গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !
জিজে রাইটারদের জন্য সুঃখবর ! এবারের বই মেলায় আমরা জিজের গল্পের বই বের করতেছি ! আর সেই বইয়ে থাকবে আপনাদের লেখা দেওয়ার সুযোগ! থাকবে লেখক লিস্টে নামও ! খুব তারাতারি আমাদের লেখা নির্বাচন কার্যক্রম শুরু হবে

গল্পেরঝুড়িতে স্বাগতম ...

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

চন্দ্রমহল, গিলেতলা ও খানজাহান আলীর মাজার ভ্রমন -২

"ভ্রমণ কাহিনী" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান mim (০ পয়েন্ট)



মেইন রোড থেকে চন্দ্রমহল একটু ভেতরের দিকে। ৫ টাকা ভাড়ার পথ। কিন্তু আমরা কেউই ভ্যানে উঠলাম না। সবাই হেটে হেটেই গেলাম। চন্দ্রমহলের চারপাশে যে প্রাচীর তাতে অনেকগুলো কবিতা খোদায় করা রয়েছে আমি কবিতাগুলোর ছবি তুলে রেখেছিলাম। প্রাচীরের চারপাশটা ভালো করে দেখতে লাগলাম। এদিকে আমাদের টিকিট কাটা হচ্ছে। সেখানে একটা ফটোক ছিলো। শিড়ি বেশ উঁচু। সেখানে দাড়িয়ে সবাই ছবি তুলছে আমিও কতগুলো তুললাম। রাস্তার বিপরীত পাশে নানা জিনিসের কতগুলো দোকান রয়েছে আমাদের অনেকেই সেখান থেকে বেশ কিছু কেনাকাটা করলো। যাই হোক এপাশে আমাদের টিকিট কাটা হয়ে গেছে। আমরা এবার চন্দ্রমহলের ভেতরে প্রবেশ করলাম। গেটেঢুকতেই পড়েছিলো একটি সূর্যমুখী ফুলের বাগান। আমরা এক সাইড থেকে দেখা শুরু করলাম। একটা বড় মহল আছে মাঝে আর চারপাশে অন্যান্য জিনিস। বিভিন্ন ধরনের মূর্তি তৈরি করা রয়েছে সেখানে। এসব মূর্তির মধ্য রয়েছে মানুষের ব্যাবসা বাণিজ্য,কৃষিকাজ,পাঠদান পদ্ধতি,গ্রাম্য পঞ্চায়েত,গৃহিণীদের কর্ম,হাটুরের হাট করা, কুয়ার পানিতে নারীর গোসল করা,পালকিতে করে বউ নিয়ে যাওয়া,গরুর গাড়িতে চড়া,জীবন বাচাতে কাটাতারের বেড়া পার হতে গিয়ে কেমন ক্ষত বিক্ষত হত মানুষের দেহ,কিভাবে মানুষকে স্বাস্হি দেওয়া হতো, সওদাগরের নৌকা,ঝিনুকের বুকে কিভাবে মুক্তা থাকে, কিভাবে আগে মানুষের উপর অত্যাচার করা হতো ইত্যাদি। সেখানে একটা পুকুর ছিল যার পাড়ে কিছু খাবার দোকান ছিলো। আমরা সেখান থেকে ফুসকা খেলাম, তারপর চিড়িয়াখানাটা একটু দেখলাম। বেশি কোনো প্রানী নেই। বানর, ময়ূর, কুমির এইসবই আছে। আমরা পুকুরের পাড় দিয়ে হেটে হেটে দিঘীর পাড়ে গেলাম। দিঘীর মাঝে একটা খাবারের দোকান। সেখানে যাওয়ার জন্য কাঠের তৈরি পথ। সেই পথে যেতে যেতে আমি কতগুলো ছবি তুললাম। তারপর দোকানে গিয়ে আম্মু আর আমি দুটো আইসক্রিম খেলাম। সেখান থেকে ফিরে এবার মেইন মহলের মধ্যে প্রবেশ করলাম। সেখানে পুরানো নানা জিনিস রয়েছে তখনকার দিনে যেগুলো ব্যবহৃত হতো। মহলের ২ তলায় প্রবেশ নিষেধ। মহলটা ভালো ভাবে ঘুরে দেখে আমরা দরজার সামনে আসলাম। সেখানে একটা ছোট পুকুর মত জায়গা। ওপারে যাওয়ার জন্য রয়েছে পানির নিচে রাস্তা। আমরা সেই রাস্তা দিয়ে ওপারে গেলাম। সেখানে ঝরনার ফোয়ারা ছিলো। আর কিছু মূর্তি ছিলো। ওদিকে একটা শিশুপার্কও ছিলো। কিন্তু সময় হয়ে গিয়েছিলো বলে আমাদের এখান থেকে বিদায় নিতে হলো। সবশেষে বাঘের মূর্তিটার সাথে কিছু ছবি তুলে আমরা চন্দ্রমহল থেকে বের হলাম। গাড়িতে এসে সবাই যা খাবার নিয়ে এসেছিলো তা খেতে শুরু করলো। আমরাও খিচুড়ি আর ডিম ভাজা খেলাম।সবার শেষ হলে গাড়ি ছেড়ে দিলো খান জাহান আলীর মাজারের উদ্দেশ্যে।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২০৪ জন


এ জাতীয় গল্প

→ কাবায় খালি পায়ে তাওয়াফ করলেও কেন পা পোড়ে না
→ একুশের চেতনা ও সাম্প্রদায়িক মনোভাব
→ তোমার আমার গল্পটা এমন না হলেও পারতো
→ মধ্যবিত্ত পরিবারে ছেলেদের জীবনে বয়ে যাওয়া কিছু কথা:- ...
→ দি বস ইজ অলওয়েজ রাইট
→ বস ইজ অলওয়েজ রাইট ২
→ স্বাধীনতা হে ক্ষমা করে দাও আমাদের।
→ তোমার আমার গল্পটা এমন না হলেও পারতো
→ কীভাবে হারাম সম্পর্ক থেকে বের হয়ে আসবো? এও কি সম্ভব?
→ তোমার আমার গল্পটা এমন না হলেও পারতো

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...