গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !
জিজে রাইটারদের জন্য সুঃখবর ! এবারের বই মেলায় আমরা জিজের গল্পের বই বের করতেছি ! আর সেই বইয়ে থাকবে আপনাদের লেখা দেওয়ার সুযোগ! থাকবে লেখক লিস্টে নামও ! খুব তারাতারি আমাদের লেখা নির্বাচন কার্যক্রম শুরু হবে

গল্পেরঝুড়িতে স্বাগতম ...

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

গা শিহরিত এক ভয়ঙ্কর রাত -২

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান mim (০ পয়েন্ট)



★লেখকঃ মিম★ হঠাৎ করে ররহমানকে আবার পপাশে দেখে নানার মনে সত্যি সত্যিই খটকা লাগল। নানা কিন্তু পুরো এক প্যাকেট সিগারেট নিয়েছিল। এবার নানা আবার আর একটা সিগারেট ধরাতে যাবে এমন সময় রহমান বলল,কিরে তুই আজ এত সিগারেট খাচ্ছিস কেনো? আর খাস না আমার সিগারেটের ধোয়া সহ্য হচ্ছে না। নানা মনে মনে ভাবল যে লোকটা দিনে এক প্যাকেট সিগারেট শেষ করে ফেলে সে কিনা বলছে সিগারেটের ধোয়া তার সহ্য হচ্ছে না। আজব তো!! এসব ভাবতে ভাবতে নানা আর রহমান চলে এল বিলে। নানাদের জাল যেখানে পাতা রয়েছে সেখানে।না এবার সিগারেট ধরিয়ে আস্তে আস্তে করে জাল টেনে তুলতে লাগল আর মাছগুলো নিয়ে পাত্রে রাখতে লাগল। রহমান নানার কাছে এল না সে একটু দূরে বসে ছিল মাছের পাত্রের কাছে। এদিকে নানা একটা জালের মাছ ঝেড়ে যখন উপরে এল আর একটা জালের মাছ ঝাড়বে বলে তখন পাত্রে তাকিয়ে দেখল একটা মাছউ নেই। আর রহমানের মুখে একটা মাছের লেজ যেটা আস্তে আস্তে সে গিলে ফেলল। এটা দেখে নানা বুঝে গেছিল যে ওটা কোনো মানুষ নয়। নানা রহমানকে বলল,কিরে রহমান তুই এটা কি করছিস?আমি প্রায় শেরখানেক মাছ মারলাম আর তুই সেগুলো কাচাই খেয়ে ফেললি? তুই নিশ্চয় আমার বন্ধু রহমান না। একথা বলার সাথে সাথে রহমান হয়ে গেল মেছোভূত। এ পর্যন্ত শুনে সাজু তো ভয়ে ঠক ঠক করে কাপছে। আমরাও কম যাই না। সাজুর মত অত ভয় না পেলেও একটু আধটু পাই। আর এই ঘটনা শুনে সবার দিকে তাকিয়ে দেখলাম সবারই একই অবস্থা। ছোট কনা এবার নানাকে জিজ্ঞাসা করল,নানা তুমি কি ওই মেছো ভূতের কাছ থেকে বেচে ফিরতে পেরেছিলে??এ কথা শুনে রাজু বলল, দেখছিস না নানা এখানে আমাদের সামনে বসে গল্প বলছে। বেচে না ফিরলে আমাদের সামনে কে বসে আছে? মাহি তখন বলল,বলা যায় না মেছোভূত যদি রহমান নানার রুপ ধরতে পারে তবে আমাদের নানার রুপ কেনো ধরতে পারে না। একথা শুনে সবার এখন নানাকেই ভয় হতে লাগল। তখন নানা হেসে বলল,আরে তোরা আগে আমার গল্পটাতো শোন কিভাবে আমি বেচে এলাম ঐ মেছোভূতের কাছ থেকে। আমরা সবাই তখন, বললাম হ্যা হ্যা তাই আগে শুনে নেই। নানা তখন বলতে শুরু করল।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৮০২ জন


এ জাতীয় গল্প

→ » নীল হাতী » একটি মামদো ভূতের গল্প
→ ইসলাম ধর্মে গান শোনা কেন হারাম
→ একুশের চেতনা ও সাম্প্রদায়িক মনোভাব
→ অতঃপর একজন হুমায়ূন আহমেদ
→ একজন হরমুজ আলী এবং...
→ একজন স্রষ্টা অথচ সর্বএ বিরাজমান কিভাবে হতে পারে?
→ গল্প-স্মৃতিময় রাত
→ জিজেতে পুরাতন ইউজারদের দাম নাই......
→ একজন নিরক্ষর ডাক্তার……
→ এক টুকরো সুখের খোজেঁ ২

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...