বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

অভিমানী ভালোবাসা

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ☠Sajib Babu⚠ (০ পয়েন্ট)

X আশিক:বলটা দেন প্লিজ সাবিনা:না দিবনা।বাড়িতে বল আসে কেন? আ:আর আসব না।এবারের মতো বলটা দিয়ে দিন স:না দিলে কি করবেন? আ:না দিলে কিন্তুু...(কথাটা শেষ করার আগেই সাবিনার হাত থেকে বলটা নিয়ে দৌড় দিল আশিক) . আশিক মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান।এবার hsc দিয়েছে।বিকেলে সুযোগ পেলে এই মাঠে খেলতে আসে।আর মাঠের পাশেই সাবিনাদের বাড়ি।প্রায় প্রতিদিনই বল সাবিনাদের বারান্ডায় যায়।আর সেই বল আনতে গিয়ে তাদের এই ঝগড়া।আর আশিক মেয়েটাকে খুব পছন্দ করে তাই বল যেই বারান্ডায় ফেলুক না কেন বল আনতে আশিক যায়।কারণ এই বল আনার উছিলায় তার সাথে কথা বলা হয়।সাবিনা যে আশিককে পছন্দ করে না তা না।সেও আশিককে পছন্দ করে।আর তাই বিকেল হলেই বারান্ডায় এসে বসে থাকে।আর আশিককে দেখে ১ মাস পর.... আশিক মাঠে খেলতে এল।এই একমাসের মধ্যে তার মাঠে আাসা হয়নি।কিভাবে আসবে।তাকে যে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য দৌঁড়াদৌঁড়ি করতে হচ্ছে।তাই ১ মাস পর মাঠে খেলতে আসা।সন্ধ্যায় খেলা শেষে যখন বাড়ি ফিরবে তখন বারান্ডায় তাকাতেই কিছুটা অবাক হল।কারণ সাবিনা এই ১ম তাকে ইশারায় ডাকল।আশিক কিছু না ভেবে সাবিনার ডাকে চলে গেল সাবিনা:আজ যে বল নিতে আসলেন না? আশিক:আজ যে আপনার বারান্ডায় বল যায় নি তাই(মজা করে) সা:ওহ.. তাইতো(একটু লজ্জা পেয়ে গেল সাবিনা) আ:আর কিছু বলবেন?(কি বলবে বুঝতে পারছে না তাই এই প্রশ্ন) সা:আপনার নাম্বারটা পাওয়া যাবে আ:মানুষের আবার নাম্বার হয় নাকি? সা:মোবাইল নাম্বার... আ:আমার মোইবাইলের নাম্বার হল $ymphony.... সা:আপনার সিম নাম্বার বুদ্ধু(একটু রেগে) আ:ওহ তা আগে বলবেনতো(ইচ্ছে করেই এমন করছে আশিক যাতে সাবিনার সাথে বেশি সময় কাঁটানো যায়) ...ভালোই চলছিল ৬ মাস .......৬মাস পর এক রাতে আশিক:হ্যালো সাবিনা সাবিনা:দেখ আমি এখন বিজি।আমাকে বিরক্ত কর না আ:একটু শোন...(টুট টুট কলটা কেঁটে গেল) হয়তো ওর পরিক্ষা তাই আমায় এরিয়ে চলছে।কিন্তুু তার মনে আরেকটা প্র শ্ন জাগল।যদি ও পরিক্ষার জন্যই আমায় এভয়েড করে তাহলে ওর ফোন যে রাতে প্রায় ওয়েটিং থাকে।নাহ কাল একবার সাবিনার সাথে দেখা করে বিষয়টা ক্লিয়ার করতে হবে।আশিক বসে বসে এসব ভাবছে . ....আগামীকাল আশিক সাবিনার স্কুলের সামনে দাড়িয়ে আছে।১৫ মিনিট পর স্কুল ছুটি দিল।আশিক সাবিনাকে দেখে ওর সামনে এসে দাড়াল আশিক:দাড়াও একটু প্লিজ(সাবিনা হেঁটেই চলছে) সা:দেখ রাস্তা ছাড়।নাহলে কিন্তুু খারাপ হয়ে যাবে আ:একটা কথা শুনো(এই বলে সাবিনার হাত ধরে আশিক) সা:ঠাসসস ঠাসস(সবার সামনে আশিককে থাপ্পর দেয় সাবিনা) আ:নির্বাক হয়ে যায়(চোখ দিয়ে অঁঝোরে পানি ঝরছে) সা:আজকের পর থেকে তোর সাথে আমার কোনো সম্পর্ক নেই।আমি সাব্বিরকে (সাব্বির হল আসিকের কলেজ বন্ধু।ছেলেটা খুব ধনী)।ও আমায় অনেক ভালোবাসে আমায় অনেক কিছু কিনে দিছে।প্রায় চাইনিজ খাওয়াতে নিয়ে যায়।ও আমায় অনেক ভালো রাখবে।তুই আর আমায় ডিস্টার্ব করবি না(এই বলে সাবিনা চলে গেল) . ।. ...১মাস হলো সাব্বিরের সাথে সাবিনার ব্রেকাপ।কেনই বা হবে না।সাব্বিরতো অনেক মেয়ের সাথেই এমন করেছে।যেদিন ব্রেকাপ হল সেদিন।সাব্বির আর সাবিনা রেস্টুরেন্ট এ খাচ্ছিল।হঠাৎ একটি মেয়ে সাব্বিরকে এসে বলল এটা কত নাম্বার গর্লফ্রেন্ড তোমার?এই কথা শুনে সাবিনার পায়ের মাটি যেন সরে গেল।সাবিনার সাথে সাব্বিরের কথাকাটাকাটি করার একসময় সাব্বির সাবিনাকে চর দিল।তারপর থেকে তাদের ব্রেকাপ।সাদিয়া আশিকের সাথে খারাপ আচারণ করায় তার কাছে ক্ষমা চাইতে কাল একবার আশিকের বাসায় যাবে ভাবছে আগামীকাল..... সাদিয়া আশিকের বাসার দরজা নক করতেই আশিকের ছোট বোন নাদিয়া দরজা খুলল। সাবিনা:আশিক বাড়ি আছে? নাদিয়া:আপনি কে?? সা:আমি সাবিনা ওর...(আর কিছু বলার আগেই নাদিয়া কেঁদে দিল আর ঘরে গিয়ে একটা চিরকুট আর ঘড়ি এনে সাবিনার হাতে দিয়ে দরজা লাগিয়ে দিল) চিরকুটে যা লেখা ছিল। জানি তুমি একদিন হয়তো আমার চিঠিটা পাবে। কিন্তুু তখন আর আমি এই পৃথিবীতে থাকব না।তোমাকে খুব ভালেবেসে ফেলছিলাম।তোমার সাথে প্রথম দেখার পর থেকে মৃত্যুর দিন রাতে পর্যন্ত তোমার কথা ভাবি নি এমন কেনো রাত যায় নি।আমি গরিব তাই তোমাকে কখনও রেস্টুরেন্টে নিতে পারি নি।সামনে তোমার এসএসসি তাই পকেট খরচ বাঁচিয়ে তোমার জন্য একটা দামি ঘড়ি কিনেছিলাম তোমায় দিব বলে।বেঁচে থাকতেতো দেওয়ার সুযোগ দিলে না।তাই একটা অনুরোধ।আমাদের ভালোবাসার স্নৃতি হিসেবে না হয় ঘড়িটা নিজের কাছে রেখ।ভালো থেকো সুখে থেকো ইতি তোমার আশিক সরি আমিতো আর এখন তোমার আশিক নেই ইতি আশিক(সাবিনা লেখাগুলো পড়ছে আর হাউমাউ করে কাঁদছে।) .. .. কিছু কিছু ভালোবাসার অভিমানের আড়ালে হারিয়ে যায়।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৬৬ জন


এ জাতীয় গল্প

→ অভিমানী ভালোবাসা
→ অভিমানী ভালোবাসা
→ অভিমানী ভালোবাসা
→ অভিমানী ভালোবাসা

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now