বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

গল্প : #এলাকার_বড়_ভাইয়ের গার্লফ্রেন্ড নিয়ে পালানো !!!

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Pantha Shahria (০ পয়েন্ট)

X গল্প : #এলাকার_বড়_ভাইয়ের গার্লফ্রেন্ড নিয়ে পালানো !!! Writer : Pantha Shahria !!! - কী সুন্দর ভদ্র ছেলের মতো রাস্তা দিয়ে হেঁটে হেঁটে কলেজে যাচ্ছিলাম। এমন সময় মজনু ভাইয়ের পোলা পান গুলা সামনে দাঁড়াইলো। - ঐ তুই কী সাহরিয়া। - জ্বী ভাইয়া আমিই সেই মহামানব। - ঐ দাঁত বন্ধ কর.. তোরে কী দাঁত কেঁলাই কেঁলাই কইতে বলছি, এক্কেবারে প্লাস দিয়ে সব দাঁত উপরাই ফেলমু। - ভাই আর যাই করেন.. এই অকামডা কইরেন না.. তাইলে আমি মুরগীর রান গুলা খামু কেমনে। - একটা চোপার দিয়া সব ছুঁটাই দিমু... ঐ ওরে নিয়া চল। - আরে ভাই কই নিয়া যান.. আমার আপরাধটা কী? সেইটা ও একটু কইবেন নাকি। - সব বুঝতে পারবা.. আর তখন সব বাঁদরামি ছুঁইটা যাবে। - আহারে.. ভাই আমি করছিডা কী? - ঐ চুপ থাক...মজনু ভাইয়ের কাছে গেলেই সব বুঝতে পারবি। - আর একটা কথা কই.......... না না ঠিক আছে কমু না। ভাই এই যে দেখেন... চুম্মা খোররে ধইরা আনছি। - ওরে ছাইড়া দে। - আচ্ছা ভাই আমারে কোন অপরাধে ধরে আনা হইছে.. আমার তো মনে হয় না যে আমি আপনার সাথে কোন বাঁদরামি করছি। - আমার সাথে করস নাইরে, আমার সাথে করস নাই.. তুই তো হালাই আমার এই খানে আমার কলিজাই কামড় দিছস। - কী কন ভাই.. আমি আবার আপনার ঐ খানে কবে কামড় দিছি। আমি তো কিছুই বুঝতেছি না। - ঐ হালার পোলারে কেউ বুঝা..। - ভাই মারবেন নাকি। - না না তোরে মারমু ক্যান.. তোরে তো আমি সোহাগ করমু। - ঐ এইটা কী? - এইডা তো ভাই একটা ছবি। - ছবি সেটা আমি ও জানি.. ছবির মধ্যে কী? - ভাই একটা মাইয়া আর একটা পোলা। - ঐ আমার রাম দা টা তে.. হালার পোলারে আজকে মাইরাই ফ্যালামু। - ভাই... ভাই একটু দাঁড়ান... ছবির মধ্যে আমি আর নীলা আপু.. তো এখানে হইছেটা কী? - ওরে আবার কই হইছে টা কী? ছবি তুলবি ঠিক আছে... কোনটাই পাপ্পি দিয়ে তুলছস, আবার কোনটাই কামড় দিয়া তুলছস.. এই সব কী? আজকে তো তোর সব ছুঁটাই দিমু। - ভাই... ভাই আমার কথাডা একটু শুনেন.. আমি তো এমনে তুলতে চাই নাই... নীলা আপুই তো জোর করে আমারে নিয়া তুলছে... এইখানে আমার দোষ কই। - ওরে..... আমার মাথাই কেউ পানি দে.... আবার কই দোষ নাই... ছবি তুলবি এক হাত দূরে থেকে , পাপ্পি কামড় তুই দিতে ক্যান যাবি...। - আহারে.. ভাই আমি দিতে চাই নাই... আমি তো আপুরে বললাম যে নীলা আপু আমি যদি ওমন ভাবে আপনার সাথে ছবি তুলি.. তাহলে তো মজনু ভাই আমারে মেরেই ফেলবে। সে বললো কী জানেন... তারে জ্বালানোর জন্যই তো ছবি তুলে ফেসবুকে ছাড়বো... সে এইটা দেখে দেখে জ্বলবে আর আরো আমারে ভালোবাসবে.. আর ভাই ওই সব পাপ্পি, কামড় তো সত্যি সত্যি না ঐ গুলো তো পোজ, মানে হইলে স্টাইল। - নীলা কী এই সব সত্যি বলছে...। - হুমমমমমমমমম.... আর নীলা আপুতো আমারে ছোট ভাইরের মতো স্নেহ আদর করে... আপনিই বলেন... আপনি কী আদর করে কোন বাচ্ছারে পাপ্পি দেন না হুমমমম। - সেটা ঠিক আছে.. তবে তুই একটু বড় সাইজ এর বাচ্ছা তাই রেগে গেছিলাম। নীলা সত্যি কী আমারে জ্বালানোর জন্য ওই সব ছবি ফেসবুকে দিছে। - আচ্ছা ভাই মরার আগে কী কেউ মিথ্যা কথা কয়... আপনার কাছে আসলে তো আমার মনে হয় মইরাই গেছি। - ঠিকআছে যা... কিন্তুু ঐ সব আজাইরা পোজ কম দিয়া ছবি তুলবি। - ঠিকআছে.... ভাই আর একখান কথা আছে। - কী কথা বল। - আচ্ছা মজনু ভাই আপনার কী নীলা আপুরে খাওয়াইতে ইচ্ছা করে না। - হয়রে ভাই.. কিন্তুু সে তো আমারে পাত্তাই দেই না। - দিবো কেমনে সালা বুইড়ার বাচ্ছা... (মনে মনে) ... আচ্ছা ভাই শুনেন.. নীলা আপুতো আমারে প্রতিদিন খাওয়াই.. আর টাকা ও সেই দেই.. আসলে আমার কাছে তো টাকা থাকে না তাই... মানে বলছি যে.. আপনি যদি আমারে টাকা দেন, তাহলে সেই টাকা দিয়ে আমি নীলা আপুরে খাওয়াইলাম, এর মানে হয় আপনিই তাঁরে খাওয়াইলেন, বুদ্ধিটা কেমন বলেন। - ভাইরে সত্যি তোর মেলা বুদ্ধি... কত টাকা লাগবে বল। - এই ধরেন যে... দশ হাজার টাকা, আপনার গার্লফ্রেন্ড ভাই, হালতু ফালতু রেষ্টুরেন্ট এ তো আর খাইতে পারবে না... তাই না বলেন। - হুমমমমম সেটাই... টাকা কোন ব্যাপার না... সে যত খাইতে চায় টাকা আমার বুঝলি... এই নে ধর টাকা.. আর আমার কথা বলবি...। - হুমমমমম.. ঠিকআছে... গেলাম...। - আচ্ছা যা....। ওহহহহহহ কী বাঁচাটাই না বাঁচলাম... সালা বদল মজনু আমারে নাকি মারবো... একটু দাঁড়াও মিয়া তেমারে কেমনে ছুঁড়াই....। কলেজে ঢুকতেই কেউ কলার ধরে টেনে একটা ব্রেঞ্চে নিয়ে গিয়ে বসালো। তাঁকাই দেখি নীলা। - ঐ তুই মজনু ভাইরে কী বলছিস, আমি তোর বড় আপু হই আর তুই আমার স্নেহ আদরের ছোট ভাই তাই তোরে পাপ্পি দিছি। - আরে তইলে তখন আমি কী বলতাম হুমমমম.. ওরা আমারে রাস্তা থেকে উঠাই নিয়ে গেছিলো.. কত গুলা পোলাপান ছিলো জানো। যদি একবার ও বলতাম তুমি আমার প্রেমিকা... সাথে সাথে কুরবানি হয়ে যেতাম। - ঐ ওঠ মজনুর কাছে এক্ষুনি যামু চল.... সব ভন্ডামি ছুঁটাই দিয়ে আসমু। - হুমমমমমমম... তুমি যাইয়া ভন্ডামি ছোঁটাও আর সে আমারে এই দিকে কুরবানির গরুর মতো কুরবানি দিক। - তাহলে ও এই সব আর কয়দিন হুমমমমমমম। - আচ্ছা থামো না একটু... মজনু ভাইয়ের কাছে থেকে দশ হাজার টাকা নিয়া আসছি চলো আগে খেঁয়ে নিই। - খাও তুমি যেয়ে... আমি ওর টাকার জিনিস খাবো না..। - আরে বাবা যদি তাঁর কাছে থাকতো তাহলে তো ওর টাকা হইতো... এই টাকা তো আমি আমার বুদ্ধি দিয়া অর্জন করে নিছি.... ঐ চলো তো... হাত ধরে টেনে নিয়ে গেলাম..। কী খাবা বলো। - তোমার মন যেটা খেঁতে চাচ্ছে তাই খাবো। - সত্যি তাই খাবে তো। - আরে বাবা হ্যা তাই খাবো। - আচ্ছা একটু মিষ্টি করে না ধরে বলো প্লিজ...। - আমার সাহরিয়া বাবু সোনাটা যা খাবে তাই খাবো। - ওমন ভাবে বলো না গো, বুকের ভেঁতরের ধরফরানি বেঁড়ে যায়। - তাই দেখি কই..। - আচ্ছা হাতটা দাও তাহলে..। - ধরো...। - এই দেখো কেমন লাফাচ্ছে। - হি হি হি পাগল একটা। - যাই বলো তোমারি কিন্তুু। - হুমমমমম আমারি তো...। - আচ্ছা অন্য কারো হইতে চাইলে...। - থাপড়ানি দিয়ে ধরে নিয়ে আসমু.. কী খাঁবা অর্ডার দাও। - এই যে ভাই শুনেন... এই রকম প্লেট ভরে সন্দেস নিয়ে আসেন। - আমি জানতাম তুমি সন্দেসই খাঁবা। - হি হি হি.....। - আচ্ছা খাইয়ে দাও। - এত্ত বড় একটা মেয়ে হয়ে একটা পিচ্চিরে বলতেছো খাইয়ে দিতে হুমমমমমমমম। - ওকে থাক লাগবে না। -আরে বাবা দিবো তো... রাগ করো না... আমি তো এমনি মজা করলাম। তার পরে সেই দিই বাসাই চলে আসলাস.... রাতে ঘুমাচ্ছিলাম... এমন সময় নীলার ফোন...। - হ্যালো..... ঘুম ঘুম কন্ঠে। - ঐ ঘুমাই গেছো। - এখন রাত একটা বাজে, এখন ঘুমাবো নাতো কী ফুটবল খেলবো। - বাবা আমার হুট করে বিয়ে ঠিক করে ফেলছে... আজকে সন্ধাই বিয়ে বুঝলা। - কীইইইইইই.... আমাকে ছেঁড়ে তুমি যাইতে পারবা অন্যের ঘরে হুমমমমম...। আমি তো বিশ খামু... না না ওটাতে কষ্ট বেশি.. আমি গলাই দরি দিমু, না এটা করলে সবাই ভয় পাবে... আমি বিশটা ঘুমের টাবলেট" খেঁয়ে মরে যামু। - ঐ চুপ করো.... যদি অন্যের ঘরেই জাইতাম তাহলে কী তোমারে ফোন দিতাম... খালি আজাইরা কথা। - তাহলে এখন কী করবো। - আমরা কালকেই পালাবো । - কীইইইই... আমি তো এর আগে কোনদিন পালাই নাই... আমার তো কোন এক্সপিরিয়েন্স নাই... আচ্ছা তোমার আছে। - একটা থাপ্পড় দিতে মন চাচ্ছে.. কালকে ঠিক সকাল নয়টাই বাস স্ট্যান্ড চলে আসবা কেমন। - ওকে........। - এবার ঘুমাই পড়ো লক্ষী ছেলের মতো..... বাই। - বললেই কী আর ঘুম হয়... টাকা পয়সার একটা ব্যাপার আছে না... টাকা কই পামু.. আইডিয়া...বলদ মজনু ভাই আছেই তো। পরে দিন ঠিক সকাল সাতটার দিকে মজনু ভাইয়ের কাছে গেলাম। - ভাই নীলা আপুর না ফোনটা হারাই গেছে... সে বলছে আজকে নতুন একটা ফোন কিনবে.. আমি বলছিলাম কী? - থাক আর বলা লাগবে না.... কত লগবে সেটা বল। - হাজার হলে ও আপনার গার্লফ্রেন্ড আইফোন এক্স ছাঁড়া কেমনে দেন বলেন.... বেশি না এই দেড় লাখ হলেই হবে। - হুমমমমমম...এই নে ধর টাকা...। - আচ্ছা ভাই গেলাম আমি... আস্ সালাম ওয়ালাইমুক....। হেব্বি একটা বলদ পাইছি...। ঠিক নয়টাই বাস স্ট্যান্ড পৌছে গেলাম.. ওই তো নীলা ও আসছে। - ঐ পকেটে ওই সব কী? - কই নাতো কিছু না। - দেখি বলছি। - না মানে পালাই যাচ্ছি একটু টাকার ব্যাপার আছে না বলে.. তাই আর কী? মজুর ভাইয়ে কাছে থেকে ধাঁন্দাবাঁজি করে নিয়ে আসছি....। - বাহ্ বাহ্ খুব ভালো করছো... এখন সিওর মজনু এখানে চলে আসবে তোমার পিছে পিছে। - তুমি কেমনে জানলে। - এতো গুলো টাকা কী? আর এমনি এমনি দিছে....ছাগল.... ওয়াও ঐ দেখো চলে ও আসছে। - এখন কী হবে...সে তো আমারে মেরেই ফেলবে। - চুপচাপ আমার পিছনে দাঁড়াই থাকবা কোন কথা না... যা বলবো চুপচাপ তাই করবা। - ওকে। - ভাই ঐ যে দেখেন সালাই ভাবিরে নিয়ে কই যাইতিছে....। - ঠাসসসসসস... ঐ কে তোর ভাবি হুমমম.. আর এই যে মজনু ভাই আপনার এই সব ভন্ডামি গুলো বাদ দেন... আপনি আমার অনেক বড় তাই সম্মান করি... আর হ্যা আমি সাহরিয়া কে ভালোবাসি... খবর দার আমাদের মাঝখানে ভিলেন হয়ে আসার চেষ্টা করবেন না.... সাহরিয়া ....। - হুমমমমমমমমমম। - টাকা গুলো সব ওনানে দিয়ে দাও। - ওকে..... ভাই ধরেন। - চলো বাস ছেঁড়ে দিবে এখন... আপনার যেনো সব মনে থাকে.. - হাত ধরে টেনে বাসের মধ্যে নিয়ে গেলে...বাহ্ এই না হলে আমার প্রেমিকা...। - সীটে বসো...। - আচ্ছা...। - কতো টাকা ওখান থেকে মেরে দিছো...। - কী মেয়েরে ভাই.... তুমি কেমনে জানলা। - তোমারে চিনতে আর বাঁকি নাই। এবার বলো কতো। - জানি নাতো... গুনতে হবে। - বাহ্ ভালো করছো। - আচ্ছা আমরা কই যাচ্ছি। - সিলেট...। - কেনো। - নানুর বাড়ি....। - ওহহহহহহহ..... ঐ সিলেট তো আমার নানি বাড়ি না। - তোমার না গাধা আমার...। - তোমার নানি বাড়ি কেনো... সবাই তো জেনে যাবে তাহলে। - একটু চুপ করো বাবা ফোন দিছে... হ্যা বাবা বলো। এই তো বাসে ওঠে গেছি। হ্যা সাহরিয়া ও আছে... ওই মজনু তো আমার ভয়ে একদম পুরাই চুপসে গিয়ে পালাই গেছে।। ওকে রাখছি এখন। - কিছুই মাথাই ঢুকলো না.... ঐ আমরা না পালাই যাইতেছি। - হুমমমমমম... মজনুর জন্য পালাই যাইতেছিলাম... তুমি তো সব সমাধান করে দিলে। - মানে....। - আমি জানতাম.. তোমারে পালানোর কথা বললে তুমি মজনুর কাছে টাকা নিতে জাবে.. আর মজনু তোমাকে ফলো করবে... আর তো সব দেখতেই পাইছো...। - বাহ্ কী বুদ্ধি তোমার.... বিয়ে তাহলে হচ্ছে না তাই তো... কালে রাতেই সপ্নে দেখছি কত্ত সুন্দর করে পাপ্পি খাইতেছি... সব সপ্ন... সপ্নই রয়ে গেলো...। - তাই না ফাজিল। - আচ্ছা ঐ দিনের মতো একটা দিবা। - কী? । - ঐ যে উমমমমমমমমমমমম্মা... হি হি হি।।।।।।। >>সমাপ্তThe End


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১০০ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now