বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

মঙ্গল গ্রহ অভিজান এবং একটি থিওরি(১ম পর্ব)

"মজার গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Opu Ahasan (০ পয়েন্ট)

X সাল ২২৪০। ১লা মার্চ, . নাসার সভা কক্ষের সভাতে বিশাল টেবিলের পাশে একটি নরম গদির চেয়ারে বসে আছে ক্রুশন। পাশে কয়েকজন বসে আছে সারিবদ্ধভাবে। টেবিলের ও পাশে বসেছে কয়েকজন। তাদের মাঝে একজন দাঁড়িয়ে বকৃতা দিচ্ছে। ব্যক্তির নাম ক্রিস্টন। বিজ্ঞানীদের মাঝে প্রধান ৫ তারকা প্রাপ্ত বিজ্ঞানী। বর্তমানে পৃথিবীর শীর্ষে থাকা মহাকাশ সংস্থা নাসা এর প্রধান বিজ্ঞানী। তিনি লেকচার দিচ্ছে মহাকাশ এর বিষয়ে। তাদের নানান গ্রহ আবিষ্কারের বিষয়ে। ৩য় মাত্রার এন্ড্রোয়েড রোবট,, যা দেখতে প্রায় মানুষের কাছা কাছি। কিন্তু অনেক প্রোগ্রামিং করে এটা নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। তবে মানুষের মত সম্পূর্ণ কাজ করতে পারে না এটি। তারা সভায় উপস্থিত বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যাক্তিদের সেবা করে যাচ্ছে। . ক্রুশন এর কাছে এসব বক্তৃতা ভালো লাগছে না। কিন্তু কিছু করার নেই। ক্রুশন নিরাপত্তা বাহিনী প্রধান। সারা পৃথিবীর আলাদা আলাদা বাহিনীকে সে পরিচালনা করে। সারা পৃথিবী তো এখন মুঠোর মাঝে চলে এসেছে। স্বাস্থ্যবান শরীর ক্রুশনের। যে কোনো মেয়ে দেখলে খানিক মুগ্ধ হবে তেমন মায়া আছে ক্রুশনের চেয়ারায়। বয়স কিন্তু বেশি নয়। ৩০ ছুঁয়েছে। কিন্তু এই বয়সের সারা বিশ্বের বাহিনী কন্ট্রোল করা নিজ আয়ত্বে নিয়ে ফেলেছে। ইতোমধ্যে সে চার তারকা প্রাপ্ত হয়েছে। ৫ তারকা সর্বচ্চ সম্মান। বিশ্ব হতবাক, যে সে এই বয়সে ৪ তারকা প্রাপ্ত হলো কীভাবে। কিন্তু ক্রুশন বলে যে আমি পরিশ্রম করেছি, এবং তার সার্থক ফল পেয়েছি। . জরুরী মিটিং ডাকা হয়েছিল, এখন ক্রুশন যেটায় উপস্থিত আছে। সকালে ঘুম থেকে উঠেই তার ট্রয়েড এ এমার্জেন্সি কল দেখতে পায়। সেখানে তাকে জরুরী তলব করা হয় নাসার সভা কক্ষে। সেই থেকে ছুটতে ছুটতে এখানে এসে হাজির হয়েছে। ও হ্যা ট্রয়েড হলো এ বছরের সেরা আবিষ্কার। যা একটা কম্পিউটার। সৌর শক্তির মাধ্যমে এটা চলে। ত্রিমাতৃক ছবি তৈরিতে সক্ষম এ যন্ত্র চোখের ইশারাতেও নিয়ন্ত্রণ করা যায়। . হঠাৎ ক্রুশনের কান খাড়া হয়ে উঠলো ক্রিস্টনের একটা কথা শুনে। ক্রিস্টন বলছে, . "আগের দশকে তো মঙ্গলগ্রহে পানি আবিষ্কার হয়েছে মাটির অনেক গভীরে। কিন্তু আজ অব্ধি কোনো মানুষবাহী স্পেস শীপ মঙ্গলগ্রহে সুস্থ ভাবে ভিড়তে পারে নি। আজও রহস্য সেটা। কিন্তু উনবিংশ শতাব্দী থেকে প্রোগ্রামিং করা ল্যান্ডারই মাত্র নামতে পারছে। তবে বেশির ভাগই ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে না হয় কানেকশন ছুটে যাচ্ছে। তবে খুশির কথা হচ্ছে যে, আমরা পেয়েছি মঙ্গল গ্রহে অভিকর্ষজ বল পৃথিবীর তুলনায় বেশি, যদিও মঙ্গলগ্রহ পৃথিবীর তুলনায় হাল্কা। যদিও বেশি কিছু নয় এটা। কোনো স্পেশ শীপ সেই বলের মাঝে পড়লে সমস্ত কানেকশন ছিদ্র করে ছুটে চলে গ্রহ এর ভূমি লক্ষ করে। যার গতি আলোর গতির প্রায় কাছাকাছি চলে যায়। পরমুহুর্তে সিগনাল হারিয়ে যায়। কিন্তু এতো গতি কীভাবে সম্ভব জানতে পারি নি। আবার যান গুলো কোথায় হারিয়ে যায় তাও জানা যায় নি। . কিন্ত আশার কথা আমার প্রযুক্তি উন্নত হচ্ছে। এবারের আমাদের নাসা সংস্থার পক্ষ থেকে উন্নত এয়ার ক্রাফট বানানো হয়েছে। যাতে রয়েছে অতিরিক্ত সুবিধা। রয়েছে অনেক উন্নত গতি। যা আলোর গতির প্রায় সমান। তাছাড়াও এই যান এ অপ্রয়োজনী ওজন অপসারণ করা হয়েছে। অতি অত্যাধুনিক প্রোগ্রাম করা রোবট এই ক্রাফট নিয়ন্ত্রণ করবে। প্রচণ্ড গতিতেও এর ভিতরে থাকবে শান্ত। কিছুই অনুভূত হবে না। এই যান সৌর শক্তিকে প্রচণ্ড শক্তিশালী রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তর করে চলতে পারে। সুতরাং জ্বালানির চিন্তা নেই। মোট কথা অতি অত্যাধুনিক এই এয়ার ক্রাফট টা। যেটার নাম 'অলিম্পাস-১'। মঙ্গলগ্রহের সব চেয়ে বড় পর্বত 'অলিম্পাস মন্স' এর নাম এর সাথে মিল রেখে নাম করণ করা হয়েছে।" . বলেই থামলেন ক্রিস্টন। সভাতে গুঞ্জন শুরু হলো। খানিক বাদে ক্রিস্টন আবার বলা শুরু করলো, . " কিন্তু সমস্যা হলো অভিজ্ঞ, সাহসী, নির্ভীক কোনো লোক পাওয়া যাচ্ছে না। এটা পরিক্ষা মুলক অভিযান হবে। তাই একজন সাহসী লোক লাগবে। যে জরুরী মুহুর্তেও কন্ট্রোল করতে পারবে যান টা সাহসী মাথায়। তাই আমারদের এমন লোক চাই। কেউ কী ইচ্ছুক। আমি জানি এখানে উপস্থিত সবাই নির্ভীক।" . সবাই গুঞ্জণ শুরু করেছে। ক্রুশন ভাবছে যে যাবে কী না। এদিকে একটা রহস্যে আর অভিযানে সাহায্য করতে পারবে আবার অনেক দিন পর নিজের মস্তিষ্কটাও কাজে লাগাতে পারবে। যাক রাজিই হই। . ক্রুশন বলে উঠলো, . -- আমি রাজি মহামান্য ক্রিস্টন। -- ভেবে বলছো তো? -- হ্যা আমি ভেবেই বলছি। . কিন্তু সভায় গুঞ্জণ উঠলো। এ কীভাবে সম্ভব। এতো বড় ভালো নেতাকে কীভাবে তারা বিপদে ঠেলে দেয়। তাছাড়া ক্রুশন গেলে পৃথিবীর দল গুলোকে নিয়ন্ত্রণ করবে কে। ক্রুশন ছাড়া তাদের কেউ ভালো ভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। কিন্তু ক্রুশন তাদের থামিয়ে দিয়ে বলতে শুরু করলো, . -- ও নিয়ে চিন্তা করতে হবে না। আমার খুব কাছের একজন বন্ধুকে দায়িত্ব দিয়ে যাব। সে বিশ্বস্ত কাছের বন্ধু। আশা করি কোনো সমস্যা হবে না। . সভায় উপস্থিত লোকেরা আবার বলে উঠলো, . -- আমরা আপনার মত একজন যোগ্য লোককে হাড়াতে চাই না। . ক্রুশন বলল, . -- পৃথিবীর জন্য কিছু করে যেতে আমার ভালো লাগতো। তাছাড়া আর সমস্যা দেখছি না। মহামান্য ক্রিস্টন আমি রাজি। আমি কাল আমার বন্ধুকে নিয়ে আসবো আপনার অফিসে। . ক্রিস্টন বলল, --ক্রুশন এই অভিযানে রাজি হওয়ার আগে আরও কিছু ব্যাপার জেনে রাখা দরকার তোমার। . ক্রুশন বলল, . -- হ্যা বলুন মহামান্য ক্রিস্টন। . ক্রিস্টল বলতে শুরু করলো, . -- "মঙ্গলগ্রহে শতকরা ১০০% বাতাসে ৯৫.৭২% কার্বন ডাই-অক্সাইড। আর সেখানে ০.২% অক্সিজেন। সুতরাং অক্সিজেন গোলমাল হলেই সরাসরি মৃত্যু। তাছাড়া মঙ্গলগ্রহ বরফ সাগর রয়েছে। আর লাল মাটি। যাকে রাস্ট বলা হয়, যা আয়রন অক্সাইড। যেখানে প্রায় ধূলিঝড় হয়। প্রচণ্ড বাতাস। সেখানে টিকে থাকতে হলে সোলার প্যানেল বসাতে হবে। কিন্তু ধূলিঝড় এর কারণে ধূলি জমা হয় সোলার প্লেটে। ফলে রোজ পরিষ্কার করতে হবে। নাহলে শক্তি শেষ হয়ে যাবে। তাছাড়া দৈনন্দিন অভিযান চালাতে হবে। এবারের অভিযান মঙ্গল গ্রহে এই আধুনিক মহাকাশযান কতটা যোগ্য তা দেখা। দেখা। এবং সেখানে প্রতি মূহুর্তে মৃত্যু হাতছানি দিবে। তাছাড়া বড় কথা সঠিক ভাবে ল্যাণ্ড। তার আগে ৭ দিন মঙ্গল এর কক্ষপথে থাকতে হবে। কেন তা পরে বলি। এখন আসি আমাদের নতুন মহাকাশযান 'অলিম্পাস-১' এর ব্যাপারে। অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সম্পূর্ণ এ যান সব সময় বিশেষ প্রোগ্রাম করা রোবট নিয়ন্ত্রণ করবে। তবে জরুরী মূহুর্তে মানুষকে সাহায্য করতে হবে যান নিয়ন্ত্রণে। আর সব সময় যোগাযোগ থাকবে আমার নাসা কন্ট্রোল প্যানেলের সাথে। আর যোগাযোগ ট্রান্সমিটার ক্ষতিগ্রস্ত হলে অতিরিক্ত দুটো ট্রান্সমিটার থাকবে। এগুলো সময় মত না সেট হলে যান অনিয়ন্ত্রিত হয়ে যাবে। আর মহাকাশ যানে সঙ্গী কেউ থাকবে না। আবার একাও যাবে না। মৃত্যু পরোয়ানা সাথে করে যাবে। যেহুতু এটা পরিক্ষা মূলক অভিযান, তাই এটি একটি ঝুঁকিপূর্ণ এই অভিযান। এখন তুমি নিজে ঠিক করো, যাবে নাকি অন্য নতুন কাউকে খুঁজব।" . ক্রুশন ভাবতে লাগলো, সে তো এতটা কাপুরুষ না। তাছাড়া সে এই অভিযানে যাবেই। একবার ঠিক করেছে যে সে যাবে, তো যাবেই। যতই বিপদ মৃত্যুর ভয় থাকুক না কেন। সে বলল, . -- আমি প্রস্তুত মহামান্য ক্রিস্টন। আমি রাজি! . ক্রিস্টন বলল, . -- শাবাশ তোমার থেকে এটাই আশা করেছিলাম। তবে তুমি ভেবে বলছো তো? আসলে আমাদের তোমার মত ছেলে দরকার ছিল। খালি পরিক্ষা মূলক ল্যাণ্ড করে সব ঠিক আছে কী না পরিক্ষা করা হবে। তার পর সব কিছু ঠিক থাকলে পরবর্তিতে আরও কয়েকটি উন্নত মহাকাশযান একযোগে পাঠানো হবে। তার পর মঙ্গল গ্রহ পরিক্ষার অভিযান শুরু হবে। তোমাকে আগামী একমাস ট্রনিং নিতে হবে। তুমি কি তৈরি। . ক্রুশন বলল, . -- হ্যা মহামান্য ক্রিস্টন। আমি তৈরি। . ক্রিস্টন বলল, . -- আচ্ছা কাল থেকে তোমার ট্রেনিং শুরু হবে, নাসার ট্রেনিং সেন্টারে। . -- আচ্ছা মহামান্য ক্রিস্টন। . সভা সেদিনের মত সমাপ্ত হলো। পরের দিন ক্রুশন তার বন্ধু রুহানকে নিয়ে আসলো। তাকে তার দায়িত্ব বুঝিয়ে দিয়েছে আগে ক্রুশন। রুহান আশ্বাস দিল যে তার কাজ করতে যথাসাধ্য চেষ্টা করবে। ক্রুশন তাকে কাজে ঢুকিয়ে দিল। সেদিন থেকেই ক্রুশনের ট্রেনিং শুরু হলো। যান নিয়ন্ত্রণ, ট্রান্সমিটার সেট করা, ব্যবহার সহ জরুরী সব কিছু। . এভাবে একমাস কেটে গেল। এর মাঝে তার শরীর কে অভিযানের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। এখন মহাকাশে উড়াল দিয়ে অভিযানে যাওয়ার অপেক্ষা। অবশেষে সেই দিনও হাজির হলো। . সেদিন ট্রয়েডে ক্রুশনকে নাসার অফিস কক্ষে আসলে বলল ক্রিস্টন। ক্রুশন যথাসময়ে হাজির হলো ক্রিস্টনের সামনে। ক্রিস্টন তাকে বলল, . -- আগামীকাল তোমাকে নিয়ে উড়াল দিবে মহাকাশযান 'অলিম্পাস-১'। আজই তৈরি হয়ে নাও। . -- আচ্ছা মহামান্য ক্রিস্টন। আমি কালই তৈরি হয়ে আসবো। . পরের দিন ক্রুশন আবার নাসার অফিস কক্ষে আসলো। ক্রিস্টন তাকে দেখে বলল, . -- তোমাকে শেষ একবার পরিক্ষা করা হবে। অনুগ্রহ করে চেকিং চেম্বারে যাও। . ক্রুশন কিছু না বলে চেকিং চেম্বারের দিকে পা বাড়াল। সেখানে তার বিভিন্ন টেস্ট করা হলো। কার্যক্রম শেষে ক্রুশন যখন অফিস কক্ষে আসলো, ক্রিস্টন তখন ক্রুশনের রিপোর্ট পড়ছিল। বলল, . -- ক্রুশন তুমি সম্পুর্ণ প্রস্তুত। আমাদের যানও সম্পূর্ণ প্রস্তুত। আরও কিছু বলি শোনো, সাধারণ গতিতে এই যান চললে ৬ মাস লাগবে মঙ্গল গ্রহে পৌঁছাতে। কিন্তু হাই ড্রাইভ দিলে মাস খানেকের মাঝে পৌঁছে যাবে। তার পর রোবট মঙ্গল গ্রহের কক্ষ পথে ৭ দিন অবস্থান করবে। তবে এর কক্ষ পথ থেকে অনেক দূরে থাকতে হবে। নাহলে এর গতি পথে পড়লে অবস্থান করা যাবে না। সোজা মাটিতে গিয়ে আছড়ে পড়বে। তবে এর গতি শক্তি কাজে লাগিয়ে মাটি লক্ষ করে ছুটে যাওয়া গতিকে কিছুটা রোধ করতে পারবে। আর এর গতি পথে থেকে মঙ্গলগ্রহ ও এর দুটি উপগ্রহ ডিমোস ও ফেবোস এর দিকে লক্ষ রাখবে মহাকাশ যান রোবট। এই তিন দিন তোমাকে তৈরি হতে হবে। যাবতীয় জরুরী জিনিস সেট করে তৈরি হতে হবে। সব তো ট্রেনিং পেয়েছ। আমাদের মহাকাশযান রকেটের সাথে সেট করা হয়েছে। প্রথমে পৃথিবী থেকে মহাকাশে নিয়ে যাবে রকেট যান টা। তার পর যান আলাদা হয়ে মঙ্গলগ্রহ লক্ষ করে ছুটে যাবে। আর হ্যা মনে রাখবে, নতুন ট্রান্স মিটার সেট এর জন্য ৩০ মিনিট সময় পাবে হাতে। আর যদি নিয়ন্ত্রণ হারায় তাহলে তোমাকে রোবটের সাহায্যে যান তোমাকে নিজে নিজে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। এখন তৈরি হয়ে উৎক্ষেপণ স্থানে উপস্থিত হবে। তার আগে সভা কক্ষে আসতে ভুল করো না। . ক্রুশন বলল, . -- আচ্ছা মহামান্য ক্রিস্টন। আমি তৈরি হয়ে সভা কক্ষে আসছি। . ক্রিস্টন বলল, . -- গুড। . ক্রিস্টন তৈরি হয়ে সভা কক্ষে গিয়ে সবার সাথে দেখা করলো। কুশল বিনিময় করে সাময়িক হালকা আলোচনা করে ক্রুশন রকেট উৎক্ষেপণ অঞ্চলে চলে আসলো। এসেই রকেটের সাথে লাগানো মহাকাশ যান টা দেখলো। দেখলে কে ভাববে এটা এতো আধুনিক যান। দেখতে সাধারণ আর সব মহাকাশ যান এর মত। এই মহাকাশ যানের সাহায্য রকেট পরিচালিত হবে। যাওয়ার আগে ক্রিস্টন ক্রুশনকে গুড লাক জানালো। . কিছুক্ষণ পরেই ক্রুশন মহাকাশ যানে প্রবেশ করলো। ভিতরটা অতি আধুনিক যন্ত্রে ঠাসা মহাকাশযান। তবে সাধারণই। অতিরিক্ত কিছু নেই এই মহাকাশ যানে। সে কন্ট্রোল প্যানেলে বড় পর্দা তে একবার পৃথিবীকে দেখে নিল। কিন্তু পর মুহুর্তেই, পর্দাতে কাউন্ট শুরু হলো, ১০,৯,৮.....৩,২,১। হঠাৎ মহাকাশযান কেপে উঠলো। বুঝলো আসতে আসতে রকেট উপরে উঠতে শুরু করছে। কেপে উঠা ছাড়া আর কোনো অনুভূতি নেই। মানে মহাকাশ যানটা সত্যিই আধুনিক। ক্রুশনের মনে হচ্ছে সে তার চিরচেনা পৃথিবীকে ছেড়ে মৃত্যু পরোয়ানা নিয়ে অজানা মৃত্যুর উদ্দেশ্যে যাচ্ছে। সে জোর করে ভাবনা গুলো ঝেড়ে ফেলে দিল। তার প্রধান উদ্দেশ্য তো অভিযান সফল করা। (গল্পের সার্থে মঙ্গলগ্রহের আকর্ষণ গতি ইচ্ছা মত নেওয়া হয়েছে। বাকি তথ্যের ক্রেডিট@ Wikipedia☺)


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১২০২ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now