বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
ছেলেটার নাম ইব্রাহিম....
এবার সিভিল ইজ্ঞিনিয়ারিং পড়ছে.।
এমনিতে ছেলেটা মেয়েদের সাথে কথা বলতে খুব লজ্জা পেতো।সে ঢাকাতে ৩ বছর যাবত বসবাস করছে কিন্তু সে আজ পর্যন্ত কোনো মেয়ের সাথে কথা বলে নি।তার কোনো মেয়ে বন্ধু ছিলো না।।আর "রিলেশন ",,, তার ইচ্ছে যে সে ইজ্ঞিনিয়ারিং শেষ করে সে যদি তার সোলমেট,, এমন কোনো মেয়ের সাথে বন্ধূত্ব হয়,, যে মেয়েটা সাধারন, মিষ্টি একটা মেয়ে,,যে বাস্তব বাদি,,যে পরপোকারী,,যার মন থাকবে প্রশার.. যে তার সপ্নে বিশ্বাস রাখবে,, যে তার লক্ষে পৌছাতে অনুপ্রানিত করবে...যার হাঁসিতে তার সমস্ত দঃখ মুছে যাবে,,,তাই সে এমন একটা মেয়ের অপেক্ষায় আছে..।
তার
ফেসবুক ফ্রেন্ড লিস্টে কোনো মেয়ে ছিলো না...।সে কোনো মেয়েকে রিকুয়েস্ট পাঠাতো ও না একসেপ্ট ও করতো না।। একদিন চিন্তা করলো এমন থাকলে চলবে না..।মেয়েদের সাথে কথা বলতে শিখতে হবে..। তরপর সে তার অন্য একটা একাউন্ট দিয়ে কিছু মেয়েদের এড করলো
এবং কিছু মেয়েদের রিকুয়েস্ট ধারন করলো...।সে কখনোই কোনো মেয়েকে আগে SMS দিতো না...।কয়েকটা মেয়ে তাকে হাই, হ্যালো দিতো এটুকুই,,একদিন একটা মেয়ে ফারদিন ইশিতা নমের একটা মেয়ে
হ্যালো দিলো,,ছেলেটাও রিপ্লে দিলো।এরপর পরিচয় আদান প্রদান হলো। কিছুদিনের মধ্যে তাদের বন্ধুত্ব হয়ে গেলো...ইশিতা এবার HSC পরিক্ষা দিয়েছে... একদিন ইশিতা বলল তুমি খুব ভালো,, ইউএসএ(USA) তে গিয়ে তোমার সাথে প্রতিদিন কথা বলবো...
ছেলেটা বললো USA তে যাবে কেনো..?তার মায়ের সপ্ন তার মেয়ে ডাঃ হবে...তাই সে ডাক্তারি পড়তে আমেরিকা যাবে...।ইশিতা ইব্রহিমকে খুব বিশ্বাস করতো,,ও খুব ভালোবাসতো... ইশিতার ইব্রহিমের কাছে কিছুই চাওয়ার ছিলো না..সে এমনিতে ইব্রহিম কে খুব ভালোবেসে ফেলেছে...ইশিতা ছেলেটাকে নিশ্বার্থ ভালোবাসতো..একদিন ইশিতা বললো তোমার নাম্বার টা দাও,, ছেলেটা বলল কেনো.. ও বলল ফোন দিবো কথা আছে...ইব্রাহিম বলল আমিতো কখনও কোনো মেয়ের সাথে কথা বলিনাই,, ও বলল থাক তুমি না চাইলে ঠিক আছে দিতে হবে না...ছেলেটা বলল না ঠিক আছে দিচ্ছি... এরপর মেয়েটা ফোন দিলো,, ছেলেটা খুব নার্ভাস ছিলো কি বলবে বুঝতে পারছিলো না...ফোন ধরলো
--আসালামু ওআলাইকুম আচ্ছালাম...
--ওয়ালাইকুম আচ্ছালাম..
কেমন আছেন..?
ভালো..
আপনি কেমন আছেন..?
ভালো..
কী করছো..?
খেলা দেখছি ক্রিকেটা খেলা,, আপনি..?এইতো বসে আছি..?
ইব্রাহিম এই তুমি আমাকে আপনে করে বলছো কেনো..?খুব লজ্জা লাগছে তাই..না তুমি করে বলবে ওকে তুমি করে বলছি...খেয়েছো তুমি
হ্যা খেয়েছি... মা-বাবা কেমন আছেন..? ভালো।তোমার ফ্যামিলির সবাই কেমন আছেন..?ভালো।।
ইশিতা ঃ একটা কথা বলি..?
ইব্রাহিম ঃ বলো..
ইশিতা ঃ তুমি অনেক ভালো একটা ছেলে... তোমার মতো এতো ভালো একটা ছেলে আমি কখনও দেখি নি.. তুমি অনেক অনেক ভালো।তুমি সবথেকে ভালো ছেলে। তুমি জীবনে অনেক ভালো এবং অনেক বড় মানুষ হবে
ইব্রাহিমঃ অনেক অনেক ধন্যবাদ.. তুমিও খুব ভালো মেয়ে...তোমার মতো ভালো মেয়ে, আমি এখনও দেখি নি ইউ আর গুড গার্ল..আমি দোয়া করি তোমার সব আশা সফল হোক...আর আমার থেকে অনেক ভালো মানুষ পৃথিবী তে আছে..আমি চেস্টা করছি একজন মানুষ হবার প্রকৃত মানুষ হতে...
ইশিতা ঃ তুমি খুব ভালো তোমার তুলোনা হয় না...
প্রায় ১৫ মিনিট কথা হলো
আবার এর পরের দিন
ইশিতা বলল ফোন দেওয়া যাবে..
হ্যা যাবে,, আমি দিচ্ছি..না আমি দিচ্ছি..
এরপর ইশিতা ফোন দিলো
ইশিতা ঃ কেমন আছো..?
ভালো...তুমি কেমন আছো..?
ভালো...!মা কেমন আছেন..?
ভালো..তোমার ভাইয়া -ভাবী কেমন আছেন?? ভালো..
ইশিতা ঃ একটা কথা বলি
ইব্রাহিম ঃ বলো..
ইশিতা ঃ কিভাবে বলব বুঝতে পারছি না..
ইব্রাহিম ঃ না সমস্যা নেই..?!বলো
ইশিতা ঃ ইয়ে মানে আমি এই ভালো ছেলেটার প্রেমে পরে গিয়েছি.. আমি ভালো ছেলেটার সাথে সাড়া জীবন কাটাতে চাই...আমি তোমার সাড়া জীবনের হাঁসি মুখ হয়ে থাকতে চাই... আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি..
(এদিকে ইব্রাহিম তাকে খুব ভালো বন্ধু মনে করতো..কিন্তু তেমন করে ভাবতো না..কারন ও আমেরিকাতে চলে যাবে তাই ওকে নিয়ে সপ্ন দেখে নি..তবে কিছুটা পছন্দ করতো)
ইব্রাহিম ঃকিছুক্ষন চুপ হয়ে থাকলো..
ইশিতা ঃ কিছু বলছো না যে? আমাকে ভালো না বাসলে সমস্যা নেই,, তোমার ভালো না লাগলে থাক..
ইব্রাহিম..ঃ আমি ও তোমাকে ভালোবাসি.. অনেক বিশ্বাস করি..কিন্তু আমার ২-৩ দিন সময় লাগবে...
ওকে ঠিক আছে..?
ইবাহিমের সেদিন আর ঘুম আসে নাই..! সাড়া রাত ইশিতার কথা ভেবেছে..! ইশিতা তাকে সত্যি অনেক ভালোবাসে তাকে ফিরিয়ে দেওয়া যায় না...খুব ভালো একটা মেয়ে,, আমি যেমনটা চেয়েছি তার ৯০% ও তেমন...ভালোবাসলে ওকেই বাসবো
সকাল বেলাই ইব্রাহিম ইশিতাকে ফোন দেয়ে বলে ফেললো..আমিও তোমাকে অনেক ভালোবাসি... তুমি কি আমার সাড়াজীবনের সুখ হবে..তুমি কি আমার অনুপ্রেরনা হবে..?তুমি কি আমার সাড়া জীবন পাশে থাকবে..? তুমি কী আমার শক্তি হবে..?তুমি কী আমার আয়না হবে..?
তুমি কি আমার মা-বাবার পাগল ছেলেটার সপ্ন হবে..?
ইশিতা ঃ (চুপ করে কান্না শুরু করছে)তার সপ্ন আজ সত্য হলো..তার জীবনে সবথেকে বড় চাওয়া তাকে ভালোবাসে,, এমন ভালোবাসে যেমন রাজ পুত্র কে সে সপ্নে ছোটবেলা থেকে লালন করে আসছে..ঠিক তেমন রাজপুত্র তাকে ভালোবাসে সে আনন্দে আত্বহারা হয়ে গেছে..))হ্যা আমি তোমার সুখ হবো আমি তোমার অনুপ্ররনা হবো.. আমি তোমার সপ্ন হবো...আই লাভ ইউ সো ম্যাছ... আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি...
সত্য ভালোবাসা পৃথিবীতে হাজার হাজার বছর বেঁচে থাকুক..
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now