বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

হিন্দু পুরানের দধীচির আত্মত্যাগ-১

"পৌরাণিক গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান mim (০ পয়েন্ট)



X পুরাকালে নৈমিষারণ্যে দধীচি নামে এক মুনি ছিলেন।তিনি যেমন ছিলেন বলিষ্ঠ এবং সুদর্শন পুরুষ, তেমনি ছিলেন ভগবদভক্ত কঠর তপস্বী।এই শিবোপাসক সাধক বিবিধ শাস্ত্র অধ্যয়ন করে অশেষ জ্ঞানের অধিকারী হয়েছিলেন। গুরুর নির্দেশ ও শাস্ত্র প্রদর্শত পথ অবলম্বন করে তিনি আরাধনা করতেন। সাধনায় যাতে বিঘ্ন না ঘটে, সে জন্য তিনি নির্জন স্থানে কুটির স্থাপন করতেন। সেই সময় বৃত্র নামে এক অসুর পরম পরাক্রান্ত হয়ে উঠেছিলেন। তার কঠোর তপস্যায় তুষ্ট হয়ে শিব তাকে বর দিলেন, দেব দানবের কোনো অস্ত্রশস্ত্রেই তার মরণ হবে না। এই বর লাভ করে বৃত্রা অত্যাচারী ও দুর্দমনীয় হয়ে উঠল। নিজ পরাক্রমে সে ত্রিভূবন জয় করে ফেলল।স্বর্গরাজ্য তার হাতে এলে দেবরাজ ইন্দ্রকে বিতাড়িত করে সে স্বর্গের রাজা হয়ে বসল। স্বর্গীয় ধনসম্পদ ভোগ করতে গিয়ে সে দেবতাদের উপর ভীষণ অত্যাচার আরম্ভ করল।দেবগন স্বর্গ ছেড়ে মর্তে এসে নানারুপ ছদ্মবেশ ধারণ করে বাস করতে লাগল। রাজ্যহারা, স্বর্গহারা দেবতারা এমনি করে আর কতকাল দুঃখ ভোগ করবেন। তাই প্রধান দেবগণ মিলিত হয়ে তাদের দূরবস্থা প্রতিকারের কথা চিন্তা করতে লাগলেন। তাদের সঙ্গে মিলিত হয়ে দেবরাজ ইন্দ্র শিবের নিকট গেলেন। শিব তখন ছিলেন ধ্যানমগ্ন। সবাই মিলে শিবের স্তব করতে লাগলেন। ধ্যান ভঙ্গ হয়ে শিব দেখলেন, দেবতারা তার স্তব করছেন। দেবতাদের আগমনের আরণ শুনে শিব বললেন, আমার বরে বৃত্র এেমন শক্তিশালী হয়েছে। তাকে বধ করা আমার পক্ষে ঠিক হবে না। আপনারা বিষ্ণুলোকে নারায়নের নিকট গমন করুন। তারই অনুগ্রহে আপনাদের অভীষ্ট পূর্ণ হবে।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ১৭৭৮ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...