বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
When proverty comes in at the door,love flies out of thewindow.
X
ছেলেটির নাম রিফাত।ক্লাস এইটে পড়ে।আর মেয়েটির নাম সাদিয়া।সে ক্লাস ফাইভে পড়ে।কোনোও এক আকষ্মিক ঘটনার মাধ্যমে মেয়েটির ছেলেটিকে ভালো লেগে যায়।মেয়েটি ছেলেটিকে তাঁর মনের কথাগুলো বলার চেষ্টা করে।কিন্তু সে সুযোগ যে আর হয়ে উঠেনা।একদিন ছেলেটির এক ভাগনিকে মেয়েটি তাঁর মনের কথা বলতে বলে।ছেলেটির ভাগনি ছেলেটিকে সবকিছু খুলে বলে।কিন্তু ছেলেটি ছিল বোকা স্বভাবের।তাই বেশি কিছু বুঝতে পারে না।একদিন হঠাৎ মেয়েটি ছেলেটিকে খুজতে ছেলেটির বাসায় যায়।কিন্তু খুঁজে পায়না।ছেলেটি জানতে পারে যে মেয়েটি তাঁর খুঁজে বাসায় এসেছিল।তারপর ছেলেটি মেয়েটির কাছে গিয়ে বলে,তুমি কী চাও।মেয়েটি উত্তর দেয় আপনাকে চায়।তারপর ছেলেটি একটু বিব্রত বোধ করে।পরে আবার বলে আমার বাসায় কেনো গিয়েছিলে।মেয়েটির উত্তর আপনাকে কোথাও দেখতে না পেয়ে বাসায় গিয়েছিলাম।ছেলেটি একটু ভেবে আবার বলে,আমাকে তোমার দেখতে হবে কেন? মেয়েটি বলে: আপনাকে দেখতে না পেলে কেমন যেন অনুভুতি হয়।এইভাবেই চলতে থাকে ছেলেটি আর মেয়েটির প্রেম।একদিন হঠাৎ ছেলেটি আর মেয়েটিকে দেখতে পায় না।ছেলেটি চিন্তিত হয়।তারপর ছেলেটি ভাগ্নির কাছ থেকে জানতে পারে মেয়েটির মা-বাবা তাঁদের প্রেমের কথা জানতে পারে।সেযন্য মেয়েটিকে ঘর থেকে বাহির হতে দেয়না।তারপর ছেলেটি অনেক কষ্টে কয়েকদিন পার করে।তারপর হঠাৎ একদিন মেয়েটিকে স্কুলে দেখতে পায়।ছেলেটি মেয়েটির সাথে কথা বলতে গেলে মেয়েটি কথা না বলে দৌড় দিয়ে বাসায় চলে যায়।তারপর মেয়েটির বাসা হতে মেয়েটির বাসা হতে মেয়েটির মা এসে ছেলেটিকে বলে দেখো বাবা, আমার মেয়েটি অনেক ছোট।আর তাঁর বাবা অনেক রাগি মানুষ।তোমাদের সম্পর্কের কথা জানতে পেরে মেয়েটিকে অনেক মারধোর করে।আরোও বলে যদি তোমার সাথে কোনোও সম্পর্ক রাখে তাহলে তাঁর পড়ালেখা বন্ধ করে দিবে।সবশুনে ছেলেটি বলে,আচ্ছা আন্টি আমি আমার ভালবাসার কথা ভুলে যাবো,,তবুও সাদিয়ার পড়ালেখা বন্ধ যেন না হয়।আর কয়েকদিন পর ছেলেটির (jsc)পরীক্ষা।আর মেয়েটির. (Psc)পরীক্ষা।তারপর হতে আর যোগাযোগ হয়নি।ছেলেটির পরিক্ষাও শেষ।এইদিকে মেয়েটির পরিক্ষাও শেষ।কিন্তু ছেলেটা লক্ষ্য করলো মেয়েটিকে আর দেখা যাচ্ছে না।তারপর খবর নিয়ে দেখে মেয়েটির পরিবারসহ গ্রামের বাড়িতে চলে গিয়েছে।ছেলেটি অনেক কান্না করে।আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করে আবার যেন মেয়েটির সাথে তাঁর দেখা হয়।আল্লাহ বোধহয় তাঁর দুয়া কবুল করে।একবছর হঠাৎ মেয়েটির সাথে দেখা হয় ছেলেটির।তারপর জানতে পারে মেয়েটির বিয়ে হয়ে গিয়েছিলো।কিন্তু মেয়েটি যে শুধু ছেলেটিকেই ভালবাসে সে জন্যই মেয়েটি বিয়ের দিন রাতেই বিষ খেয়ে আত্নহ্ত্যা করার চেষ্টাকরে।কিন্তু মৃত্যু কী এতোই সহজ। তারপর মেয়েটির বিয়ে ভেংগে যায়।সবশুনে ছেলেটি বলে জানো তুমার জন্য কত মেয়েকে না করে দিয়েছি।আমার বিশ্বাস ছিলো তুমি আসবেই।অত:পর তুমি আসলে।আবার শুরু হয় মেয়েটির সাথে ছেলেটির সম্পর্ক শুরু হয়।এভাবে চলে যায় মাস তিনেক।পরে মেয়েটি ছেলেটির কথা তাঁর মা-বাবার কাছে বলে।পরে সব কিছু ঠিক হয়েও ছেলেটির সাথে আর মেয়েটির যোগাযোগ হয় না।অবশেষে ছেলেটিই একদিন মেয়েটির বাসায় যায়।এবং জানতে পারে তাঁর সাথে মেয়েটির বিয়ে দিবে না।ছেলেটি কারণ জানতে চাইলে মেয়েটির মা বলে অভাবে ভালবাসা টিকে থাকে না।ছেলেটীও বুঝতে পারে আমার কিইইবা আছে।আর আমি মেয়েটিকে বিয়ে করে কী খাওয়াবো।অত:পর এক সম্ভ্রান্ত বড়লোকের সাথে মেয়েটির বিয়ে হয়ে যায়। ছেলেটি শুধু একটা কথা মনে করে When proverty comes in at the door,love flies out of the window.অনুবাদ:অভাব যখন দরজায় কড়া নাড়ে, ভালবাসা তখন জানালা দিয়ে পালায়ন করে।অত:পর পাচবছর পর ছেলেটি এখন এক কম্পানীর মালিক এবং মেয়েটির স্বামী সেই কম্পানির চাকরিজিবী।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now