বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
নীলা যখন পড়তো অষ্টম শ্রেনিতে তখন একটা অপরিচিত নাম্বার থেকে নীলার ফোনে ফোন আসতো। কখন ও নীলার মা ধরছে আবার কখনও নীলাও ধরেছে কিন্তু কখনো কথা বলত না ছেলেটি।
আবার মাঝে মাঝে ম্যাসেজ ও দিত
কেমন আছেন,কি করেন এইসব ইত্যাদি।
কিন্তু নীলা কখনও উত্তর দিত না। ছেলেটা উত্তর দেওয়ার জন্য ম্যাসেজে খুব রিকুয়েষ্ট করত।
কিন্তু নীলা কখনও উত্তর দিত না। নীলার প্রেম ভালোবাসা এগুলো ভালো লাগত না।
প্রতিদিনই খুব বেশিই বিরক্ত করতো।
বিষয়টি নীলা তার মায়ের সাথে শেয়ার করে পরে নীলার মা সিমটি খুলে রাখে ছয় মাসের মতো।
একসময় নীলা এসব ভুলে যায়।
তারপর সিমটি আবার অন করা হয়।
কিন্তু তারপর ও ম্যাসেজ দিতো ছেলেটি। কিন্তু নীলা আগের মতোই কোনো উত্তর দিতো না।
কিন্তু আর ছেলেটি তখন থেকে কল দেয়া বন্ধ করে দেয় ম্যাসেজ দিত ঠিকই।
হঠাৎ করে একদিন ছেলেটি নীলাকে ম্যাসেজ দিয়ে বসে ম্যাসেজের উত্তর না দিলে তার ক্ষতি করবে।
নীলা অনেক ভয় পেয়ে গেল কিন্তু বিষয়টি কারো সাথে বলে নি নীলা।
তারপর নীলা ১ সপ্তাহ স্কুলে যায় নি। তবুও নীলা জানতো না যে ছেলেটি কে।
তারপর নীলা ছেলেটির ম্যাসেজের উত্তর দিত।
ছেলেটি ম্যাসেজে বলল কেমন আছো?
কে আপনি।!
তুমি আমাকে ভালোবাসো কি না আগে বল।
আগে বলুন কে আপনি তারপর বলব।
এখন আমি পরিচয় দিব না।
পরে আর নীলা ছেলেটির ম্যাসেজের উত্তর দেয় নি কয়েক দিন। তবুও ম্যাসেজ দিতো ছেলেটি।
তারপর নীলা বলে পরিচয় না দিলে কথা বলব না।
ছেলটি বলে তুমি নবম শ্রেনিতে অধ্যয়ন করবে যখন তখন বলব।
তাহলে নবম শ্রেনিতে পড়ার সময় ই ম্যাসেজ দিয়েন। এর আগে দিয়েন না।
তবুও ছেলেটি ম্যাসেজ দিতো। কিন্তু নীলা উত্তর দিত না।
নীলা কোন দিন কোন জামা পড়তো তা ছেলেটি বলতে পারতো এবং বলতো ম্যাসেজ দিয়ে ।
একদিন নীলাও ছেলেটির ম্যাসেজের দিল হ্যাঁ আমি আপনাকে ভালোবাসি।
ভালোবাসো তার প্রমান কি?
আপনি আমাকে ভালোবাসেন তার প্রমান কি
প্রমান তাহলে কাল সকালে পাবে।
ঠিক সকালে নীলা স্কুলে যাচ্ছিল তখন একটি পিচ্চি ছেলে এসে নীলাকে একটি গোলাপ ফুল আর একটি চিঠি দেয়। নীলা ছেলেটিকে জিজ্ঞাসা করে কে দিয়েছে এই গুলো তোমাকে।
ছেলেটি বলে আপনার বয়ফ্রেন্ড দিছে।
তখন নীলার খুব রাগ হচ্ছিল। সাথে সাথে নীলা স্কুলে চলে যায়। আর চিঠিটা খুলে দেখে শুধু লিখা ছিল - কি প্রমান পেয়েছো?
তারপর স্কুল থেকে বাড়ি এসেই নীলা দেখে ছেলেটি ম্যাসেজ দিয়েছে বিকেলে বাগানে এসো।
নীলার আবার বাগানে ঘুরতে খুব ভালো লাগত।
প্রতিদিনই নীলা একজন বান্ধবীকে নিয়ে বাগানে যেত।
সেদিন ও গেল। তারপর বান্ধবীকে সব বলল দুইজনে অনেক খুজল ছেলেটাকে কিন্তু পেল না।
তারপর অনেকদিন ছেলেটি আর ম্যাসেজ দেয় নি নীলাকে। নীলাও দেয়নি ছেলেটিকে।
তারপর যখন নীলা নবম শ্রেনিতে উঠেছে তখন ছেলেটি তার পরিচয় দেয় আমি নাজমুল ১০ ম শ্রেনিতে পড়ি। নীলার গ্রামেই ছেলেটির বাড়ি।
পরের দিন নীলা ১০ টার আগে যায় স্কুলে কিন্তু নাজমুল কে দেখে না।
তারপর নীলা নাজমুলকে বলে আপনি কেন আমাকে প্রতিদিন ম্যাসেজ দিয়ে বিরক্ত করেন?
নাজমুল বলে আমি তোমাকে ভালোবাসি! বিরক্ত করি না।
নীলা বলে দেখেন আপনি ম্যাসেজ দিলে আমি খুব বিরক্তবোধ করি।
নাজমুল বলে আচ্ছা আমি আর তোমাকে বিরক্ত করবো না। তুমি সুখি থাকো। আর একটি কথা সত্যিই যদি তুমি আমাকে ঘৃণা করে থাকো তাহলে কাল শুধু একটিবার আমাদের ক্লাসে এসো।
নীলা গেল নাজমুলের ক্লাসে গিয়ে নাজমুলকে দেখতে পেল না। দেখল শুধু একটি মেয়ে ছিল সেখানে। মেয়েটি নীলাকে অনেক বাঁজে কথা কথা বলে। নাজমুলের জীবন নিয়ে খেলা করে, মজা করে কি পেয়ছো তুমি নীলা।
তারপর নাজমুল আসে ক্লাসে নীলা তখন নাজমুলকে বলে এখানে আপনি তাহলে আমাকে অপমান করার জন্য ডেকেছেন। এখনতো আপনি খুশি আমাকে অপমান করিয়ে।
....
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now