বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
ছোটবেলায় যেমন ছিলো রোজার দিনগুলো
ছোটবেলার সবকিছুই যেমন অন্যরকম, রমজান মাসটাও তেমনই।
"অফিসের জন্য পরিপাটি হয়ে রওনা দিলো আজাদ। রোজার মাস চলছে। রাস্তায় কিছুদূর যেতেই আটকে গেলো। রিকশা, সিএনজি আর গাড়িগুলো মিলে জটলা তৈরি করেছে রীতিমত। এ তো আর নতুন কিছু নয়, প্রতিদিনের ঘটনা। অগত্যা চুপচাপ বসে চারিদিকে চোখ বুলাতে লাগলো সে।
এমন সময়ই একটা ছেলে হাসতে হাসতে দৌড়ে চলে গেলো। এইটুকু একটা ছেলে, পাঞ্জাবি আর টুপি পরে হাসতে হাসতে দৌড়ে যাচ্ছে, সামনেই একটা মসজিদ। আজাদের তখন মনে হলো, ছোটবেলায় এমনই একটা পাঞ্জাবী আর টুপি শখ করে সে-ও কিনেছিলো।
ছোটবেলায় তো আর অফিসে যাওয়ার তাড়া ছিলো না, স্কুল-ও ছুটি হয়ে যেতো। আর ছুটির দিন মানেই বন্ধু অনিমেষকে সাথে নিয়ে এটা-ওটা কত কী করে সময় পার করা। অনিমেষরা থাকতো পাশের বাসাতেই। তাই সারাদিন একে অন্যের বাড়িতেই পড়ে থাকতো ওরা।
ইফতারের সময় এগিয়ে এলে দারুণ মজা! ভাই-বোন, দাদা-দাদী, বাবা-মা আর দুই ফুপু- সবাই মিলে একসঙ্গে বসে রোজা ভাঙতো। অনিমেষও থাকতো সাথে। ওর প্রিয় ছিলো জিলাপি। একবার একসাথে দশটা জিলাপি খেয়ে ফেলেছিলো ও। আসলে, প্রতিদিন জিলাপি খাবার লোভে সারা বছর আজাদের সাথে সে-ও অপেক্ষা করে থাকতো রোজার দিনগুলোর জন্য।
আজও আনন্দ হয় বটে, তবে জীবনের স্রোতে তার রূপ গেছে পাল্টে। এমনই বুঝি হয় এক একটা জীবন! এসব ভাবতে ভাবতেই জ্যামটা ছুটে গেলো। আজাদের রিকশাটা এগুতে শুরু করেছে।"
(Wow box হতে সংগ্রহীত)
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now