বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

রুপপুরের রাজকন্যা

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়াদুল ইসলাম রূপচাঁন (০ পয়েন্ট)

X ওরা রুপপুর পৌছাল সকালে।সেখান থেকে ওদের পিক আপ করে অনিকের কাজিন রিমন।যেতে যেতে অনিক ওর কাজিনকে সব বলে।রিমন ওদের বলে , -কোন চিন্তা করবা না।আমি আছি।কোন সমস্যা নাই। (রিমন) -সেই ভরসায় আপনার কাছে এসেছি।(অনিক) -হুমমম।চল বাসায়।দেখ তোমার খালা তুমি আসবা বলে কত আয়োজন করছে। , তারা বাড়ি পৌছাইয়া দেখে রাজপ্রসাদ এর মত একটা বিরাট বাড়ি।মেইন গেটে বড় করে লেখা "সিকদার ভিলা"। বাসায় যাওয়ার পর সবাই অনিক কে নিয়ে পরে। অনিক এই প্রথম তার খালা বাসা রুপপুর এসেছে,তাই সবাই একটু বেশিই করছে।খাতির যত্নের কোন শেষ নেই।খাওয়া দাওয়া শেষে অনিক সবার সাথে পরিচিত হচ্ছে।বাকিরা সবাই বিশ্রাম নিচ্ছে।অনিক একে একে সবাই সাথে পরিচিত হয়ে অনিমের সাথে একটা মেয়ের দেখা হয়,মেয়েটা দেখতে একেবারে পরীর মত।যেনো এই রুপপুরের রাজকন্যা।কিন্তু মমেয়েটাকে দেখে কাজের মেয়ের মত লাগে।এই বাড়ির মেয়ে বলে মনে হয় না।এই বাড়ির কেউ হলেতো ওর সাথে পরিচয় করাইয়া দিত।ন্না মেয়েটাকে এলএই বাড়ির কাজের লোক ভাবতে বেমানান লাগছে অনিকের।কিন্তু মেয়েটা অনিকের দিকে তাকিয়ে আছে কেনো।অনিককে কি কিছু বলতে চায়।ধুর,মেয়েটাকে নিয়ে এত কিছু ভাবতেছে কেন অনিক।সাত পাচ না ভেবে অনিক রেস্ট নিতে চলে যায়। , , -কিরে আনিমকে জানাইছো,যে আমরা আইসা পৌছাইছি??(অনিক অভি আর সিয়াম কে জিগ্গেস করল) -না রে।এখনও জানানো হয় নাই।(সিয়াম) -দুর ব্যাটা মোবাইল টা দে?(অনিক) , সিয়ামের কাছ থেকে মোবাইল টা নিয়া ফোন কইরা জানাইয়া দেয় আনিমকে।এরপর ঘুমাইয়া যায় ওরা। , দুপুরে খাবার সময় দেখা হয় অনিকের খালুর সাথে।যেই রকম লোক,সেই রকম চেহারা।এক্কেবারে বিলেন বিলেন লাগে। -তা অনিক,তুমিতো রুপপুরে আস না।হঠাত কি মনে করে?? (খালু অনিককে জিগ্গেস করল) -আসলে আন্কেল।কলেজ অফ তাই ভাবলাম রুপপুর থেকে ঘুরে আসি।যেই ভাবা সেই কাজ।তাই রুপপুর চলে এলাম। (অনিক) -ওওওও।আচ্ছা ঘুরে দেখ।কিন্তু সমস্যা আছে।সব যায়গায় যাবা না।(খালু) -কি সমস্যা আন্কেল??(অভি অনিকের খালুকে জিগ্গেস করল) -সেইটা তোমাদের না জানলেও চলবে।বাহিরে যাওয়ার সময় আবদুল কে নিয়ে যাবা।ও সবকিছু ঘুরাইয়া দেখাবে। (খালু) -ঠিক আছে আন্কেল।(অনিক) , দুপুরে খাওয়া দাওয়া শেষে সবাই শুয়ে গল্প করতেছে , -অনিক,কোনার চেয়ারে বসা মেয়েটা কেরে??পুরা যেন পরি।আমি তো ওর উপর ক্রাশ খাইছি।কিছু একটা কর?? (অভি) -লাত্তি মাইরা খাট থেইক্কা ফালাইয়া দিমু।হারামি ঐটা আমার মনে হয় এই বাড়ির কাজের মেয়ে(অনিক) -শেষ পর্যন্ত তুই কাজের মেয়ের উপর ক্রাশ খাইলি।হি হি হি হি(সিয়াম) -ধ্যাত কি যে বলিস তোরা।বাদ দে।আমিতো তোদের সাথে মজা করছিলাম।(অভি) এর মধ্য অনিকের খালাতো ভাই রিমন আইসা পরে। -কি ব্যাপার??কি করতেছ তোমরা?(অনিকের খালাত ভাই রিমন) -এইতো ভাইয়া শুয়ে আছি।আসেন ভিতরে আসেন।(অনিক) -ওওও।তারপর ঐ মেয়ের খবর কি।যার জন্য এতদুর এসেছো? (রিমন) -এইতো ভাইয়া।(অনিক) -বাবার নাম,রুপপুরের কোন খানে বাসা কিছু জানো?? (রিমন) -না ভাইয়া।আসলে ও কথা বলার সুযোগ পাচ্ছে না।সন্ধার পর কথা বলবে।টেক্সট করছিল।(সিয়াম) -ওকে।তাহলে সন্ধার পর কথা হবে(রিমন) -ভাইয়া আমরা রুপপুর ঘুরে দেখতে চাইছিলাম।(অনিক) -আমার একটু কাজ আছে।আবদুল কে সাথে করে নিয়ে যাইয়ে ও তোমাদের ঘুরাইয়া দেখাবে।(রিমন) -ওকে ভাইয়া(অনিক) -থাকো তাহলে।(রিমন) , বিকেলে ঘুরতে বের হয়েছে অনিক,অভি আার সিয়াম।আর সাথে আছে আবদুল।আবদুল এই বাড়িতে কাজ করে।রুপপুরর অনেক সুন্দর যায়গা।সবুজ মাঠ ঘাট নদী,নানা,খাল বিল। সব মিলিয়ে এককথায় অসাধারন।অনেক ঘুরতে ঘুরতে ওরা একটা ছোট নদীর পার দিয়ে হাটতে থাকে। -চল,নদীর ঐপার যাই??(অভি) -ভাইজান,এই কাম ভুলেও কইরেন না।নদীর ওপার যাওয়া যাইবে না।(আবদুল) -কেন?নদীর ঐপার কি বাঘ না ভাল্লুক আছে?(অনিক) -নদীর ঐপারে এপারের মানুষদের যাওয়া নিশেষএপারের মানুষ ঐপার গেলে বা ঐপারের মানুষ এপার এলে হাত পা ভেন্গে এই নদিতে ফেলে দেয়।(আবদুল) -ঐপার কি রুপপুরের বাহিরে???(অভি) -না ভাইজান।ঐ নদী রুপপুরের মধ্যে দিয়ে বয়ে গেছে। নদীর এপার আপনার খালু,মানে সিকদার রা সব।এপারের মানুষ আপনার খালুর কথায় উঠে আর বসে।নদীর ঐ খান দের দখলে।এখানে যেমন সিকদারদের কথায় সবাই উঠে আর বসে।তেমনি ঐ পারের মানুষ খানদের কথায় উঠে বসে। (আবদুল) -তাই বলে এপারের মানুষ ঐপার যাইতে পারবে না?? (অনিক) -আগে যাইতে পারত।একটা ঘটনা ঘটার পর থেকে দুই পারের মানুষ আলাদা হইয়া গেছে(আবদুল) -কি ঘটনা??(অনিক) -ভাইজান আাপনারা শুইনা কি করবেন।বেরাতে আসছেন। দুইদিন পর চইলা যাবেন।(আবদুল) -তাতে কি।তুমি বল...(অভি) -আসলে......(আবদুল) -তুৃমি কি আমাদের ভয় পাচ্ছ।আমাদের ভয় পাওয়ার কোন দরকার নাই।আমরা কাউকে কিছু বলব না।(অভি) -আচ্ছা শুনেন তাহলে- , চার বছর আগের কথা।তখন এপার ওপার মানুষের মধ্য খুব মিল ছিল।শুধু খান আর সিকদারদের মধ্য দন্ধ।কেউ কাউকে দেখতে পারে না।তাদের মধ্য তখন পাওয়ারের লড়াই। খানের একমাত্র ছেলে শিশির।শিশির তখন রুপপুর কলেজে ইন্টার দ্বিতীয় বর্ষে পরে।এর মধ্যে সিকদারের মেয়ে পরীও কলেজে উঠে।কলেজে প্রথমদিন দেখেই পরীর প্রেমে পড়ে শিশির।সিকদারের ভয়ে পরীকে কেউ কিছু বলার সাহস পায় না।কিন্তু শিশির এর বাবাওতো কম না।বাবাকে ছারা আর কাউকে ভয় পায় না শিশির। তাই,সরাসরি পরীকে বলে দেয় তার মনের কথা।শিশির দেখতে শুনতে,পড়াশুনায় ভাল ছিল।কিন্তু পরি গিয়ে তার বাবাকে বিচার দেয়।পরির বাবা কলেজের প্রিন্সিপাল কে নালিশ করে এবং সাবধান করে দিতে বলে। প্রিন্সিপাল স্যার শিশির কে নিষেধ করে দেয়।কিন্তু শিশির পরীকে ভালবাসে।ও তাকে ছারা অন্য কিছু চিন্তা করতে পারে না।এরপর শিশির পরীকে ফলো করতে শুরু করে।পরী ওকে অনেকবার নিষেধ করে কিন্তু শিশির শুনে না।এইভাবে একদিন পরীকে ফলো করতে করতে সিকদারদের এলাকায় ঢুকে পরে শিশির।সিকদারের বড় ছেলে রিমন তা দেখতে পায়।রিমনের কিছু বন্ধুবান্ধব নিয়া শিশিরকে সেইদিন অনেক মারে।সেই মারে শিশিরে একটা হহাত ভেন্গে যায়।সেই মারের পর খানেরা অনেক খেপে যায়।তারা এপারের যাকে পায় তাকেই মেরে হাত পা ভেন্গে নদীতে ফেলে দেয়।এরপর থেকে শুরু হয় রুপপুরের দুই এলাকার দন্ধ।এক এলাকার মানুষ অন্য এলাকায় গেলে তাদের মেরে নদীতে ফেলে দেয়। তারপর থেকে এপারের মানুষ ওপারে যায় না।আর ওপারের মানুষ এপার আসে না। , -কিন্তু এই পরী টা কে??(অভি) -অনিক বাবুর খালাতো বোন।সিকদারের মেয়ে। -কই তাকে তো বাড়িতে দেখলাম না।সে কোথায়? (অনিক) -কেন ঐ যে,কাজের মেয়ের মত থাকে।সুন্দর দেখতে। (আবদুল) -কি ওই মেয়েটা আমার খালাতো বোন।কিন্তু ওর এই অবস্হা কেন??(অনিক) -সে অনেক কাহিনি।কেউ জানলে আমার প্রবলেম হবে। (আবদুল) -কেউ জানবে না।প্লিজ সবটা বলনা(অভি) -শুনুন তাগলে_________


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৬ জন


এ জাতীয় গল্প

→ রুপপুরের রাজকন্যা ---১ম পর্ব
→ রুপপুরের রাজকন্যা --(০৩)
→ রুপপুরের রাজকন্যা--(০৪)
→ রুপপুরের রাজকন্যা

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now