বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

আগন্তুকের পাগলি (পর্ব-২)

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ☠Sajib Babu⚠ (০ পয়েন্ট)

X প্রিয় নীলাশা, আশা করি ভালই আছ। অনেকদিন তোমায় দেখতে না পেরে খুব খারাপ লাগছিল। কিন্তু এখন তোমায় দেখতে পেয়ে খুব ভাল লাগলো। নিজেকে কেমন পুর্ন মনে হচ্ছে। জানিনা আমার উপস্থিতি তোমাকে ভাবায় কিনা তবে তোমার জন্য কিছু করতে পারলে নিজেকে অনেক সুখি মানুষ মনে হয়। জানি এ চিঠিটা পড়ে তুমি অনেক অবাক হবে কিন্তু এটাও জানি তুমি খুশিও হয়েছো। তবে তোমাকে স্বনির্ভর হতে হবে। আমি না থাকাতে অনেক সমস্যা হয়েছে তোমার তাই বলছি নিজেকে সবকিছুর সাথে মানিয়ে নিতে শেখো। আর প্রতিদিন চোখে কাজল দিয়ে আসবে। আমি তোমার কাজল কালো চোখের দিকে তাকিয়ে কোথায় যেন হারিয়ে যাই। আর আমাকে খোজার চেষ্টা কর না। আমি সবসময় তোমার আশেপাশেই থাকি। ভালো থেকো। ইতি, তোমার আগন্তুক.. চিঠিটা পড়ে খুব খুশিও লাগছে আবার খারাপও লাগছে। আমাকে এভাবে কেন কষ্ট দিচ্ছে সে। কেন আমার সামনে আসছে না। আমি যে ধীরে ধীরে তার প্রেমে পরে যাচ্ছি। আমিও যে এক পলক তাকে দেখতে চাই। এসব ভাবতে ভাবতেই আমি আমার সেই নিরিবিলি জায়গায় এসে বসলাম। কিন্তু সেখানেও কে যেন একটা খাম রেখে গেছে। আশেপাশে তাকিয়ে দেখলাম কেউ নেই। খামটা হাতে নিয়ে আমি আশ্চর্য না হয়ে পারলাম না। খামে লিখা আছে, নীলাশা শুনছো এটা তোমার জন্য। খামটা খুলে দেখলাম একটি নুপুর সাথে একটি চিঠি। চিঠিটাতে লিখা, আজ এক জোড়া নুপুর কিনেছিলাম তোমার জন্য। এখান থেকে একটি তোমায় দিলাম। আরেকটি নিজের কাছে রাখলাম। সেটা এক বিশেষ দিনে দিব। খুব ইচ্ছে ছিল তোমাকে নিজ হাতে নুপুরটি পরিয়ে দিব। তবে সেই সৌভাগ্য আর সাহস আমার এখনও হয়ে ওঠেনি। কি করব আমি যে এরকমি। জানি না আমার সমন্ধে তুমি কিছু ফিল কর কিনা তবে আমি মনে হয় তোমাকে খুব বেশি আগলে রাখতে চাই। এটাকে যদি ভালবাসা বলে তবে হ্যা আমি তোমাকে অনেক ভালবাসি। নিজের চেয়েও বেশি। কিন্তু তুমি আমাকে ভালবাসো তো? এই প্রশ্নের জবাব আমি জানি না। তাই সাহস করে কখনও তোমার সামনে দাড়াতে পারছি না। এই প্রশ্নের জবাব শোনার জন্য আমাকে তৈরী হতে হবে। ততদিন নাহয় তুমি এই তুচ্ছ মনের আগন্তুকের পাগলি হয়েই থাকলে। ইতি, তোমার আগন্তুক।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৯৪ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now