বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
হ্যালো,আশিক!”
–“উম!হুম, কে ?”
–“আশিক, আমি ছোয়া”
নামটা শুনে সারপ্রাইজ আর শকট একসাথে
হলাম। কারন
আপু কোন দিন আমাকে ফেসবুকেও নক
দেয়নি,
আর আজ রাত ৩ টায় ফোন দিয়েছে।
–“জ্বী আপু এত রাতে কি মনে করে?”
–“আশিক, তোমার ভাই আমাকে ঠকিয়েছে
”
কথাটি আপু বলার সময় খেয়াল করলাম তার
গলা কাপছে,
হয়তো কাঁদছে। আর “আমার ভাই” কথাটি
শুনে
মোটেও অবাক হয়নি।আমার নিজের
মায়ের
পেটের ভাই ছাড়াও কিছু অন্য মায়ের
পেটের
আপন ভাইও আছে। তাদের ভিতর একজন হল
টুটুল
ভাই।টুটুল ভাই এখন পেশাগতভাবে
ক্রিকেটার।ব্যাটিং,
বলিং এ সমান পারদর্শী।অলরাউন্ডার
যাকে বলে।
ছোয়া আপু হল টুটুল ভাইয়ের জিএফ।
.
মাঝরাতে কেউ যখন কাউকে এভাবে ঘুম
ভাঙিয়ে
কাপা কাপা গলায় এই কথা বলে তার
মানে ব্যাপার
মারাত্মক সিরিয়াস পর্যায়ের আর
তাছাড়া বর্তমান যুগের
ছেলে মেয়েরা সাধারণত “ঠকানো”
কথাটা ব্যাবহার
করেনা,তারা বলে “চিট করেছে”। সবার
কাছে
ঠকানো আর চিট করার পার্থক্য না
থাকলেও আমার
কাছে আছে।এর মানে উনি ভয়াবহ কোন
সিদ্ধান্ত
নিয়েও ফেলেছে। তাছাড়া চিটের কথা
না বলে
ঠকিয়েছে বলাতে উনার ভিতর এখনো টুটুল
ভাইয়ের প্রতি ভালবাসা দৃশ্যমান। আর
এখন যদি ওনাকে
এভাবে কথা চালিয়ে যেতে হয় তাহলে
কিছুক্ষণ
এর ভিতরেই উনি হু হু করে কেঁদে
ফেলবে।
ওনাকে স্বাভাবিক হওয়ার সময় দেয়া
দরকার।
.
–“আপু আমি একটু চোখে মুখে পানি দিয়ে
ফ্রেস
হয়ে আসি,আপনি ঠিক পাচ মিনিট পর
ফোন
দেন,আমার ফোনে মিসকল দেয়ারো
ব্যালেন্স
নাই।”
–“আচ্ছা আশিক তুমি যাও, ফ্রেস হয়ে
আসো।”
মুখে পানি দেয়ার পরেই মনে হল যে টুটুল
ভাই
প্রিমিয়ার লিগে এবার ভাল দল
পেয়েছে।তাছাড়া
মোটা অংকের চুক্তিও হয়েছে।
প্রিমিয়ার লিগ শেষ
হলেই বিয়ে করবে বলে শুনেছিলাম
কিন্তু এখন
হঠাৎ তিন বছরের সম্পর্ক নষ্ট করার কারন
কি হতে
পারে!তাছাড়া এখন যদি আপুকে সরাসরি
কারন
জিজ্ঞেস করি তাহলে আবার
কান্নাকাটি শুরু করতে
পারে তাই কৌশল নিতে হবে। আপুকে
অবাক করে,
আপুর উপর নিয়ন্ত্রণ নিতে হবে।
.
–“হ্যালো আশিক, ফ্রেশ হয়েছো?”
–“জ্বী আপু, আচ্চা হেডফোনে কি গান
শুনলেন
এইটুকু সময়?”
–“অদ্ভুত তো! তুমি কিভাবে বুঝলে যে
আমি
হেডফোনে গান শুনছিলাম? ”
হেসে উত্তর দিলাম,
–“আপু আপনার কি মনে আছে আপনিই কয়েক
মাস
আগে বলেছিলেন যে মানুষকে অবাক
করার
অসাধারণ গুন আছে আমার”
–“হুম মনে আছে! বিএল কলেজের মাঠে
বসে
বলেছিলাম তাই না?”
–“জ্বী আপু,তারপর তো আর কোন
খোঁজখবরও নিলেন না,কখন অবাক করে
ফেলি
এই ভয়ে নাকি?”
–“আরেহ নাহ, তা না। আসলে অনার্সের
পরিক্ষা
বাকিটা পড়তে পরবর্তি পর্বের অপেক্ষায় থাকুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now