিগ্যেস করে কি করো?
মেয়ে নাকি বলেছিলো
স্কুলে অাছি। এর পর ফায়াজ
ফোনটা রেখে দেয়। ফায়াজ
মেয়েটাকে অনেক বিশ্বাস
করতে। অনেক কষ্ট
পেয়েছিলো তখন ওর এস এস
সি পরিক্ষা চলছিলো। ঔ
দিন ও অনেক কেঁদেছিল।
ফায়াজের আম্মু ওদের
সম্পর্কের কথা জানতো।
উনিও অনেক কষ্ট
পেয়েছিলেন। তখন অান্টি
ফায়াজের পাশে ছিলেন।
তবে সবচেয়ে বড় চাপ
অাসলো ফায়াজের
পরীক্ষায়। ডিপ্রেশনের জন্য
রেজাল্ট একটু খারাপ
হয়েছিলো, এমন অবস্থায়
নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করা খুব
কঠিন ওর জায়গায় অামি
থাকলে কয়েক সাবজেক্ট এ
লাড্ডু মেরে দিতাম।
ওর রুম থেকে বের হয়ে
কিচেনে গিয়ে খাবার গুলো
রেখে অামার রুমে চলে
গেলাম, ফ্রেশ হয়ে এশে
দেখি ফায়াজ ঘুম থেকে
উঠছে।
-কিরে কখন অাসলি?
=কিছুক্ষণ হলো।
-ডাক দিস নি কেনো?
=ঘুমাচ্ছিলি তাই।
-খাবার অানছিস?
=হে
কই যাচ্ছিস?
-কিচেনে খাবার গুলো গরম
করবো।
=তোর গরম করা লাগবে না,
অামি করবো। দেখি জ্বর
কেমন?
ওর কপালে হাত দিয়ে
দেখলাম একটু কমেছে। যা
ফ্রেশ হয়ে ডাইনিং অায়
অামি খাবার গুলো গরম করি
একসাথে খাবো।
=অাচ্ছা।
কিচেনে খাবার গরম করছি
এমন সময় ফোন দিলো মিম।
কল ধরার পর কিছুই বলে না
এক মিনিট পর বলে
-অামি কাউকে মিস
করতেছি না
=হুম
-অামি কাউকে একটুও
ভালোবাসি না
=হুম
-তুমি এতো সেলফিশ কেনো?
একবার ফোন ও দিলা না।
=অামার ফোন এ টাকা
ছিলো না
-এখন কোথায় তুমি?
=কিচেনে খাবার গরম করি
-বুয়া অাসে নি?
=নাহ।
-ফায়াজ ভাইয়া কেমন
অাছে?
=মোটামুটি ভালো জ্বর একটু
কমেছে। তুমি লাঞ্চ করছো?
-নাহ এখন খাবো।
=অাচ্ছা যাও খেয়ে ফোন
দিও।
-ওকে বাই।
খাবার গরম করা শেষ
ডাইনিং এ খাবার গুলো
নিয়ে গিয়ে দেখি ফায়াজ
বসে অাছে। দুজন একসাথে
খাবার খেলাম।
,
দুই দিন পর ফায়াজের জ্বর
ভালো হলো। অাজ শুক্রবার
দুপুরে জুম্মার নামাজ শেষ
করে অামি অার ফায়াজ
বাসায় অাসছিলাম এমন সময়
আম্মা বাড়ি থেকে ফোন
দিছে কল ধরার পর আম্মা
বল্লো ছেলে পক্ষ তমা কে
দেখে পছন্দ করছে, অাংটি
পরিয়ে গেছে অাগামি
শুক্রবার তমার বিয়ে তুই
ফায়াজ কে নিয়ে দুই-একদিন
দিন এর মধ্যে বাড়িতে
অায়।
=অাচ্ছা ঠিক অাছে।
আম্মা ফোন রেখে দিলো।
বাসায় ঢুকতে ঢুকতে
ফায়াজকে বল্লাম অামার
কাজিন তমার বিয়ে
অাগামি সপ্তাহে আম্মা
তোরে নিয়ে যাইতে বলছে -
অাচ্ছা যাবো, এই সুযোগে
তোর গ্রামের বাড়িটা ও
দেখা হবে।
অামি তো ভাবছিলাম তুই
রাজি হবি না থেংকস্ বন্ধু
খুশিতে জড়িয়ে ধরলাম
ফায়াজকে।
তিন দিন পর অামি অার
ফায়াজ একসাথে বাড়িতে
অাসলাম প্রায় চার মাস পর।
বাস থেকে নেমে একটা
রিক্সা নিয়ে বাসার দিকে
যেতে থাকলাম।বর্ষার শেষ,
চারপাশে ধান খেত ফায়াজ
কেমেরা দিয়ে গ্রামের
ছবি তুলছে।
১৫ মিনিট পর অামরা বাসায়
এসে পৌছালাম। অামাদের
বাড়িটা অনেক বড়। দুই
চাচা অার অামরা এক
সাথেই এই বাড়িতে থাকি।
বাড়িতে অাজ অনেক মানুষ
বিয়ে বাড়ি তো তাই, বড়
ভাইয়ার বিয়ের সময় অারো
অনেক মানুষ হয়েছিলো।
ছোট বোন রিয়া অামাদের
বাসায় ঢুকতে দেখে দৌড়ে
গিয়ে আম্মাকে ডাকতে
গেলো। একটু পর বাসার সবাই
এসে অামাদের ঘিড়ে
ধরলো। ফায়াজ রিতিমতো
অবাক হয়ে গেলো আম্মা
এসে ফায়াজকে বল্লো তুমি
অাসছে বাবা অামরা
অনেক খুশি হয়েছি। অাবির
বাসায় সব সময় শুধু তোমার
কথায় ই বলে। তোমার
শরীরের এখন কি অবস্থা?
-জ্বি অান্টি এখন ভালো
অাছি।
এর পর অান্টি বাসার সবার
সাথে অামার পরিচয়
করিয়ে দিলেন।
অাবির বল্লো অামরা কি
এইখানে দাড়াই থাকবো
নাকি ভিতরে জাইতে
দিবা।
তার পর অান্টি অামাদের
কে ভিতরে গিয়ে ফ্রেশ
হতে বল্লো। অাবির
অামাকে ওর রুম এ নিয়ে
গেলো। অাবিরদের
বাসাটা অনেক সুন্দর অনেক
পুরনো দোতালা বাড়ি,
অাবিরের ছোট চাচা
গ্রামের চেয়ারম্যান, এই
গ্রাম এ ওদের ভালো প্রভাব
অাছে।
অাবির অামাকে একটা
তোয়ালে দিয়ে বল্লো যা
গোসল করে নে।
ব্যাগ থেকে টাউজার অার
গেঞ্জি বের করে বাথরুম এ
গেলাম।
গোসল শেষ করে এসে দেখি
অাবির ফোনে কথা বলছে।
একটু পর ফোনে রেখে গোসল
করার জন্য অাবির বাথরুম এ
ঢুকলো।
কিছুক্ষণ পর রিয়া রুম এ
অাসলো ভাইয়া আব্বু
অাপনাকে ডাকছে।
-অামাকে?
=হে অাপনাকে।
অামি বল্লাম অাচ্ছা চলো।
অাংকেল এর রুম এ অাসার
পর, অাচ্ছালামুঅালাইকুম
অাংকেল ভালো অাছেন?
-অঅালাইকুম অাচ্ছালাম
এইতো বাবা বুড়ো মানুষের
অার ভালো থাকা। প্রেসার
টা একটু বেড়েছে।তুমি
দাড়িয়ে অাছো কেনো
বসো।
=সমস্যা নেই অাংকেল।
-অারে লজ্জা পাবার কিছু
নেই তুমি তো অামাদের
পরিবারের ই একজন।
=জ্বি অাংকেল।
-তার পর বলো তোমার
শরীরের কি অবস্থা? তেমার
অান্টি বলছিলো তোমার
নাকি জ্বর ছিলো?
=জ্বি অাংকেল, জ্বর ভালো
হয়ে গেছে। এখন ভালো
অাছি।
=শুনে ভালো লাগলো।
তোমার অাব্বু-আম্মু ভালো
অাছেন?
-জ্বি অাংকেল সবাই ভালো
অাছেন।
এমন সময় অাবির ওর বাবার
রুম এ অাসলো।
-আম্মা নিচে ডাকতেছে
খাবি অায়।
বলেই রুম থেকে চলে গেলো।
=অাচ্ছা অাংকেল অামি
যাই। পরে এসে কথা বলবো।
-অাচ্ছা বাবা যাও।
.
চলবে..........
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now