বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
পিক ডিলেট করছ..?
-হুম,
-আমাদের ম্যাসেজ গুলা...?
-হুম,
-আমি যা যা দিছি সব ফেলে
দিবা,ঠিক আছে..?
-হুম
-ফোনে কথা বলা শেষ হলে নাম্বার টাও
ডিলেট করে দিবা, ওকে?
-হুম,
-ফেসবুকেও ব্লক দিবা..?
ঠিক আছে...?
.
শিশির এবার মুখ খুলে বলে,
-তুমি ব্লক দিলেও তো পারো,
-না আমি দিলে আবার খুলে ফেলব তাই
তুমি দিবা,
-খুলবা কেন?
-জানিনা,
-আমিও তো খুলব তাহলে,
-না তুমি খুলবা না।
-কেন?
-জানিনা,তবে খুলবা না,
-আচ্ছা,ব্লক না দিলে হয় না,
.
শিশির প্রশ্ন শুনে মেঘলা চুপ হয়ে যায়।
ব্লক না দিলে কি হবে?
-না, ব্লক দিবা,
-কেন?
-তাহলে মায়া বাড়বেনা,
-এখন কি মায়া আছে আমার প্রতি,
-জানিনা,
-তোমার একটা পিক রেখে দিব প্লিজ?
-কেন?
-মোবাইলের ওয়ালপেপার এর জন্য,
-আচ্ছা,রাখ একটা।
অন্য সব ডিলেট করে
দিবা কিন্তু,
-আচ্ছা,
-পিক দেখে যদি কেউ বলে এটা কার পিক
তখন কি বলবা?
-প্রেমিকা বলব,
-আমি কি তোমার প্রেমিকা,
-ছিলে তো আগে,
-এটা কি শুনতে ভাল লাগবে,
-ভালবাসার মানুষ বলবা,
-উম,আচ্ছা।
নাম্বার ডিলেট করবা অবশ্যই
-কিন্তু মোবাইল নাম্বার যে মুখস্ত, কি
করব?
-কখনো কল করবানা তাহলেই হবে,
-থাকতে পারব কথা না বলে?
-কেন পারবোনা,
-আচ্ছা চেষ্টা করবো...
.
-শিশির এর কথা শুনে আবার চুপ হয়ে যায়
মেঘলা কথাটা বুকে গিয়ে লাগে।
ভালবাসা
কথাটাই এমন,
হুট হাট করেই হয়ে যায়...!!
.
-দেখো মা-বাবা কখোনো তোমায় মেনে নিবে না...
আর আমি মা-বাবা, ভাই এদেরকে কষ্ট দিয়ে পালিয়ে বিয়ে করতে পারবো না...
-কারন আমার বাবার সমাজে সম্মান আছে...
আর আমি তোমার সাথে পালিয়ে গেলে আমার শখের চাকরিটা হারাতে হবে...
-আচ্ছা মেঘলা ঠিক আছে তোমার কাউকে হারাতে হবে না আমি তোমাকে হারিয়ে ফেললাম....
খুশি তো...?
-শিশির এভাবে বলো না....
দেখো কেউ মেনে নিবে না আমাদেরকে না তোমার মা-বাবা না আমার মা-বাবা
-অযথা এতোগুলা লোককে কষ্ট দিয়ে কি লাভ বলো...?
আমরা দুজনেই না কষ্টে পুড়ি....
-কি কি বলছি মনে থাকবে তো
ফেসবুক থেকে ব্লক দিবা...!
নাম্বার ডিলিট করবা আর মুখস্ত থাকলেও কোন দিন কল দিবানা.....
আর এই নাম্বারটাই বন্ধ করে দিবো...!!
-আর হে এখন আর আমার ফোনের আশায় থেকো না যে কখোন ফোন দিবো আর ঘুম থেকে উঠবা...
-নিজে নিজে এর্লাম দিয়ে রাখবা ঠিক মতো খাওয়া দাওয়া করবা
আর আমায় বেশি মনে পড়লে ঐ গানটা শোনবা....
[ যারে আমার মন ভালোবাসে সে তো আমায় বাসে না ]
কি ব্যাপার কিছু বলছো না কেন শিশির....
কি বলবো সব তো শিখিয়েই দিলা তাহলে আসছিলা কেন আমার জীবনে...?
-আমি আসি না তুমি আসছিলা..
তুমি আমার পোষ্টে প্রথম কমেন্ট করছিলা...
-আমি কি আপনার খুব ভালো বন্ধু হতে পারি...?
তারপর থেকেই না শুরু হলো কাহিনী...
.
-তুমি কি আমায় ছাড়া খুব ভালো থাকবা..?
দুই দিন রাগ করে কথা না বললেই অসুস্হ হয়ে যাইতা....
আচ্ছা যদি ভালো থাকতে পারো তবে ভালো দোয়া করি ভালো থেক...
-শিশির তুমি কান্না করতেছো...?
না হাসতেছি....
দেখো ছেলে মানুষের কান্না মানায় না...
তুমি তো কাঁদতেছো তোমাকে আমি চিনি না
দুই দিন কথা না বললেই যে কেঁদে বিনাশ করতো সে কাঁদে কেমনে বিশ্বাস করি....
-আমার কান্নার শব্দ হয় তোমারটা হয় না পার্থক্য এটাই....
আচ্ছা শিশির মোবাইলের টাকা প্রায় শেষ কেটে যাবে মনে হয়...।
ভালো থেকো...
আর একদম সিগারেট খাবা না
আমি জানি তুমি এগুলা পছন্দ করো না,
দোয়া করো আমার জন্য যে তোমার মেঘলা ভালো থাকে....
রাখলাম আল্লাহ হাফেজ...
.
মেঘলাই ফোনটা কেটে দিলো
আবির চোখে যেন পানির ফোয়ারা বইছে...
টপাটপ পড়ছে চোখের জল
কত কথা যে মনে পড়তেছে পাগলিটার....
প্রতিদিন ফজরের নামাজের সময় ফোন দিয়ে জাগিয়ে দিতো...
একটু বেলা করে ঘুমালেই বলতো এই বাবু কয়টা বাজে খেয়াল আছে....
পাগলিটা প্রতিদিন ৯.৫০ এ কল দিতো সবগুলো আজ স্মৃতি হয়ে থাকলো.....
ভালো থাকুক দোয়া করি ওর যেন ভালো একটা সংসার হয়
পাগলিটা বড্ড বেশি ভালোবাসতো...
মনে হচ্ছে কি একটা জিনিষ যেন হারিয়ে গেলো...
তোমার ভালোবাসা কখোনো হারিয়ে যাবে না....
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now