বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ছন্নছাড়া জীবন

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান sagor the gangster of king is here (crush) (০ পয়েন্ট)

X ছন্নছাড়া জীবন (৫৫) বাহিরে মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে, বৃষ্টির অবিরাম ধারার মত ইমরানের চোখ দিয়ে অবিরাম ধারা বইছে।আজকে ওর পুরোন মনের কথাগুলো কেন জানি দোলা দিচ্ছে।একটা সময় ইমরান কত সপ্ন দেখতো, লাল,নীল, রঙিন সপ্ন।কিন্তু সেই সপ্ন গুলোই আজ ওর কাছে বিভিশিখাময় সপ্ন। সে একটু বেশিইই আবেগি তাইতো সপ্নগুলো ওকে এখনও তাড়িয়ে বেড়ায়। . ইমরান আর দশটা মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলের মতই অতি সাধারণ একটি ছেলে। ছোট একটি শহর থেকে এস,এস,সি শেষ করে সে আসে ঢাকায় নিজের জীবনটাকে গড়ার জন্য ভর্তি হয় একটি বেসরকারি কলেজে। সেই থেকে শুরু হয় সপ্ন দেখা। একদিন মিরপুর থেকে উত্তরা যাওযার পথে বাসে পরিচয় হয় ওর পুর্নার সাথে, তখন সে সবে ইন্টার দ্বিতীয় ইয়ারের ছাত্র। সে বাসে বসে ছিল অলসতার কারণে একটু ঘুম ঘুম ও লাগছিল ওর। পাশের সিটটা ফাকা। 'Excuse me' আমি কি এখানে বসতে পারি? পুর্নার কন্ঠ শুনে নিমিষেই সকল অলসতা কেটে যায় ওর। হ্যা,বসুন। No problem. এভাবেই শুরু হয় তাদের বন্ধুত্ব। . বাসে বসে নিজেদের নাম জানা ছাড়া আর কোন কথাই হয় না ওদের। বাস এসে থামে গন্তব্যে, দুইজন চলে যায় নিজেদের গন্তব্যে। কিন্তু পুর্না যে,ওর মনে দোলা দিয়ে গেছে তা ও বুঝতে পারে যখন সে দেখল যে সে নিজের অজান্তেই পুর্নার কথা ভাবছে। সে মনে মনে ভাবে যদি আর একবার ওর সাথে দেখা হত। হঠাৎ, একদিন সে নিজের কলেজে তে পুর্নাকে দেখতে পায়। অনেক ভেবে সে পুর্নাকে ডাকে, . -এই,পুর্না। -আরে,আপনি এখানে? -আমি তো এখানেই পড়ি। -তাই? -হ্যা। -আমিও এখানে ভর্তি হলাম। -আচ্ছা পরে কথা হবে, বলে চলে গেল পুর্না। . এভাবে আস্তে আস্তে বন্ধুত্ব তারপর প্রেম। কিন্তু নিযতির পরিহাস, প্রেম করলেই মনে হয় কষ্ট পেতে হয়। একটা বছর অতি আনন্দে কাটার পর হঠাৎ করে পুর্না ইমরানকে এড়িয়ে চলতে শুরু করে। বাধ্য হয়ে ইমরান পুর্না কে বলে তুমি কি আমাকে এরিয়ে চলতেছ? উত্তরে পুর্না বলে তোমার সাথে আমি continue করতে পাচ্ছি না, i am sorry, plz don't disturb me again. . ওই সময়, খানিকের জন্য ইমরানের পৃথিবীটা স্তন্ধ হয়ে যায়।কিছু বলার ভাষা হারিয়ে ফেলে সে। শুরু হয় ওর পাগলামি। ইমরান তারপর ও পুর্না কে ফোন করে টেক্সট করে কিন্তু ও কোন উত্তর দেয় না মাঝে মাঝে অপমান করে পুর্না । একদিন ইমরান কষ্ট গুলো কে সহ্য করতে না পেরে নিজের হাতের রগ নিজেই কাটে, কিন্তু সবার জন্য বেচে যায় ইমরান,ইমরানের বন্ধু সুলতান পুর্নাকে এগুলো জানালে সে বলে ওই রকম হাত সবাই কাটতে পারে। একটা সময় ইমরান বদলে যায় কার সাথে কথা বলে না, কার সাথে মিশে না। এই নিঃসঙ্গ তার মাঝে সে বন্ধু বানায় ফেসবুককে। . ফেসবুকে নতুন কিছু বন্ধু হয় ওর, আস্তে আস্তে সব কিছু ভুলে যায় সে। পড়াশুনা শেষ করে একটা চাকুরীতে ঢুকেছে সে এই সময়ের মাঝে কাউকে কখন ও ভালবাসে নি সে, কারণ একটাই আবার যদি কষ্ট পেতে হয়। এইত কালকেই ও পুর্নাকে দেখল অন্য একটি ছেলের সাথে বোটানিক্যাল গার্ডেন এ ঢুকতে। . বাহিরের আকাশে বৃষ্টি থেমে যায় কিন্তু ইমরানের মনের বৃষ্টি থামেনা,এ বৃষ্টি হয়ত থামবে না অনন্ত কাল ঝড়ে যাবে। অঝোর বর্ষায়, তোমায় ফিরে পাওয়া::::::: (৫৬) বাইরে তুমুল বৃষ্টি হচ্ছে, বৃষ্টির উদ্মাদনায় প্রকৃতি আজ প্রমত্ত!!! এই অঝোর বৃষ্টিসিক্ত সন্ধায়, জানালার পাশে বসে অবাক চোখে, বৃষ্টি দেখছে নীল...... বাইরের বৃষ্টির, উদ্মাদনা দেখতে দেখতে, কখন যে নীলের মনের কোণে জমে থাকা মেঘ হতে, নিজের অজান্তেই নীলের চোখে বৃষ্টি ঝরতে শুরু করেছে, কেউ তা খেয়াল করেনি.......... হঠাৎ, ফোনের শব্দে চমকে উঠে নীল..... নীরার ফোন..... প্রবল অনিচ্ছা থাকা সত্বেও, কলটা রিসিভ করে সে..... :::- কিরে গাধা!!! কি করিস!!! :-- কিছুনা, তুই এই সময়ে ফোন দিলি যে (গলার স্বর যতটা সম্ভব স্বভাবিক করে উত্তর দেয় সে) :::- তুই আবারও গাধার মত কাঁদছিস!! (কান্নাভেজা গলাটা ধরতে একদম ভুল হয়নি) :-- তোরে না কতবার মানা করছি, বৃষ্টির সময় আমাকে কল দিবি না!!!> ::;- বেশ করছি, কল দিসি, এখন কান্না থামা, একটা কষ্টের জন্য আর কত কাঁদবি!!! :-- যতবার ইচ্ছা!! তাতে তোর কি?? আমি রাখছি....... বলেই ফোনটা কেটে দেয় নীল.... আজ তার নিজেকে বড্ড একা মনে হচ্ছে, দুইবছর আগে, শ্রাবণের এমন একটা দিনেই, শ্রুতিকে হারায় সে..... নীলকে বড্ড ভালবাসত শ্রুতি.... আর নীলও.... ওদের নিস্পাপ ভালবাসাটা হয়ত সহ্য হয় নি পৃথিবীর..... একদিন হঠাৎ শ্রুতি বড্ড অসুস্থ হয়ে পড়ে, ডাক্তারের কাছে গেলে জানা যায়, শ্রুতির ব্রেইন টিউমার, লাস্ট স্টেজ!!! শ্রুতি যখন জিঙ্গেস করল, নীল আমার কি হয়েছে, নীল সেদিন কোন জবাব দিতে পারেনি, শুধু, শ্রুতিকে প্রবলভাবে, জড়িয়ে ধরে ডুকরে ডুকরে কেঁদেছিল সে...... তার কিছুদিন পড়েই, নীলের ভালবাসা, তাকে চিরতরে বিদায় জানায়..... সেদিনও, প্রচন্ড বৃষ্টিতে শ্রুতির কবরের পাশে বসে, অঝোের কেঁদেছিল সে.... কেউ শোনেনি সে অঝোর কান্না আর বুকফাটা হাহাকার...... . সেদিনের পর থেকেই, বৃষ্টির উদ্মাদনা সহ্য করতে পারে না নীল, নিজের অজান্তেই অঝোরে কাঁদতে থাকে সে.......... পুরনো কথাগুলো ভাবতে ভাবতেই, হঠাৎ, মেসেজ টোনের শব্দে ভাবনায় ছেদ পড়ে নীলের.. আবারও সেই বিরক্তি, নীরার মেসেজ!!! . কিরে গাধা!! এখনও কাঁদছিস?? এক কাজ কর, সামনে একটা বালতি বসিয়ে কান্না কর, তাইলে তোর কান্নার পানি দিয়ে অন্তত ঢাকা শহরের পানির সমস্যা কিছুটা হলেও দূর হবে!! আর কাল কিন্তু বর্ষাবরণ অনুষ্ঠানে আসতে যেন ভুল না হয়!! আর আসার সময় অবশ্যই হলুদ পাঞ্জাবীটা পড়ে আসবি নয়ত তোর খবর আছে!! হি হি..... ইতি, তোর পেত্নী....... . এই হল নীরা!! প্রচন্ড ফাজিল আর চঞ্জল স্বভাবের একটা মেয়ে আর নীলের সবচেয়ে ভাল বন্ধু, ভার্সিটি লাইফের সেই প্রথম দিন থেকেই, নীলের জীবনের সাথে আঠার মত লেগে আছে সে... কিসের আশায় কে জানে!! নীল তা জানে না..... নীরা অবশ্য নীলের সব কষ্টগুলোর সঙ্গী, তাই সে কখনোই নীলকে একা হতে দিতে চায় না..... . পরদিন, সকালে নীল হলুদ পাঞ্জাবী পড়ে, ভার্সিটি ক্যাম্পাসে যায়..... বিশ্বাস নেই, না গেলে হয়ত দেখা যাবে, নীরা ওর বাসায় গিয়ে উপস্থিত হবে...... ক্যাম্পাসে গিয়েই, দেখা হয় নীরার; সাথে,, নীল রঙের শাড়ি, আর নীল চুড়িতে বড্ড মানিয়েছে ওকে..... নীল অবাক চোখে কিছুক্ষণ তাকিয়ে চোখ ফিরিয়ে নিল.....> :::- কিরে তোর আসতে এত দেরী হল কেন!!! ::- কই!! ঠিক সময়েই ত এলাম.... (নীল)> :::- হাতের কদমফুল গুলো দেখিয়ে নীরা বলল, একটু হেল্প কর না প্লিজ... এগুলো একটু খোঁপায় গুজে দে না!!> :-- ইতস্তত হাতে তা করল নীল.... . সারাদিন খুব আনন্দ, হৈ-হুল্লোর করে দিনটা কেটে গেল!! কিন্তু বিকাল হতেই আকাশ ভেঙে নেমে এল অঝোর বৃষ্টি....... তাই, হঠাৎ করেই, বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতেই, সব ছেড়ে বাড়ির দিকে রওনা দিল নীল!!! কিছুদূর যেতেই কে যেন, পিছন থেকে ওর হাত ধরল, পিছন ফিরে দেখে, নীরা!! ওর চোখের কাজল লেপ্টে একাকার হয়ে গেছে..... অভিমানী কন্ঠে নীরা বলতে লাগল, কিরে আমায় একা রেখেই পালাচ্ছিস!!! নীল চুপ..... কেন রে!! আমায় কি তোর একবারও নিজের কেউ বলে মনে হয় না!!! নীরার ভালবাসার মাঝে কি তুই, একবারও শ্রুতির ভালবাসাটা দেখতে পাস না!! নীরা হিসেবে না পারিস, অন্তত শ্রুতি হিসেবে একবারের জন্য হলেও তোর জীবনে থাকার একটা সুযোগ কি তুই আমায় দিতে পারিস না!! আমি কি এতই খারাপ!!!!> নীল কি বলবে বুঝতে পারছে না, ওর জন্য যে নীরার মনে এতটা ভালবাসা জমানো ছিল, তা সে সত্যিই জানত না!! নীরা যে কাঁদছে তা স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে, নীল কিছু বলতে যাওয়ার আগেই!!!!! নীরা আঁছড়ে পড়ল নীলের বুকে..... প্রচন্ড শক্ত করে নীলকে আঁকরে ধরেছে সে.... সে চায় না নীল তার থেকে হারিয়ে যাক......> অন্যদিকে, নীল নীরার প্রচন্ডভাবে জড়িয়ে থাকার বন্ধনে যেন, তার হারিয়ে ফেলা শ্রুতিকে আবিষ্কার করেছে..... তার জীবনের দুটি বর্ষা সে হারিয়েছে... এমন বর্ষায় শ্রুতিকে হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছিল সে, আজ সে বর্ষাই, তাকে যেন সেই হারিয়ে ফেলা শ্রুতিকে ফিরিয়ে দিয়েছে.... .. চারদিকে অঝোর বর্ষা, আর এখানে তো ঝরছে ভালবাসার বর্ষা, আকাশের বর্ষা একসময় থেমে যাবে, কিন্ত, এ ভালবাসার বর্ষা থেমে যাওয়ার নয়....... এ যেন সব হারিয়ে, আবার ফিরে পাওয়া......... অনন্তকাল বেঁচে থাকুক এমন ভালবাসা....... ☆অপূর্ব সত্তিকারের ভালোবাসা☆ (৫৭) -আচ্ছা তানিয়া তুই কি কখনও বুঝবি না যে আমি তোকে কতটা ভালোবাসি ??? -দেখ নিলয় তোর সাথে রিলেশন করা সম্ভব নয়। -কিন্তু কেনো দোস্ত ??? -কারন তুই আমার ছোটো বেলা থেকে ভালোবন্ধু।আর আমি বন্ধু ছাড়া আর কিছু ভাবি না। -কিন্তু যারা ভালো বন্ধু তারা কি বিয়ে করে না, প্রেম করে না ? -দেখ আমার পক্ষে সম্ভব না -তুই তো জানিস আমি ছোটো বেলা থেকে তোকে ভালবাসি।তুই আমার প্রথম ভালোবাসা। -দেখ আমার কিছু করার নেই। তুই শুধুই আমার বন্ধু আর কিছু না। . কথাটা বলেই তানিয়া চলে গেলো। নিলয় তানিয়ার পথের দিকে তাকিয়ে আছে। সেই ছোটো বেলা থেকে নিলয় তানিয়া কে ভালোবাসে। কিছু তেই তানিয়া কে ছাড়া বাচা ওর পক্ষে সম্ভব নয়। শত হোক প্রথম ভালোবাসা,,,, আর প্রথম ভালোবাসা সহজে ভুলার নয়। কিন্তু তানিয়া যেনো তা বুঝে না। নিলয়কে বুঝতেই চায় না। . নিলয় তো তানিয়ার জন্য সব কিছু করতে পারে। তানিয়া তো রিফাত নামে একজন কে খুব ভালোবাসে কিন্তু বলতে পারে না। তাই একদিন রিফাতের সাথে তানিয়ার রিলেশন হয়ে গেলো। আর ওদের সম্পর্ক খুব গভীর হয়ে গেলো। রিফাত মোটেও তানিয়াকে ভালোবাসত না,,,, শুধু তানিয়ার দেহ টাকে ভালোবাসতো। . তাই সে তানিয়া কে ভালোবাসার দোহাই দিয়ে,,,তানিয়ার সব কিছু নিয়ে নিল। আর কিছু দিন ভোগ করে তানিয়া কে ছেড়ে দিলো। তানিয়া কি করকে ভেবে পায় না। কারন তানিয়া রিফাতের সাথে অবৈধ্য সম্পর্কে তানিয়া গর্ভবতী হয়েছে। তাই সে ভাবছে সে আত্মহত্যা করবে। কিন্তু সব কিছু জেনেও নিলয় তানিয়ার হাত টি ধরে তানিয়া কে বিয়ে করার সিদ্ধান্তু নিল। . আর তানিয়া অপলক দৃষ্টি নিলয়ের দিকে তাকিয়ে আছে। কারন সে নিলয় কে কষ্ট দিয়ে ছিল। কিন্তু সেই নিলয়ই তাকে এতো কিছুর পর আপন করে নিলো। আর ভাবতে লাগলো তখন যদি সে নিলয় কে ভালোবাসতো তাহলে এমন টা হতো না। সত্তিকারের ভালোবাসা টা বুঝা খুব কঠিন। আর তা সবাই বুঝতে পারে না। তাই জীবনে নেমে আসে ভয়ঙ্কর অন্ধকার। না আজ আর তানিয়া নিলয় কে ভালো না বেশে পারলো না ।তাই সে নিলয়কে তার বুকে জড়িয়ে নিয়ে অঝর ধারায় কান্না করতে লাগলো। আর নিলয় তানিয়ার চোখ মুছে আবার বুকে জড়িয়ে ধরে। তানিয়া নিলয় কে আজ প্রথম বার "আই লাভ ইউ বললো"। তাই নিলয় যেনো পুরোনো সব কিছু ভুলে গেলো। আর ভুলবেই বা না কেনো। কারন নিলয় যে সত্তি কারের ভালোবেসেছে। তাই যে কোনো অবস্থাতেই সে তানিয়ার পাশে আছে।। আর এটাকেই ভালো বাসা বলে, ভালোবাসার মানুষটিকে টাকা দিয়ে , সারাটা সময় কথা বলে, এমনকি সারা দিন পিছনে ঘুরে , নিজের দেহ দিয়ে দেয়াটা কে ভালোবাসা বলে না।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১২৬৩ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ছন্নছাড়া জীবন

গল্পটির রেটিং দিনঃ-
☆ ☆ ☆ ☆ ☆

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now