বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
গল্প :#ওয়ার্ল্ড_কাপ_আর_সাথে_জ্বালাময় সিনিয়র তিনটা গার্লফ্রেন্ড !!!
Writer : Pantha Shahria !!!
- কী কপাল আমার... অন্য পোলাদের
কপালে একটাই জোটা না... আর
আল্লাহ্ তালা আমার কপালে তিন
তিন খান গার্লফ্রেন্ড দিয়া দিছে..
কে জানতো যে পরে এমন জ্বালা
সহ্য করতে হবে...তিনটাই আবার
সেই লেভেল এর কিউটুসি.. তাই
তো প্রপোজ করার সময় কাউরে
না করতে পারি নাই...
হে আল্লাহ্ গার্লফ্রেন্ড দিবা ভালো
কথা তাই বলে এই ওয়ার্ল্ড কাপ
খেলার সময় দেওয়া লাগবে..
তিনটাই আবার সেই লেভেল এর
ফুটবল খোঁর...
সবাই আবার একি কলেজে একা ক্লাসে
পড়ে..
আমার থেকে এক বছর এর
সিনিয়র...
তবে এক দিক দিয়ে ভালো তিন জন
তিন জনরে সহ্য করতে পারে না...
আমার একটাই চিন্তা যদি জানতে
পারে যে আমি একা তিনজনের
সাথে.....
সেই দিনই আমার মৃত্য অনিবার্য...।
পরিচয় টা দিয়ে ফেলি তাইলে...
আমি সাহরিয়া.. আর আমার
সিনিয়র তিনটা গার্লফ্রেন্ড
হচ্ছে....।
প্রথমটা নীলা আপু... কথায়
কথায় থাপ্পড় মারে... সে তো
আবার পুরাই আর্জেন্টিনা পাগলি।
মেসির পরেই তার দ্বিতীয় ক্রাশ আমি।
দ্বিতীয় নিধি আপু... খুব ডেঞ্জারাস
কোন পোলা তাঁর তিন হাত দূরে
ঘেঁসতে পারে না...
কারণ সব পোলার বাবা হওয়ার
ইচ্ছা থাকে...
তাঁর কাছে থাকলে কখন যে সেই
সপ্নটা নিস্ব হয়ে যাবে তাঁর কোন
গ্যারান্টি নাই..
কারণ তাঁর হাত পা খালি মারাত্মক
জায়গা গুলোতে চলে...
আমি ও তাঁর কাছে গেলে ভয়ে থাকি,
তবে সে আমাকে হেব্বি ভালো বাসে।
তাই আমার জন্য সব কিছু প্রযোজ্য
না।
সে আবার ব্রাজিল পাগলি....
তবে তাঁর প্রথম ক্রাশ আমিই...।
তৃতীয় হচ্ছে তুবা আপু.. আমার
সব থেকে ফেভারিট... দেখতে ও
খুব হেব্বি... একটা কিউট এর
ডিব্বা... তিন জনই কিউট এর
ডিব্বা.. তবে তুবা আপু সব থেকে
স্পেশাল...
তাঁর বাঁচা মরা আমিই... যে ফুটবল
পাগলি না.. তবে পারিবারিক
ভাঁবে জার্মানি সাপোর্টার...।
আর আমি তো তিন জনের চিপাই পড়ে তিন দলই সাপোর্ট করি...
এখন সবাই আমাকে লুচু কইতে
পারে...
তবে ভাই আমি লুচু না...
নীলা আর নিধি আপু যে ধরণের ডেঞ্জারাস তাঁর ভয়েই তো প্রপোজ
গ্রহণ করছি.....
এমনি তো ও করতাম কারণ সবাই
দেখতে খুব ঝাক্কাস...
আর তুবা আপু তো আমার সপ্ন
আমার মন প্রাণ সব...
একজন মানুষের যেমন.. হাত, পা, চোখ,
একেকটা একেক কাজের
জন্য গুরুত্বপূর্ণ... তাঁর তিনজন ও
আমার জন্য সব...
পরবর্তী তে কী কপালে আছে আল্লাহ্ জানে।
তবে আমার মনে হয় ভালে জিনিস
গুলো ভালো কারো কাছে থাকাই
বেটার... হি হি হি।
হঠাৎ ফোনটা বেঁজে উঠলো......।
- ঐ কই তুমি... (নীলা) ।
- আমি এই তো বাসাই।
- কীইইইই... ঐ তোর না আজকে
আর্জেন্টিনার গেঞ্জি পড়ে আমার
সাথে দেখা করতে আসার কথা।
- হুমমমম গেঞ্জি কিনছি তো...
তো এক্ষুণি পড়ে চলে আসে।
এর মধ্যেই অন্য ফোনটা বেঁজে উঠলো।
তিন জনের জন্য তিনটা ফোন..
কারণ কাউকেই কষ্ট দিতে
পারবো না আমি... তিন জনকেই
একি রকম ভালোবাসি আমি।
ফোনটা ধরলাম...।
- হ্যালো বাবু কী করো.. (তুবা) ।
- শুয়ে আছি বাবু তুমি।
- আমি ও.... একটা কথা রাখবা
বাবু।
- হুমমমমমম বাবু বলো... সব করতে
রাজি আমি।
- আজকেই একটা জার্মানির গেঞ্জি
কিনবা... আর সেটা পড়ে আমার
সাথে দেখা করতে আসবা বিকেলে...
পারবা না বলো।
- হুমমমম... বাবু আচ্ছা ওকে।
- লাভ ইউ বাবু... উমমমমমমমম্মা।
ওটা না রাখতেই অন্যটা বেঁজে উঠলো..।
সব কিছু ফেলে হলে ও নিধি আপুর
ফোনটা ধরতেই হবে...
কীইইইই ডেঞ্জারাস বাবা রে বাবা।
- হ্যালো... আমার পিচ্চি বাবুটা
কী করে।
- এই তো বাবু ডিম পাড়তেছি।
- ঐ কীইইইই বললি।
- না মানে বাবু... ফ্রিজের উপরে ডিম
আছে তো.. সেখান থেকে পাড়তেছি..
ভেঁজে খাবো।
- ঠিকআছে... তবে খেয়ে দেয়ে এক্ষুণি
মার্কেটে যাবা... আর ভালো ব্রান্ডের
দেখে দুইটা ব্রাজিল এর গেঞ্জি কিনে
আনবা...
আর সেটা পড়ে সন্ধাই নদীর পারে
আসবা.... আমি বিকাশ
করে টাকা দিচ্ছি... এখন খাও।
একটু পরে দেখি দুই হাজার টাকা
চলে আসছে....
নিধি আপুই একমাত্র কোন কথা
না বলার আগেই বোঝে....
তবে তুবা আর নীলা আপু খারাপ না।
ঐ যে তখন কী বলছিলাম একেক
জনের একেক গুণ।
যাই হেক... এখন সমস্য হচ্ছে..
আমি একাই যদি তিনটা গেঞ্জি পড়ে
তিন টাইমে ঘুরি অন্য লোকেই তো
ধরে মাইর দিবো।
আর যাই হোক.... তিন জনই আমার
মনের কথা আর সুবিধা অসুবিধা
বুঝে.. না হলে তিন জন তিন টাইম
এর কথা বলতো না।
নীলা আপুর সাথে দেখা করতে গেলাম..
গিয়ে দেখি ওমা অবাক কান্ড সে ও
আর্জেন্টিনার গেঞ্জি পড়ে আসছে..।
- বাবু তুমি ও এই গেঞ্জি পড়ে আসছো।
- আমার বাবুটা পড়ছে আমি না পড়লে কী হয়।
- হুমমমমমমম সেটাই.....
এই ওয়ার্ল্ড কাপের জন্য যা বাঁশ খাচ্ছি
তো খাচ্ছিই...।
- ঐ কিছু কীইইইইইই বললা।
- না..... কই কিছুই বলি নাই তো..
বাবু তোমার হাত ধরি।
- দূর বোকা হাত ধরবা আবার বলতে হয়
নাকি।
- হি হি হি..
তোমার হাত ও না অনেক ঝাক্কাস।
- পাগল।
তুবা আপুর সাথে দেখা করতে গিয়ে
দেখি... সেম কান্ড... সে ও জার্মানির
গেঞ্জি পড়ে আসছে.....।
- সাহরিয়া.... জানো তোমাকে
নিয়ে না আজকে আমি খুব
মজার একটা সপ্ন দেখছি।
- তাই বুঝি... কী সপ্ন বলো।
- তুমি আমার কোলে শুয়ে আছো
আর আমি তোমার মাথাই হাত
বুলিয়ে দিচ্ছি....।
- সত্যি..... আচ্ছা বাবু তাহলে এখনি
তোমার কোলে মাথা দেই।
- হুমমমম দাও।
- বাবু তোমার কোল না অনেক
নরম... হি হি হি।
- ফাজিল একটা।
সন্ধার আগে দিয়ে বাসাই এসে..
ব্রাজিলের গেঞ্জিটা পড়ে.. নিধি
আপুর সাথে দেখা করতে যাচ্ছি...
এমন সময় এলাকার এক ছোট ভাই।
- সাহরিয়া... ভাই আপনার সাথে আমার
একটা কথা আছে।
- হুমমমমমমমম বল।
- ভাই... সকালে দেখলাম আর্জেন্টিনার
গেঞ্জি পড়ে কই জানি গেলেন...
বিকেলে আবার জার্মানি... তবু ঠিক
ছিলো কিন্তুু এখন আবার ব্রাজিল..
কিছুই মাথাই আসছে না।
- তোর এই সাইজ এর মাথাই এত
কিছু ঢুকবো না.....।
- কিন্তুু ভাই।
- কোন কিন্তুু নাই... আমারে দেখলে
চক্ষু দুইটা বন্ধ করে রাখবি... তাইলে আর কোন কিন্তুু মাথাই আসবো
না।
এখন সামনে থেকে সর।
- ঐ তোমার আসতে এত দেরি
লাগে... কখন থেকে বসে আছি
একা একা।
- সরি বাবু..... আসার সময়
এলাকার কয়টা ছোট ভাই ব্রাজিল এর
গেঞ্জি কিনবে বললো...
তাইতো তাঁদের টাকা দিতে
দেরি হয়ে গেলো...।
- ওহহহহহহহহ আগে বলবা না...
আমি তোমাকে সেই টাকা পাঁঠিয়ে
দিবো কেমন।
- ঠিকআছে......
বাবু আজকের খেলা দেখবা না।
আজকে হেঁরে গেলে আর্জেন্টিনা
টাটা বলে বাসাই চলে যাবে।
- পাগল... আজকেই যদি না দেখি
তাহলে কী জমে...।
- বাবু একটা পাপ্পি দিবা...।
- এটা বলতে এত ভয় পাওয়ার কী
আছে....।
- কাছে আসে.... উমমমমমমমমমমম্মা।
- বাবু.... হেব্বি মিষ্টি ছিলো... হি হি।
- যাও ভাগো শয়তান একটা।
রাতের বেলা... তুবাকে এইটা ওইটা বুঝাইয়া ঘুমাই দিছি...সে এই সব
খেলা তেমন দেখে না... আর তাঁদের
জার্মানি ও এমনিতে টাটা বলে চলে
গেছে....।
আর এই দিকে নিলা আপু আর নিধি আপু জ্বালাই মারতেছে...
এক জনের হাঁসিতে পাগল হয়ে
যাচ্ছি আর অন্য দিকে নীলা আপুর
কান্না... আর্জেন্টিনা হেঁরে যাচ্ছে তাই।
এই সব আর সহ্য হচ্ছে না... দুই পাগলির
পাগলামি... তাই রাগে
বাগে একটা লগার মাথাই চাক্কু বেঁধে
.. ডিসের লাইন দিলাম কেঁটে..
এই দিকে নীলার কান্না তাও বেঁড়েই
চলেছে...
নীধি আপুকে কোন রকমে ম্যানেজ করে
ঘুমিয়ে দিলাম।
কিন্তুু এই নীলা পাগলির কান্না থামামে
কে ...
ফোন করে ওদের বাসার নিচে যেতে
বললো... গেলাম...।
সেই যে জরিয়ে ধরে কান্না শুরু করছে
থামার কোন লক্ষণ দেখছি না..
বাপ মা মরলে ও কেউ এমন কাঁদে না।
- সাহরিয়া...এইটা কী হয়ে গেলো.
আমি সবাইকে মুখ দেখাবো কেমনে।
- মুখ দেখাতে হবে না... আমার বুকে
মুখ লুকিয়ে থেকো।
- না না হবে না... তবু ও... আমি সবাইকে
কত বড় গলাই বললি আর্জেন্টিনা জিতবে... বড় গলাই না বললে আরো পাঁচটা গোল খেলে ও কিছু যায় আসতো
না...।
- এবার বুঝলাম... আর্জেন্টিনা হাঁরার
জন্য সে এমন কাঁদতেছে না...
বড় গলাই বলছে তাই এমন কাঁদছে।
হে আল্লাহ্ আমার কপালে কী
এমন তিনটা কিউট পাগলিই
লিখে রাখছিলে....।
যখন নীলা আপুর ওখান থেকে বসাই
আসছিলাম.... তখন ভাঁবছিলাম..
তাঁদের কে কী এমন ঠকানো আমার
উচিৎ হচ্ছে...
যতোই আমি তাঁদের তিন জনকেই
সমান ভালোবাসি না কেনো...
তবু এটা ঠিক না....
কালকেই কিছু একটা করতে হবে।
তা ছাঁড়া আমি পাগল হয়ে যাবো।
সকালে.... তিন জনকেই নদীর
পারে আসতে বললাম....।
নদীর পারে গিয়ে দেখি তিনজন
তিন জায়গায় দাঁড়াই আছে.....
তিনটা ফোন থেকেই তিন জন কে
কল করলাম....
সবাই আমার দিকে আসছে...
মনে হয় এখন ও কিছু জানে না।
ভয়ে ভয়ে তিন জনকে এক জায়গায়
করলাম।
- আমি তোমাদের আজকে একটা সত্যি
কথা বলতে চাই... আগে আমার কথাটা
শোন,
তাঁরপরে আমাকে যা ইচ্ছে করো।
আমাকে মেরে ফেলে ও যদি এই
নদীতে ভাঁসিয়ে দাও তবু কোন
কষ্ট থাকবে না।
আমি তোমাদের তিন জনকেই সমান
ভালোবাসি... কতোটা সমান
ভালোবাসি সেটা বলতে পারবো না
তবে... তোমাদের কেউ একজন
আমার চোখ একজন আমার হাত,
একজন আমার পা এর মতো...
এই তিনটার একটা ছাঁড়া যেমন জীবনের
কোন মূল্য নেই...
তেমনি বিশ্বাস করো তোমাদের
তিনজন কে ছাঁড়া
আমার জীবনটা অচল...
আমি জানি এটা ঠিক না তবে
আমার কাছে তোমার তিনজন মিলেই
একজন...
আমি তোমাদের কাউকেই হাঁরাতে
চায় না... আর কাউকেই
কষ্ট দিতে পারবো না আমি....
হয় তোমাদের তিন জনকেই আমার
চাই... অথবা আজকেই হয়তো
এই পৃথিবী থেকে সাহরিয়া নামের
একজন কমে যাবে...।
আমার কথা শেষ... এখন এই
নাও তিনটে লাঠি আমাকে ইচ্ছে
মতো কেলাইতে পারো... আমার
কোন দুঃখ থাকবে না।
- দেখলাম সবাই লাঠি ফেলে দিলো।
সবাই এক সাথে বলে উঠলো।
- তোমাকেই চাইরে পাগল..।
বলেই তিন জনই জরিয়ে ধরলো,
জানো আল্লাহ্ মনে হয় তোমাদের
এক জন্য না বানিয়ে এক জনের থেকে তিন জন্য বানিয়ে পাঁঠিয়েছে।
- হুমমমমমমমমমমমম পাগল।
- একটা পাপ্পি দিবা।
নীলা আপু এক গালে নিধি আপু
এক গালে আর তুবা কপালে....
চারজন মিলেই আমার একটা ফ্যামিলি.....
অনেক কষ্টে একদিনেই সবার সাথে
আমার বিয়ে হয়ে যায়।
কোনদিন নীলা আপু বুকের উপরে তো
তুবা আর নিধি আপু দুই সাইটে।
আবার তুবা বুকের উপরে তো নীলা
আর নিধি আপু দুই সাইটে।
আর নিধি আপু বুকের উপরে তো
তুবা আর নীলা আপু দুই সাইটে।
আহা কী সুখের সংসার.... কোন
ভেঁদাভেদ নাই..... হি হি হি।।
>>সমাপ্তThe End
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now