বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

সাহায্য

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রামীম (০ পয়েন্ট)

X খুলনা বিভাগের ঝিনাইদহ জেলার একটি উপজেলা হল মহেশপুর উপজেলা। যেই ঘটনাটি আপনাদের সাথে শেয়ার করতে চাচ্ছি তা ফতেপুর ইউনিয়নের। ঐ ইউনিয়নের একজন সাধারণ কৃষক রমিজ মিয়াঁর বাসায় একটা ছোট কাজের ছেলে থাকতো। ছেলেটি কথা বলতে অক্ষম ছিল। ধারণা করা হয় সে জন্ম থেকেই বোবা। ধারণা করার কথা এইজন্য বলছি যে, তাকে জন্ম থেকে কেউ চিনতো না। গ্রামের বাজারে তাকে একদিন কাঁদতে দেখে রমিজ মিয়াঁ ধরে নিয়ে আসে। থাকা পড়ার খরচ দেয়। তার নাম রাখা হয় সুলতান। সুলতান থাকতো রমিজ মিয়াঁর ঘরের বাইরে একটা একচালা ঘরে। ঘটনার সূত্রপাত যখন একদিন রাতে রমিজ মিয়াঁ ঘুম থেকে উঠে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে বের হন তখন দেখেন সুলতানের ঘর থেকে গোঙানির মতো আওয়াজ আসছে। অনেকটা কাউকে বালিশ চাপা দিলে যেমন হয় তেমন আওয়াজ। রমিজ মিয়াঁ দ্রুত সুলতানের ঘরের দিকে গিয়ে দেখেন ঘরে অনেকগুলো মোমবাতি জ্বলছে এবং সুলতান চোখ মুখ উল্টে আসনপিঁড়ি দিয়ে বসে আছে এবং তার ঠিক সামনে একটা লোক বসা। লোকটি আগের আমলের মণি ঋষিদের মতো লম্বা চুল, খালি গায়ে বসা। চোখ বন্ধ। তবে রমিজ সাহেব সবচেয়ে যেই জিনিসটা দেখে ভয় পেয়েছিলেন যে, ঐ বৃদ্ধ লোকের গা দিয়ে আলোর মতন বের হচ্ছে এবং আশ্চর্য এক মায়াবী গন্ধ পুরো ঘর জুড়ে। রমিজ মিয়াঁ ঘাবড়ে গেলেন। কোন আওয়াজ না করে আস্তে আস্তে পা টিপে নিজের ঘরে ফিরে এসে নিজের বউকে জাগিয়ে তুললেন। সংক্ষেপে বললেন বিস্তারিত কথা। এরপর দুজনেই একসাথে গেলেন সুলতানের ঘরে। লোকটা একদম সেরকম ভাবেই বসে আছে, কিন্তু তারা দুজনই চমকে উঠলেন একটা বেপার লক্ষ্য করে। সুলতান ঐ লোকটির সাথে কথা বলছে। তাও আবার যা বলছে তার সবই উর্দু/ফারসি/ আরবি কোন একটি ভাষায়। কারণ তারা দুজন এক বর্ণও বুঝতে পারছিলেন না। ঠিক এই মুহূর্তে সেই বৃদ্ধ লোকটি চোখ মেলে এবং উনাদের দুজনকেই দরজার পাশে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখতে পান। সাথে সাথে রক্ত হিম করা এক ধমক দিয়ে বলে "কে তোরা।" সুলতানেরও সেই মুহূর্তে ধ্যান ভাঙ্গে। সেও সাথে সাথে ঘুরে তাকায় দরজার দিকে। রমিজ মিয়াঁ এবং তার বউ আতঙ্কে থর থর করে কাঁপতে কাঁপতে লক্ষ্য করলেন, সুলতান এবং সেই বৃদ্ধ দুজনেরই চোখ দিয়ে লাল রক্তের মতো আলো বের হচ্ছে। সুলতান তাদের দুজনের দিকে তাকিয়ে পরিষ্কার বাংলায় বলল, "হুজুর ইনারা আমাকে বাসায় আশ্রয় দিয়েছেন। উনাদের কোন ক্ষতি করবেন না হুজুর।" সুলতানের কথা শুনে সেই বৃদ্ধ লোকটি বসা থেকে উঠে দাঁড়ালেন। রমিজ মিয়াঁ এবং তার বউ আর সহ্য করতে পারলেন না। ঘুরে দৌড় দিলেন ঘরের দিকে। ঘরে এসে দরজা খিল দিয়ে আল্লাহ আল্লাহ করতে লাগলেন তারা। এভবে রাত কেটে গেলো। সকালে আলো ফোঁটার পর সাহস পেয়ে রমিজ মিয়াঁ তার পরিবারের সবাইকে নিয়ে বের হলে দেখতে পান সুলতানের ঘর ফাঁকা পড়ে আছে এবং তার বিছানার উপর কিছু সোনার গয়না। রমিজ মিয়াঁ এলাকার সবাইকে খবর জানালে তারা বলেন, হয়তো সুলতান কোন জিন ছিল এবং তাকে সাহায্য করার জন্য সেও রমিজ মিয়াঁকে যাবার সময় সাহায্য করে গেলো।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১২০৮ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ধূমপান ছাড়তে সাহায্য করে যেসব খাবার
→ যখন আসবে আল্লাহর সাহায্য
→ সাহায্য করা
→ অত্যাচারী ও অত্যাচারীত ব্যক্তি উভয়কে সাহায্য করো পর্ব ১
→ আত্মার সাহায্য
→ Please help me ! আমাকে সাহায্য করুন!
→ অন্যায় কাজে সাহায্যের ফলাফল part 1
→ অন্যায় কাজে সাহায্যের ফলাফল part 2
→ সাহায্য করলে বিপদে পরতে হয়
→ অন্যকে সাহায্য না করলে বিপদটা আপনারও হতে পারে
→ কেউ বিপদে সাহায্য চাইলে তাকে সাহায্য করা উচিৎ,
→ ইয়াতিম কে সাহায্য কর আল্লাহ তোমাকে সাহায্য করবেন
→ মানুষকে সাহায্য করুন , যতটা আপনার পক্ষে সম্ভব ।
→ অন্যকে বেঁচে থাকার জন্যে সাহায্য করতে হবে।

গল্পটির রেটিং দিনঃ-
☆ ☆ ☆ ☆ ☆

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now