বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

সত্য-ঘটনা(০১)

"সত্য ঘটনা" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়াদুল ইসলাম রূপচাঁন (০ পয়েন্ট)

X * * * * ---বিয়ের ১৪ বছর পর আমার হাজবেন্ডের #দ্বিতীয়_স্ত্রী আজ আমাকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে আমার সংসার,আমার ঘর থেকে বের করে দিল।আমি #বন্ধ্যা এটাই আমার অপরাধ! ----সে আমাদের এলাকারই এক সম্ভ্রান্ত পরিবারের ছেলে।আমি ক্লাস টেনে থাকা অবস্থায় সে আমাকে দেখে পছন্দ করে।তখন সে শহরে ব্যবসা করত।যতবারই বাড়িতে আসত, আমাদের বাড়ির আশে পাশে ঘুরঘুর করত।অনেক সময় স্কুলে যাওয়ার পথে দাঁড়িয়ে থাকত কিন্তু কখনো কিছু বলেনি।--- আমার এস এস সি পরীক্ষার পর আমার বাবার কাছে বিয়ের প্রস্তাব পাঠানো হল।কিন্তু আমার বাবা কোনমতেই রাজি নয়।বাবাও এক সম্ভ্রান্ত ব্যবসায়ী ছিলেন।এদিকে ধীরেধীরে আমিও তাকে ভালবেসে ফেলেছি।তখন আমাদের জীবনে মোবাইল বলতে কোন কিছু ছিলনা।সে ঘন ঘন আমাদের বাড়ির সামনে আসত। তাকে প্রায় সময় আমাদের বাড়ির সামনে রাস্তায় দেখা যেত।বাবা বিয়ের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায়,সে আমাদের সব আত্মীয়দের কাছে গিয়ে বলত,আমার বাবাকে বুঝানোর জন্য যেহেতু একই এলাকার হওয়াতে সে আমাদের আত্মীয়দের ব্যপারে সহজেই সব জেনে গিয়েছে। কিন্তু বাবা কিছুতেই রাজি হবেনা। সে শেষে আমাদের বাড়িতে এসে বাবাকে অনেক অনুনয় বিনয় করে,অনুরোধ করে,কান্না করে। বাবা বলে ঠিক আছে তোমার ফ্যামিলিকে পাঠিয়ে দিও। যথা সময়ে দুই ফ্যামিলির সম্মতিতেই বিয়ে হয়।বিয়ের পর সে আমাকে গ্রাম থেকে শহরে নিয়ে আসে।যেহেতু তখন যোগাযোগ ব্যবস্থা এত সহজ ছিলনা।আর সে অন্য শহরেই বিজনেস করত। খুবই সুখে দিন কেটে যাচ্ছে।সে সকালে বাইরে চলে যেত আর আমি তার জন্য অপেক্ষা করতাম।বিনোদনের অন্যতম উপায় ছিল বিটিভি।রাতে সে বাসায় ফিরলে দুইজন একসাথে এশার সালাত আদায় করে রাতের খাবার খেয়ে টিবি দেখতাম। এটাই ছিল নিত্যদিনের রুটিন।কোন কিছুর অভাব ছিলনা,কিন্তু বিয়ের পাঁচ বছরেও একটা বাচ্চার অভাব আমাকে খুঁড়ে খুঁড়ে খাচ্ছিল।সে কোনদিন বাচ্চার কথা মুখে বলেনি কিন্তু আমি বুঝি তার বন্ধুদেরকে যখন বাচ্চাদের সাথে মধুর সময় কাটাতে দেখে তার কতটুকু মন খারাপ হয়।সে আমাকে কখনো বুঝতে দেয়নি তারও প্রচণ্ড বাবা ডাক শুনার হাহাকার মনে। আমাকে শান্তনা দিত বাচ্চা নেই কি হয়েছে তুমি আর আমি তো আছি।একসাথে জীবন কাটিয়ে দিব নাহয়।আমরা গ্রামে গেলে পরিচিত যত হুজুর আছে সবার কাছেই যেতাম, বাচ্চা হওয়ার ট্রিটমেন্ট করার জন্য।শহরেও একটা ডাক্তার বাদ রাখিনি। এভাবেই এগারটা বছর কেটে গেল আমি মা হতে পারিনি।নিজেকে একটা সান্ত্বনা দিতাম আল্লাহ যা করেন ভালর জন্যই করেন।তিনি হয়ত এখন দিবেন, নয়ত আরো পরে, নয়ত আরো ভাল কিছু এটাই ছিল আমার বিশ্বাস।এখন তার কষ্ট দেখে আর নিজেকে সামলাতে পারছিনা।একদিন মনের মধ্যে পাথর বেঁধে বলেই ফেললাম, তুমি একটা বিয়ে কর, আমাদের একটা বাচ্চা হউক। কেউ একজন তোমাকে বাবা ডাকবে।সে খুব রেগে যায়।বলে আমার বাচ্চা লাগবেনা তুমি থাকলেই চলবে।সেদিন থেকে প্রতিদিন আমি তাকে দ্বিতীয় বিয়ে করার জন্য চাপ দিতাম।প্রায় প্রতিদিন ঝগড়া হত।আমি তাকে খুব ভালবাসি।তার সুখের জন্য কিছু করতে পারাটা আমার জন্য সৌভাগ্যের। অনেক চাপ দেওয়ার পর বিয়ে করতে রাজি হয়।কিন্তু শর্ত দেয় মেয়ে আমাকেই পছন্দ করতে হবে। সেই মূহুর্তে আমার মনে হচ্ছে আমার পুরো পৃথিবী উল্টে যাছে।প্রচণ্ড কষ্টে বুকটা ভেংগে যাচ্ছে।খুব খুব কান্না করেছি দিনের পর দিন ঘুমাতে পারিনি।শুধু একটাই ভাবনা আমাকে খুঁড়ে খুঁড়ে খাচ্ছে, তাকে অন্য মেয়ের সাথে কিভাবে দেখব।বুকে পাথর বেঁধে তার জন্য মেয়ে দেখা শুরু করলাম। মন মত একজনকে পেয়েও গেলাম।আমাদের এলাকারই মেয়ে।গরিব, ভাল পরিবারের।সে মেয়েটিকে একটি বারের জন্যও দেখেনি।বিয়ের দিন ঠিক হল।বিয়ের সমস্ত কিছু আমি নিজ হাতে ক্রয় করেছি। আজ মেয়েটিকে আমার হাজবেন্ডের জন্য নিতে আসছি।আজ আমার হাজবেন্ডের বিয়ে।সে বাসায় আছে।আমি আর আমার শাশুড়ি আর কয়েকজন আত্মীয় মিলে জাস্ট এক গাড়ি মানুষ নিয়ে মেয়েটিকে আমার হাজবেন্ডের জন্য নিয়ে আসলাম।ও অনুরোধ করেছিল আমার বেডরুম যেন আমারি থাকে।ওদের জন্য অন্য একটি রুম সাজিয়েছিলাম।মেয়েটিকে সেখানে বসিয়ে দিলাম।এখন সে কিছুতেই রুমে যেতে রাজি হচ্ছেনা।কিন্তু আমি মেয়েটির বাবা মাকে কথা দিয়েছি মেয়েটির কোন অযত্ন বা অবহেলা হবেনা। সে কোনভাবেই তার #দ্বিতীয়_স্ত্রীর ঘরে যেতে রাজি হচ্ছেনা।আমি তাকে হাতে পায়ে ধরে অনেক অনুনয় বিনয় করে, ঠেলে রুমে পাঠিয়ে দিয়েছি।আমি নিজেই রুমের দরজা বন্ধ করে দিয়েছি। অনেক কান্না করেছি।নিজেকে সামলানোর চেষ্টা করেছি।সারারাত ঘুমাতে পারিনি।নিজেকে বুঝালাম আজ থেকেই আর ঘুম হবেনা।লক্ষ্য করলাম দিনের বেলায় ওরা ভাল করে কথা বলেনা আর রাতে সে রুমে যেতে চায়না।আমি ওদেরকে একাকী সময় কাটানোর জন্য অন্য শহরে পাঠিয়ে দিলাম নিজের কষ্টকে উপেক্ষা করে।এক সপ্তাহ পর ওরা ফিরে আসল। এই এক সপ্তাহের প্রতিটি সেকেন্ড আমার জন্য অত্যন্ত কষ্টের ছিল।আমার চোখ ভিজা ছিলনা এমন কোন মূহুর্ত যায়নি। বুঝতে পারলাম তাদের মধ্যে ভালবাসা বৃদ্ধি পাচ্ছে আর সেই সাথে বৃদ্ধি পাচ্ছে আমার কষ্ট।একদিন মেয়েটি বলল সে প্রেগন্যান্ট। আমার খুশি হওয়ার কথা কিন্তু আমি খুশি হতে পারিনি।আমার চোখ দিয়ে পানি বের হচ্ছে আনন্দের নয় কষ্টের।রাতে সে বাসায় এসে শুনে খুশীতে পাগল হয়ে গেল,আমার সামনেই মেয়েটিকে কোলে তুলে নিল।বারবার করে বলতেছে মেয়েটির যেন কোন অযত্ন না হয়।আমার ভেতর তুফান শুরু হয়ে গেছে,এই সব গুলোই আমাকে নিয়ে করার কথা ছিল।ধীরেধীরে সে আমার রুমে আসা কমিয়ে দিল,ঐ রুমে যাওয়ার জন্য ওকে অনেক অনুরোধ করতে হত আর আজ আমার রুমের(ওর প্রিয় বেড রুমের) দরজা সে ভুলে গেছে।রাতে বাসায় এসেই ঐ রুমে ঢুকে যায়।বাইরে যাওয়ার সময়ও আমাকে একটি বারের জন্যও বলেনা যাচ্ছি।শুধু তার স্ত্রীর ধ্যান রাখতে বলত।একবারও বলেনা "নিজের খেয়াল রেখ"এইতো কিছুদিন আগেও এটাই ছিল ওর কমন ডায়লগ। এতদিনের প্রতিক্ষার পর আমার হাজবেন্ডকে বাবা ডাকার জন্য একটি পুত্র সন্তান দুনিয়াতে এল।আমি খুশি হতে পারিনি,প্রতিটি মুহূর্ত অত্যন্ত কষ্টের মধ্য দিয়েই কাটছে।আমার হাজবেন্ডের এই খুশী, উচ্ছাস সব আমাকে নিয়ে করার কথা ছিল,সব কিছু থেকেই আমি বঞ্চিত। বাবুর বয়স ছয় মাস, একটু একটু বসতে শিখেছে।ঠিক ওর মত হয়েছে,খুব আদর করতে ইচ্ছে করে কিন্তু আমাকে আদর করতে দেওয়া হয়না।বলে আমি বাচ্চাকে ছুঁইলে বাচ্চার অমঙ্গল হবে।খুবই কষ্ট হয় কারণ সে চুপ থাকে একবারের জন্য বলেনা"থাক একটু কোলে নিলে কি এমন ক্ষতি হবে"।একদিন ওরা দুইজনই রুমে এসে,আমাকে রুম থেকে বের হয়ে যেতে বলল,অনেক কষ্ট পেয়েছি।মেয়েটি যদি বের করে দিত হয়ত এতটা কষ্ট পেতামনা। কিন্তু সে কিভাবে পারল এতটা নিষ্টুর হতে।সে জানে দুনিয়াতে আমার সবচেয়ে প্রিয়, নিজের রুম। এর প্রত্যেকটি জিনিসের সাথে ওর আর আমার স্মৃতি। বের হয়ে গেলাম একটা কথাও বলিনি।অন্তত ওর ঘরেতো আছি, ওর আওয়াজ শুনতে পায়,ওকে নিজের রান্না খাওয়াতে পারি,ওর কাপড়ে আমার ছোঁয়া লাগাতে পারি। এটাই বা কম কিসে।বাসায় কাজ করার লোক থাকলেও সেই বিয়ের পর থেকেই ওর সমস্ত কাজ আমি নিজেই করতে ভালবাসি। সেদিন আমি ওর জন্য চা নিয়ে যাচ্ছিলাম, মেয়েটি আমাকে যেতে দেয়নি।বলল আজকে থেকে ওর নাস্তা,খাবার, চা,পানি কোন কিছুই যেন আমি না দিই,রান্না ঘরে যেন না যাই।এবার চোখের পানি আর ধরে রাখতে পারিনি, মেয়েটির সামনেই চোখ দিয়ে পানি বের হয়ে গেল।আমার হাজবেন্ড,আমার বেডরুম, আমার আনন্দ সব দিয়ে দিলাম।এইটুকু সুখ থেকেও আমাকে বঞ্চিত করল।আমার কান্না মেয়েটির মনকে এতটুকুও গলাতে পারেনি।সে আমার রান্না খুব ভালবাসত,যেভাবেই রান্না করি বুঝতে পারত এটা আমি রান্না করেছি। কোনদিন জিজ্ঞাসও করেনি আমি কেন রান্না করিনা।আমার স্বাদ কোথায়। এই অনুভূতি অনেক কষ্টের,বুঝানোর ভাষা আমার জানা নেই। অন্তত একবার জিজ্ঞাস করত।তুমি ভাল আছতো?কেন রান্না করনা আমার জন্য। আরেকদিন ওর কাপড় আইরন করছিলাম,সেদিনও আমার হাত থেকে কাপড় কেড়ে নিল।এভাবে সমস্ত অধিকার কেড়ে নিল।সে একদম চুপ, কিছুই বলেনা।ছেলে আর ইয়াং,সুন্দরী ওয়াইফের ভালবাসায় আমার স্মৃতি তার মন থেকে মুছে গেছে।একবারও তার মনে পড়েনা আমাদের তের বছরের ভালবাসার কথা। একদিন বাসায় মেয়েটির মা আর বোন আসল বেড়াতে।তাদেরকে বলতে শুনেছি,মেয়েটি আমাকে খুব শীঘ্রই বাড়ি থেকে বের করে দিবে।কারণ মেয়েটির ভয়,যদি ও আবার আমাকে ভালবেসে ফেলে,যদি আমার বাচ্চা হয়।তাই চোখের সামনেও রাখতে চায়না। কিছুদিন পর,,, দুইজনেই আমার রুমে এসে খুব ঝাঁঝালো কন্টে বলল।বাসা ছেড়ে চলে যাও।কখনো আর এই বাসায় পা রাখবেনা।একবারও ভাবেনি আমি কোথায় যাব।বাবা সেই কখন মারা গেছেন,ভাইরা সব আলাদা থাকে।সবই সে জানে।অনেক অনুরোধ করলাম অন্তত কাজের মেয়ের মত করে হলেও আমাকে থাকতে দাও,আমি কোনদিন তোমার সামনে আসবনা।ঘরের এক কোণায় পড়ে থাকব।অনেক কান্না করেছি।দুই জনের পায়ের উপর উপুড় হয়ে পড়েছিলাম।শুধু তার আওয়াজ শুনতে পারব। মানুষ জানবেনা।আমার ইজ্জত সম্মানের হানি হবেনা।তাদের অন্তরে আমার জন্য এতটুকুও দয়া হলনা।বের হয়ে চলে আসলাম বাবার বাড়ি।আত্মহত্যা করতে গিয়েও করিনি।কারণ আমি এর শেষ দেখতে চাই।আমি হাতের কাজ জানি।গ্রামে এসে হাতের কাজ শুরু করি।কয়েকজন আমারি মত অবহেলিত মহিলাদের নিয়ে কাজ করি,চলে যায় দিন।মা ভাইয়ের উপর বোজা হয়ে থাকিনা।আলাদা বাসায় থাকি।তাকে আমি অভিশাপ দিইনি।কিন্তু প্রতি ওয়াক্ত নামাজেই ওর জন্য দোয়া করতে গেলে কান্না ছাড়া কিছুই আর আসেনা।স্মৃতিগুলো শুধু কাদায়। এইতো সেদিন জানতে পারলাম তাদের একমাত্র সন্তানের কি যেন একটা বড় রোগ হয়েছে।দেশ বিদেশের এত ডাক্তার দেখানোর পরও ভাল হচ্ছেনা।কিন্তু আমিতো এইভাবে এর শেষ দেখতে চাইনি।আমি শুধু চেয়েছিলাম সে যেন বুঝতে পারে,আমার প্রতি কি অন্যায় করেছে।আল্লাহর কাছেও কোন অভিযোগ নেই,দুনিয়াতে শান্তি পায়নি, আমি জানি আখিরাতে পাব। কারণ আল্লাহর কাছে নেই বলতে কিছুই নেই,হয়ত এখন, নয়ত আরো পরে, নয়ত আরো ভাল কিছু।অথবা দুনিয়াতে না পেলে আখিরাতে পাব।বরং আমি নিজেকেই বলি, আল্লাহ আমাকে এই কষ্ট সহ্য করার উপযুক্ত মনে করেছেন বলেই আমাকেই কষ্ট গুলো দিয়েছেন।আমার ধৈর্যের পরীক্ষা করার জন্য। ----((আল্লাহ যাকেই বেশী ভালবাসেন তাকেই বেশী পরীক্ষা করেন।আরো খাঁটী বানানোর জন্য।আমি এখনো ভাল আছি, বেচেঁ আছি শুধু এই কথা গুলো ভেবেই। আল্লাহ বলেছেন,আল্লাহ কাউকেই বিপদে ফেলেননা কিন্তু মানুষ তার কর্মফল ভোগ করে মাত্র।মানুষের উপর যদি কোন বিপদ আসে (ছোট হউক বড় হউক)ভাবা উচিৎ সেটা তার কর্ম ফলের কারণেই এসেছে।))---- -------------------সমাপ্ত।--------------------


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৪৮ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now