বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

গল্প : #সিনিয়র_আপু_প্রিন্সিপাল এর মেয়ে !!!

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Pantha Shahria (০ পয়েন্ট)

X গল্প : #সিনিয়র_আপু_প্রিন্সিপাল এর মেয়ে !!! Writer : Pantha Shahria !!! - প্রিন্সিপাল এর রুমের মধ্যে কান ধরে দাঁড়াই আছি.... কান ধরে থাকাটা আমার কাছে নতুন কিছু না.. সেই প্রাইমারি লাইফ থেকে আজ কলেজ লাইফ পর্যন্ত এখন ও কিছু করলে আমাকে কান ধরে রাখা হয়। আগে সপ্তাহে প্রাই প্রতিদিন ধরে থাকতে হলে ও এখন একটু সেটা কমেছে...। এখন প্রশ্ন হইলো কলেজে ও কী কান ধরে রাখা হয়.... আরে নারে ভাই এই অফারটা শুধু আমার জন্যই প্রযোজ্য...। আসলে ঘটনা হইল..প্রাইমারির হেডমাষ্টার, হাই স্কুলের হেডমাষ্টার আর এই কলেজের প্রিন্সিপাল হইল একি বাপের সন্তান... আর আমাদের সবার এক এলাকাই বাসা.. সেই ছোট বেলা থেকে আজ পর্যন্ত কোন দুষ্টুমি করলে আমাকে এমন কান ধরে দাঁড়াই রাখা হয়.. কিচ্ছু করার নাই.. আমার কুখ্যাত বাপের আদেশ.. আগে সবার সামনে কান ধরে রাখা হলে ও.. এখন বড় হইছি তাই চার দেওয়ালের মধ্যে রাখা হয়.... এখন আমার কাহিনী হইল... কলেজে সেই সুন্দর নাদুসনুদুস একটা মেয়ে আসছে... নাদুসনুদুস মানে হইলো সেই লেভেল এর মোটা... সবাই কইলো তাঁরে যদি চোখ মারতে পারি.. তাহলে...সবাই মিলে আমাকে পাঁচটা আইসক্রিম খাওয়াবে। যেই বলা সেই কাজ... মাইয়ারে চোখ মারতেই.. হেতি 4 জি এর গতিতে দিলো প্রিন্সিপাল এর কাছে নালিশ... আর খাঁটাস বুইড়া প্রিন্সিপাল এমন কান ধরে দাঁড় করাই খারছে... এত্ত বড় হইছি এই সব আর কী সহ্য হয়.... - ও বিগ ডেডি... মেলাক্ষণ তো হইলো এবার যাই। - কী বললি তুই... বিগ ডেডি...এর মানে কী? - আসলে মানে সরি স্যার... আপনার দুইটা ভাই আমার বাপের ছোট তাই স্মল ডেডি বলি... এইটার বাংলা হইলো ছোট আব্বা যারে আমরা চাচা জান বলি... আর বিগ ডেডি মারে বড় আব্বা, সেইটাতো জানেনই। - আমার সাথে ফাইজলেমি করিস তাই না.... ঐ কুদ্দুস একটা বেত নিয়ে আয় তো। - আবার বেত কেনো... সামান্য তো একবার চোখই মারছি তাই না... ওরে ও বলেন একবার চোখ মারতে তাইলেই তো সমান সমান হয়ে যায়। - তোরে গাছের সাথে লটকাই পা দুইটা উপরে তুলে...মাইর দেওয়া দরকার তাও যদি একটু ভালো হয়ে যাস। - হুমমমমমমম... আমারে তো মানুষ মনে হয় না.... ঐটাই তো বাঁকি আছে... কী করছি আমি একবার চোখই তো মারছি...। - তোরে বাবা শয়তান... সেই ছোট থেকে কাউরে একটু শান্তিতে ঘুমাতে দিছিস রাতে... ঐ রাতে কী তোরে ভূতে চিমটি কাটে... চারিদিকে এমন ঢিল ছুঁড়ে মারিস ক্যান....। - কী মিথ্যা কথা স্যার...কে বলছে ঐ সালার খালি একবার নাম কন...। - অন্য কেউ না... তোর নিজের পয়দা করা বাপ। - জানতাম... ওনি ছাড়া এই দূস সাহসী কাম কেউ করবো না। হঠাৎ দেখি একটা সুন্দরী রমনী রুমের ভেঁতরে আসলো... আর সাথে সাথে কান ছেঁড়ে দিলাম। - বাবা......আমি চলে আসছি (সুন্দরী মেয়েটা)। - নীলা.... তুই হঠাৎ করে কখন আসলি। - এই তো মাত্র। - বাসাই যাস নি। - তোমার কাছেই তো প্রথম এলাম.... ঐ ছেলেটা ওখানে দাঁড়াই আছে কেন। - ওই যে সেই ছাড়া তো আর কেউ হবে না.... সাহরিয়া... তোর ইকবাল চাচার ছেলে.... ঐ আবার কান ছেঁড়ে দিছিস কেনো কান ধর। - দেখেন স্যার আমার ও একটা মান সম্মান আছে। - সেই ছোট কালেই তোর সব গেছে... ও নতুন কেউ নয় যে তোরে চিনে না... ভাল করে চিনে কান ধর। - হুমমমমমমমমমমমম। - বাবা সাহরিয়া কী সেই আগের মতোই দুষ্টু আছে। - সেই কথা আর বলিস না আগের থেকে আরো এক কাঠি বেঁড়ে গেছে। - হি হি হি হি.....। - আহা কী সুন্দর হাঁসি... এমন একটা সুন্দরী রমনী কে এই খাঁটাস বুড়োর ঘরেই দেওয়া লাগবে..... আর যাই হোক... নীলা আপু কিন্তুু সেই সুন্দর হয়েছে... তাঁর জন্য হলে তো সারাদিন কান করে থাকা যাবে হি হি। - নীলা.. এবার বাড়িতে যা.. সবাই হয়তো অপেক্ষা করছে...। - বাবা আমার সাথে তো অনেক জিনিস। - এই যে অকর্মার ঢেকি... নিজের বাপের তো কোন কথা শোন না... নীলা যা আর সব জিনিস নিয়ে গিয়ে বাড়িতে ঠিকঠাক পৌঁছে দিবি। - অন্য কেউ হলে যেতামি না... হাজার হলে ও নীলা আপু বলে কথা... ওহহহহহহহহ কী সুন্দর.... ওকে.... যাচ্ছি । রিক্সা করে দুইজন যাচ্ছি ...। - নীলা আপু তুমি না দেখতে ফাটাফাটি হয়েগেছো...একদম স্বর্গরাণী হুমমমমম। - আর তুই সেই আগের মতোই ফাজিল আছিস। - আরে আমি তো ভালো হয়েই গেছি.... সবাই জোর করে আমার ঘাঁরে সব দোষ চাপিয়ে দেই..। - হুমমমমমমমমমম জানি আমি। - আচ্ছা কবে যাবা... আবার। - আর যাবো নারে... বাবা কলেজেই ভর্তি হয়ে যাবো। - সতততততততততত্যি.....। - এমন লাফ দিয়ে উঠার কী হলো শুনি....। - না মানে... তোমার ঐ খাঁটাস বাপ আমারে রুমের মধ্যে নিয়া কান ধরে দাঁড় করিয়ে রাখবে আর তুমি ছাঁড়াই আনবা.... আগে যেমন করতে। আচ্ছা তোমার কোন ইয়ে টিয়ে আছে নাকি হুমমমমমমম। - ইয়ে টিয়ে মানে কী? - ঐ যে প্রেমিক প্রেমিক...। - আমার ঐ সব নেকামি নেকামি ভালোবাসা একদম পছন্দ না। - ঠিক বলছো আমার ও না...। - ঐ যে.... বাসাই এসে গেছি...। - আরে আরে কী করছো... আমি থাকতে তুমি ব্যাগ নিচ্ছ ক্যান.. তাহলে আমি আছি কী করতে। আন্টি ও আন্টি দেখো কে আসছে...। - নীলা........। - মা......। - এতদিন পরে মার কথা মনে পড়লো তাই না.... আর এই ফাজিল টারে কই পাইলি। - প্রথমে বাবার কাছে গেছিলাম... গিয়ে দেখি অফিসে কান ধরে দাঁড়াই আছে... ওখান থেকে ধরে আনছি। - হুমমমমমম তাঁর তো আর বাঁদরামি ছাঁড়া কোন কাজ নাই। - কী কও আন্টি.... এই যে কী সুন্দর সহী সালামতে তোমার মেয়েকে নিয়ে আসলাম না। - ওরে বাবা বাবু অনেক কাজ করছে... সোফাই বস... আমি তোদের জন্য খাবার নিয়ে আসছি। - না না আন্টি আমি বাসাই যাই পরে খেয়ে যাবো এখন না...। - আরে খেয়ে যা না.. বাসাই যাইতে তো দুই মিনিট ও লাগবে না...। - না এখন খাবো না হুমমমমমম। - ঠিকআছে যা... নীলা সাহরিয়া গেলে দড়োজাটা আটকে দিয়ে আসিস। - ঠিকআছে মা..... এই যে হনুমান চলেন। - হুমমমমমমমম... তাহলে গেলাম কেমন। - আচ্ছা..। - যাই তাহলে..। - ঐ তোরে আটকে রাখছে কে। - একটা কথা বলি। - হুমমমমমম। - না মানে আমার নাম্বারটা নিবা। - কেনো। - যদি কোন দরকার হয়। - না লাগবে না.... এবার যা। - দেই না নাম্বারটা...। - ওকে দে।।।। - হাত দাও....। - কেনো....। - কাগজ নাই তো। - ওকে... ধর লিখে দে। - আহা কী নরম হাত.... এবার গেলাম। - হুমমমমমমমমমমমমমমমম যা.....। - আল্লাহ্ জানে ফোন দিবে নাকি.....। বাসাই গেলাম... দড়োজাটা খুলতেই। - কলেজে তো ছিলি না... কই ছিলি। - হবু বউয়ের সাথে। - কীইইইই। - হুমমমমমমমমমমম....। - তো হবু বউটা কে শুনি। - ঠিকআছে... যেহেতু নিজের বাপ হও সত্যি কথাই বলি... প্রিন্সিপাল এর মেয়ে নীলা আপু।। - কীইইইই.... জানিস নীলা তোর এক বছর এর বড়। - তো কীইইইই হয়েছে... স্নেহ, আদর ভালোবাসা সব পামু। - তোর লজ্জা সরম নাই। - না নাই তো....। - আমার আগেই বোঝা উচিৎ ছিলো, তোরে এই বাড়িতে রাখাই ভুল হইছে। - ওহহহহহহহ নো ডেডি.... থাকমু না তো...খালি একবার বিয়েটা হইতে দাও তারপরেই পগার পার হি হি হি। বিকেলে নীলা আপুদের বাসার সামনে ক্রিকেট খেলছি.... আসল উদ্দেশ্য নীলা আপুকে দেখা...। হঠাৎ দেখি নীলা আপু বারান্দাই দাঁড়াই কফি খাচ্ছে... ব্যাট করছিলাম আমি.. টুপুস করে বলটা মারতেই গিয়ে লাগলো গ্লাসে আর পড়ে গেলো... সব গুলা তো দৌঁড় । আমি দিতে লাগছিলাস...। - সাহরিয়া আর যদি এক পা সামনে বাড়াস তাহলে তোর খবর আছে ওখানেই থাকবি আমি নিচে আসছি.. - কীইইইই মসিবতে পড়লাম রে বাবা... বাপের মতো যদি সে ও এই রাস্তাই কান ধরে দাঁড় করিয়ে রাখে তাহলে তো সব ইজ্জত শেষ। - ঐ এই দিকে আয়....। - আপু আর যাই করো কান ধরে দাঁড়াই রাইখ না প্লিজ....। - ঠিকআছে..... তাহলে ঘুরতে নিয়ে চল। - ওহহহহহহহ... এইটা আবার কোন ব্যাপার হলো চলো। - হুমমমমমম রিক্সা নিয়ে আয়....। - তুমি একটু দাঁড়াও আমি এই যাবো আর রিক্সা নিয়ে চলে আসবো। রিক্সাই চড়ে ঘুরছি....। - সাহরিয়া তোর কাউকে ভালো লাগে। - হুমমমম লাগে তো। - কাকে শুনি.....। এমন সময় সেই মোটা মেয়েটা রিক্সার সামনে এসে দাঁড়ালো.... - সাহরিয়া তখন আমি বুঝতে পারি নাই.... আই লাভ ইউ....। - কীইইইই নাাাা..... ঐ একবার চোখ মারছি দেখেই তুই আমাকে লাভ ইউ বলবি.... আর আমি বিবাহিত... এই যে এটা আমার বউ..... হি হি। - ছি ছি ছি... তুমি এত নিচ... নিজের বউ রেখে অন্য মেয়েরে চোখ মারো। - সরি বোইন.... আর জীবনে মারমু না, এমন বউ পাইলে কোন পাগলে ও ওমন কাজ করবে না...। - মানে কী? - কিছু না.. পাগল মানে আমি... এটা আমার বউ... আরে মামা যান না কেনো। নীলা আপুর দিকে তাঁকাই দেখি... হেব্বি রেগে আছে... মনে হয় খেয়ে ফেলবে...। - আপু তুমি যা ভাবছো তা না সত্যি... আইসক্রিমের লোভে চোখ মারছিলাম.. বিনিময়ে অনেক ঝামেলা গেছে... তুমি না থাকলে যে কী হতো। - ঐ হাত ছাড় বলছি... - সরি ভয়ে ধরে ফেলছি.... - কত মেয়েকে চোক মারছিস বল....। - জীবনে দুইটা... ঐ টা আর ছোট বেলাই তোমাকে হি হি...। - আর আমি তোর বউ তাই না..। - ভয়ে বলে দিছি ভয়ে। - এবার চল। - কই। - এই যে মামা... ওর পেট ভরা না পর্যন্ত আইসক্রিম দিতেই থাকবেন... আর তুই যদি আইসক্রিম না খাস তাহলে খবর আছে.. এবার নে শুরু কর.. আইসক্রিমের জন্য অন্য মেয়েকে চোক মারা বের করছি.. এবার নে শুরু কর। - কী মেয়েরে ভাই.. বাপ যেমন মেয়ে তেমন.... আমি তো এত গুলে খেলে মরেই যামু। - সেটাই তো চাই তাহলেই তো আর অন্য মেয়েদের দিকে তাঁকাতে পারবি না। - আপু আমি শেষ... আর একটা খাইলে আমি মরে যামু...। - খা বলছি। - এখন যদি প্যান্ট খুলে ও রাস্তার মধ্যে দাঁড় করাই রাখো তাও পারমু না...। - ওকে এবার বাসাই চল...। রাতে মধ্যেই এ্যাকশন শুরু.. সেই লেভেল এর গায়ের কাঁপ, আর ১০৫ডিগ্রি জ্বর। - কী সব বাঁদরামি কমছে এবার। আমি তো ভাবছি নীলার সাথেই তোর বিয়ে দিমু... তাহলেই সব ছুঁটে যাবে। এভাবে একদিন কেঁটে গেলে.. একটু জ্বর কমছে,আর খালি নীলার কথা মনে হচ্ছে। সন্ধাবেলা দেখি নীলা আপু হাজির..। - ঐ... এমন জ্বর একটা বার আমাকে বললে না.. আংকেল না বললে জানতামই না তো। - কেমনে বলবো নাম্বার তো তোমার কাছে...। - হুমমমম... দেখি জ্বর কমছে নাকি... ঐ এখন ও তো অনেক জ্বর... জলপটি দিতে হবে... দেখি এদিকে এসো। - কেমনে যাবো... নরতে পারছিনা...। এবার নীলা আপু আমার মাথাটা তাঁর কোলে নিয়ে নিয়ে জলপটি দিতে লাগলো....। - এভাবে হবে না মাথা ধুতে হবে...। - না আমার ঠান্ডা লাগছে..। - চুপ..... তাহলে এবার গোসল করতে হবে... মনে হয় না গোসল করছো আজকে। - না.... গোসল করলে আমি মরেই যাবো। - তাহলে আরো আগে করতে হবে....। অনেক কষ্টে গোসল করে আসলাম...। - ঔষধ খাইছো...। - না...। - হা করো...। - কী এই সব...। - খাবার খেয়ে ঔষধ খেতে হবে বুঝলা...। - চুপ চাপ খেয়ে যাচ্ছিলাস.. আর নীলা আপু খাইয়ে দিচ্ছিলো। ঔষধ খেয়ে শুয়ে পড়লাম। - মাথাই একটু হাত বুলিয়ে দিবা। - হুমমমমমমমম। - নীলা আপু মাথাই হাত বুলিয়ে দিচ্ছিলো,,, আচ্ছা আজকে বাসাই না গেলে হয় না। - কেনো। - না মানে এমনি। - ঠিকআছে যাবো না। - একটা কথা বলবো আপু। - হুমমমমম। - আমার না তোমাকে সেই ছোটবেলা থেকেই ভালো লাগতো, তাইতো কোন মেয়ের দিকে সেভাবে তাঁকাইতাম না। - আমার ও রে....। - সত্যি। - হুমমমমমমমমমমম। - বাহ্ কী সুন্দর বর বউয়ের মতো শুয়ে আছে.... আমার বাবা আর নীলার বাবা। - আচ্ছা থাকো... বিয়েতো সেই কবেই ঠিক হয়ে আছে। নীলা আপুর দিকে তাঁকাতেই দেখি, কেমন মুচকি মুচকি হাঁসছে... সবাই চলে গেলো। - আচ্ছা একটু জরাই ধরবো। - কেন শুনি। - এত্ত গুলো আইসক্রিম খাইয়ে এমন অবস্তা করার জন্য। - আচ্ছা ধরো। - আরো শক্ত করে জরাই ধরি...। - ওকে।। - একটা পাপ্পি দিবা। - ওকে কাছে আসো বাবুটা আমার। - উমমমমমমম্মা। - আজকের সব কিছুই কিন্তুু ঐ আইসক্রিম এর জন্যই সম্ভব.. তাইতো আমি আইসক্রিম এত্ত ভালোবাসি। - তাই না.....। - ওহহহহহ কামড় দাও কেনো হি হি হি। >>সমাপ্তThe End


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৪০ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now